ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

তৃণমূলের আস্থা অর্জন করে মানুষের সেবা করতে চাই: রুহেল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ ৫০ বছরের বর্ণিল রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। বার্ধক্য তাঁকে মাঠের রাজনীতিতে এখনও কাবু করতে না পারলেও করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে পরিবারের সিদ্ধান্তে থাকতে হচ্ছে ঘরে।

তাই বলে থেমে থাকেনি অসহায় মানুষের পাশে থাকার কর্মযজ্ঞ। গত ১৫ মে নিষেধ উপেক্ষা করে মিরসরাইয়ে দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ। স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর মেজ ছেলে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাহবুবুর রহমান রুহেলের সরব উপস্থিতি জানান দিয়েছে, বাবার সঙ্গে মিরসরাই আওয়ামী লীগের হাল ধরেছেন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত আছেন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ সাত বছর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান রুহেল  বলেন, তরুণ বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে কাজ করে আসছেন আমার বাবা। স্বাধীনতার পর তিনি বঙ্গবন্ধুর ডাকে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে দেশকে পুনরায় পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত শুরু হলে বাবা (ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ) বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থায় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দলের চরম দুর্দিনে কাজ করতে গিয়ে তিনি দুবার স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির হামলার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁর সামনে প্রলোভনের হাতছানিও ছিল। কিন্তু লোভ-লালসা কিংবা চাপ কোনো কিছুই তাঁকে বশীভূত করতে পারেনি। এরকম নিষ্ঠাবান একজন রাজনীতিক হিসেবে তিনি নিজের সমগ্র জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে ছিলেন উৎসর্গীকৃত মানুষ।

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মাহবুবুর রহমান রুহেল বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে বাংলাদেশকে সমগ্র পৃথিবীতে ব্র্যান্ডিং করার জন্য রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। যেহেতু পারিবারিকভাবে রাজনীতির রক্ত আমার শরীরে, তাই রাজনীতি আমাকে কাছে টেনে নিয়েছে। প্রথমে আমি আমার গ্রাম এবং ২০১২ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হই।

তিনি বলেন, করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর মার্চ মাস থেকে বাবার প্রতিনিধি হয়ে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অসহায় দরিদ্র মানুষকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রতি সপ্তাহে প্রত্যন্ত এলাকায় যাচ্ছি। এ পর্যন্ত ১২ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবুর রহমান রুহেল বলেন, বর্তমানে প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে বলেছেন-আমাদের কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং হবেও না। তবে আমাদের কৃষি উৎপাদন চালিয়ে যেতে হবে। উৎপাদন চালিয়ে যেতে কৃষকদের ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে- খাদ্য উৎপাদন চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল ফলাতে এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না। সেই লক্ষ্যে আমি এলাকায় কাজ করছি।

তিনি বলেন, মিরসরাইয়ের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এই দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে সাহায্য-সহযোগীতা করছে। এই করোনাযুদ্ধে তাদের অংশগ্রহণ আমার কাজে সাহস জুগিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

তৃণমূলের আস্থা অর্জন করে মানুষের সেবা করতে চাই: রুহেল

আপডেট সময় ১২:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ ৫০ বছরের বর্ণিল রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। বার্ধক্য তাঁকে মাঠের রাজনীতিতে এখনও কাবু করতে না পারলেও করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে পরিবারের সিদ্ধান্তে থাকতে হচ্ছে ঘরে।

তাই বলে থেমে থাকেনি অসহায় মানুষের পাশে থাকার কর্মযজ্ঞ। গত ১৫ মে নিষেধ উপেক্ষা করে মিরসরাইয়ে দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ। স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর মেজ ছেলে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাহবুবুর রহমান রুহেলের সরব উপস্থিতি জানান দিয়েছে, বাবার সঙ্গে মিরসরাই আওয়ামী লীগের হাল ধরেছেন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত আছেন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ সাত বছর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান রুহেল  বলেন, তরুণ বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে কাজ করে আসছেন আমার বাবা। স্বাধীনতার পর তিনি বঙ্গবন্ধুর ডাকে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে দেশকে পুনরায় পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত শুরু হলে বাবা (ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ) বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থায় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দলের চরম দুর্দিনে কাজ করতে গিয়ে তিনি দুবার স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির হামলার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁর সামনে প্রলোভনের হাতছানিও ছিল। কিন্তু লোভ-লালসা কিংবা চাপ কোনো কিছুই তাঁকে বশীভূত করতে পারেনি। এরকম নিষ্ঠাবান একজন রাজনীতিক হিসেবে তিনি নিজের সমগ্র জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে ছিলেন উৎসর্গীকৃত মানুষ।

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মাহবুবুর রহমান রুহেল বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে বাংলাদেশকে সমগ্র পৃথিবীতে ব্র্যান্ডিং করার জন্য রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। যেহেতু পারিবারিকভাবে রাজনীতির রক্ত আমার শরীরে, তাই রাজনীতি আমাকে কাছে টেনে নিয়েছে। প্রথমে আমি আমার গ্রাম এবং ২০১২ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হই।

তিনি বলেন, করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর মার্চ মাস থেকে বাবার প্রতিনিধি হয়ে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অসহায় দরিদ্র মানুষকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রতি সপ্তাহে প্রত্যন্ত এলাকায় যাচ্ছি। এ পর্যন্ত ১২ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবুর রহমান রুহেল বলেন, বর্তমানে প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে বলেছেন-আমাদের কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং হবেও না। তবে আমাদের কৃষি উৎপাদন চালিয়ে যেতে হবে। উৎপাদন চালিয়ে যেতে কৃষকদের ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে- খাদ্য উৎপাদন চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল ফলাতে এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না। সেই লক্ষ্যে আমি এলাকায় কাজ করছি।

তিনি বলেন, মিরসরাইয়ের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এই দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে সাহায্য-সহযোগীতা করছে। এই করোনাযুদ্ধে তাদের অংশগ্রহণ আমার কাজে সাহস জুগিয়েছে।