ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

লকডাউনে সন্তানের অশান্ত মন সামলাবেন যেভাবে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাকালের লকডাউন যেমন পরিবারের সবার সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সময় কাটানোর সুযোগ করে দিয়েছে, তেমনি তা অনেক ক্ষেত্রে সমস্যারও কারণ হচ্ছে। বিশেষ করে সন্তানদের বেলায়। স্কুল কিংবা ঘরের বাইরে যেতে না পারা, খেলাধুলা থেকে দূরে থাকায় তাদের মেজাজ হচ্ছে তিরিক্ষি। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে হয়তো উত্তেজিত কিংবা বিষণ্ন হয়ে উঠছে।

কথায় বলে না, অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো না। এখন সার্বক্ষণিক বাড়িতে বাব-মায়ের উপস্থিতি। সব সময় তাদের চোখের সামনে থাকতে হচ্ছে সন্তানকে। নিজের মতো করে সময় কাটানোর কোনো সুযোগ নেই তার। চার বেলা ঘরে বানানো খাবার। বাইরের সব খাবার অস্পৃশ্য। কাহাতক আর ভালো লাগে সন্তানের!

এই সময়ে মানসিকভাবে পীড়িত অশান্ত মন সামলাবেন কীভাবে? সন্তানকে একটু বুঝলে এ সমস্যা নিরসন কঠিন কিছু নয়। করণীয় কী?

স্বাভাবিক সময়ে সন্তানের ওপর যে খবরদারি জারি রাখতেন, তা এখন কিছুটা শিথিল করুন, কারণ সন্তান তো এখন আপনার চোখের সামনেই। বরং তার সঙ্গে মিশুন। আলোচনা করুন তার ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে।

সন্তানের মতামত নিয়ে তার লেখাপড়া, বিশ্রাম, গেম, ব্যায়াম কিংবা ঘরের কাজে সাহায্য- ইত্যাদি সাজিয়ে নিতে পারেন। হঠাত করে তার সব যে ঘড়ির কাঁটা ধরে প্রতিদিন ঠিক ঠিক হবে তা ভাবা উচিত হবে না। কোনো অনিয়ম হলে তা সহজ ও আন্তরিকভাবে ধরিয়ে দিন।

সবকিছু ঠিক ঠিক করতে পারার জন্য তাকে খুশি করার ব্যবস্থাও রাখুন। যেদিন পুরো নিয়ম মানবে বা অনিয়ম কম করবে, সেদিন ওর পছন্দের কোনো খাবার কিংবা অন্যভাবে উৎসাহিত করতে পারেন।

সন্তানের দাবিদাওয়ার বিষয় মন দিয়ে শুনুন। ভেবে দেখুন, কোন দাবিগুলো মানলে তার কোনো ক্ষতি হবে না। সেমতো কিছু দাবি মেনে নিন।

কোনো বিষয়ে তার কোনো বন্ধু বা পড়শির সঙ্গে তুলনা করবেন না। বরং তার ভালো ও ইতিবাচক দিকগুলোর প্রশংসা করুন।

ভুলে যাবেন না, অত্যন্ত খারাপ একটা সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি আমরা সবাই। আপনি যেমন শংকা-ভয় মোকাবিলা করছেন, আপনার সন্তানও এর বাইরে নয়। কবে এই বন্দিদশা থেকে মুক্তি মিলবে এ নিয়ে তারও মনে খুব অশান্তি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়িতে আনন্দময় পরিবেশ তৈরি ও তা জারি রাখাই এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

লকডাউনে সন্তানের অশান্ত মন সামলাবেন যেভাবে

আপডেট সময় ১০:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাকালের লকডাউন যেমন পরিবারের সবার সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সময় কাটানোর সুযোগ করে দিয়েছে, তেমনি তা অনেক ক্ষেত্রে সমস্যারও কারণ হচ্ছে। বিশেষ করে সন্তানদের বেলায়। স্কুল কিংবা ঘরের বাইরে যেতে না পারা, খেলাধুলা থেকে দূরে থাকায় তাদের মেজাজ হচ্ছে তিরিক্ষি। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে হয়তো উত্তেজিত কিংবা বিষণ্ন হয়ে উঠছে।

কথায় বলে না, অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো না। এখন সার্বক্ষণিক বাড়িতে বাব-মায়ের উপস্থিতি। সব সময় তাদের চোখের সামনে থাকতে হচ্ছে সন্তানকে। নিজের মতো করে সময় কাটানোর কোনো সুযোগ নেই তার। চার বেলা ঘরে বানানো খাবার। বাইরের সব খাবার অস্পৃশ্য। কাহাতক আর ভালো লাগে সন্তানের!

এই সময়ে মানসিকভাবে পীড়িত অশান্ত মন সামলাবেন কীভাবে? সন্তানকে একটু বুঝলে এ সমস্যা নিরসন কঠিন কিছু নয়। করণীয় কী?

স্বাভাবিক সময়ে সন্তানের ওপর যে খবরদারি জারি রাখতেন, তা এখন কিছুটা শিথিল করুন, কারণ সন্তান তো এখন আপনার চোখের সামনেই। বরং তার সঙ্গে মিশুন। আলোচনা করুন তার ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে।

সন্তানের মতামত নিয়ে তার লেখাপড়া, বিশ্রাম, গেম, ব্যায়াম কিংবা ঘরের কাজে সাহায্য- ইত্যাদি সাজিয়ে নিতে পারেন। হঠাত করে তার সব যে ঘড়ির কাঁটা ধরে প্রতিদিন ঠিক ঠিক হবে তা ভাবা উচিত হবে না। কোনো অনিয়ম হলে তা সহজ ও আন্তরিকভাবে ধরিয়ে দিন।

সবকিছু ঠিক ঠিক করতে পারার জন্য তাকে খুশি করার ব্যবস্থাও রাখুন। যেদিন পুরো নিয়ম মানবে বা অনিয়ম কম করবে, সেদিন ওর পছন্দের কোনো খাবার কিংবা অন্যভাবে উৎসাহিত করতে পারেন।

সন্তানের দাবিদাওয়ার বিষয় মন দিয়ে শুনুন। ভেবে দেখুন, কোন দাবিগুলো মানলে তার কোনো ক্ষতি হবে না। সেমতো কিছু দাবি মেনে নিন।

কোনো বিষয়ে তার কোনো বন্ধু বা পড়শির সঙ্গে তুলনা করবেন না। বরং তার ভালো ও ইতিবাচক দিকগুলোর প্রশংসা করুন।

ভুলে যাবেন না, অত্যন্ত খারাপ একটা সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি আমরা সবাই। আপনি যেমন শংকা-ভয় মোকাবিলা করছেন, আপনার সন্তানও এর বাইরে নয়। কবে এই বন্দিদশা থেকে মুক্তি মিলবে এ নিয়ে তারও মনে খুব অশান্তি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়িতে আনন্দময় পরিবেশ তৈরি ও তা জারি রাখাই এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ।