ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এসি না চালিয়েও ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়, বিলও কমবে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গ্রীষ্মে বাড়ি কিংবা অফিসে স্বস্তি পেতে এসির ব্যবহার বাড়ছে। এই যন্ত্রটি ছাড়া থাকা অনেকের পক্ষেই দুর্বিসহ। এদিকে এসি চালিয়ে রাখায় চাপ পড়ছে পকেটে। আবার অতিরিক্ত এসি চালানোর ফলে ঠান্ডা লেগে বাড়ছে সর্দি-কাশির সমস্যাও। এছাড়া করোনা সংক্রমণের স্থায়ী ভয় তো রয়েছেই।

গরমের দাপটও কমবে আবার পকেটের চাপও কমবে এমন কিছু ঘরোয়া উপায় আছে। সেসব নিয়ম মানলে এসি ছাড়াই আপনার ঘর থাকবে ঠান্ডা। এতে বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণও অনেক কম হবে।

>>জানলা বন্ধ করে পর্দা টেনে দিন:

ঘড়ির কাঁটা এগারোটা ছাড়ালেই জানলা বন্ধ করে দিন ঘরের। সঙ্গে পর্দা টেনে পাখা চালিয়ে রাখুন। ঘরে তাপ কম ঢুকতে দিলেই আরাম পাবেন। বিকালের দিকে রোদ পড়ে এলে জানলা খুলে দিন। এতে বিকালের ঠান্ডা হাওয়া ঘরে ঢুকতে পারবে।

>>খসখসের পর্দা :

খসখসের পর্দা ব্যবহারের চল আগেও ছিল। ঘরের তাপ কমাতে এই ধরনের পর্দা ব্যবহার করতে পারেন। জানলায় খসের পর্দা টাঙিয়ে রাখুন। মাঝেমধ্যেই তাকে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে নিন। ঘর থাকবে অনেক ঠান্ডা ও আরামদায়ক।

>>গাছ থাকুক ঘরে :

ঘরের মধ্যে রাখতে পারেন ছোট টবে রাখা সবুজ বাহারি গাছ। এতে ঘরের সৌন্দর্যও বাড়বে, সঙ্গে গাছের উপস্থিতিতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

>>কম ওয়াটের আলো :

দরকার ছাড়া বেশি ক্ষমতাযুক্ত বাতি জ্বালাবেন না ঘরে। কম ওয়াটের বাল্‌ব জ্বালিয়ে রাখতে পারেন। টিউব বা বাল্‌বের গা থেকে তাপ বিকিরণের ফলেও ঘর কিছুটা গরম হয়। কম ওয়াটের বাল্‌বে সে সুযোগ কম থাকে।

>>নুন মেশানো পানি :

ঘর মোছেন যখন, তখন ঘর মোছার জীবাণুনাশক তরলের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে নিন। নুনপানি তাপের ভারসাম্য বজায় রাখে। এতে মেঝে থেকে উঠে আসা গরমের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হয়।

>>হালকা রঙের পর্দা :

ঘরে ব্যবহার করুন হালকা রঙের পর্দা। হালকা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। তাই হালকা রঙের পর্দায় বাইরের তাপ কম শোষিত হয়। ঘরের তাপমাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে হালকা রঙের পর্দা। সুতির বা লিনেনের মতো প্রাকৃতিক ফ্যাব্রিকের পর্দা এবং বেড শিট ব্যবহার করুন। এই ধরনের পর্দা তাপ প্রতিফলিত করবে, তার ফলে ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>>এগজস্ট ফ্যান :

রান্না করার সময় আগুনের তাপে ঘর গরম হয়ে যায়। তাই অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান চালিয়ে রাখুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এসি না চালিয়েও ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়, বিলও কমবে

আপডেট সময় ১০:১৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গ্রীষ্মে বাড়ি কিংবা অফিসে স্বস্তি পেতে এসির ব্যবহার বাড়ছে। এই যন্ত্রটি ছাড়া থাকা অনেকের পক্ষেই দুর্বিসহ। এদিকে এসি চালিয়ে রাখায় চাপ পড়ছে পকেটে। আবার অতিরিক্ত এসি চালানোর ফলে ঠান্ডা লেগে বাড়ছে সর্দি-কাশির সমস্যাও। এছাড়া করোনা সংক্রমণের স্থায়ী ভয় তো রয়েছেই।

গরমের দাপটও কমবে আবার পকেটের চাপও কমবে এমন কিছু ঘরোয়া উপায় আছে। সেসব নিয়ম মানলে এসি ছাড়াই আপনার ঘর থাকবে ঠান্ডা। এতে বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণও অনেক কম হবে।

>>জানলা বন্ধ করে পর্দা টেনে দিন:

ঘড়ির কাঁটা এগারোটা ছাড়ালেই জানলা বন্ধ করে দিন ঘরের। সঙ্গে পর্দা টেনে পাখা চালিয়ে রাখুন। ঘরে তাপ কম ঢুকতে দিলেই আরাম পাবেন। বিকালের দিকে রোদ পড়ে এলে জানলা খুলে দিন। এতে বিকালের ঠান্ডা হাওয়া ঘরে ঢুকতে পারবে।

>>খসখসের পর্দা :

খসখসের পর্দা ব্যবহারের চল আগেও ছিল। ঘরের তাপ কমাতে এই ধরনের পর্দা ব্যবহার করতে পারেন। জানলায় খসের পর্দা টাঙিয়ে রাখুন। মাঝেমধ্যেই তাকে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে নিন। ঘর থাকবে অনেক ঠান্ডা ও আরামদায়ক।

>>গাছ থাকুক ঘরে :

ঘরের মধ্যে রাখতে পারেন ছোট টবে রাখা সবুজ বাহারি গাছ। এতে ঘরের সৌন্দর্যও বাড়বে, সঙ্গে গাছের উপস্থিতিতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

>>কম ওয়াটের আলো :

দরকার ছাড়া বেশি ক্ষমতাযুক্ত বাতি জ্বালাবেন না ঘরে। কম ওয়াটের বাল্‌ব জ্বালিয়ে রাখতে পারেন। টিউব বা বাল্‌বের গা থেকে তাপ বিকিরণের ফলেও ঘর কিছুটা গরম হয়। কম ওয়াটের বাল্‌বে সে সুযোগ কম থাকে।

>>নুন মেশানো পানি :

ঘর মোছেন যখন, তখন ঘর মোছার জীবাণুনাশক তরলের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে নিন। নুনপানি তাপের ভারসাম্য বজায় রাখে। এতে মেঝে থেকে উঠে আসা গরমের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হয়।

>>হালকা রঙের পর্দা :

ঘরে ব্যবহার করুন হালকা রঙের পর্দা। হালকা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। তাই হালকা রঙের পর্দায় বাইরের তাপ কম শোষিত হয়। ঘরের তাপমাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে হালকা রঙের পর্দা। সুতির বা লিনেনের মতো প্রাকৃতিক ফ্যাব্রিকের পর্দা এবং বেড শিট ব্যবহার করুন। এই ধরনের পর্দা তাপ প্রতিফলিত করবে, তার ফলে ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>>এগজস্ট ফ্যান :

রান্না করার সময় আগুনের তাপে ঘর গরম হয়ে যায়। তাই অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান চালিয়ে রাখুন।