ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

করোনা আক্রান্তদের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: গবেষণা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তাদের গবেষণার কমতিও নেই এ জন্য। এরই মধ্যে গবেষণায় বের করে এনেছে একটি স্বস্তির খবর। মার্কিন গবেষকরা বলছেন, করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে।

অর্থাৎ একবার সেরে উঠলে আরেকবার আক্রান্ত না হওয়ার একটা সুযোগ আছে। তবে এই অ্যান্টিবডি তাদের ইউমিনিটি দিচ্ছে কিনা, সে খবর এখনো বলেনি। এটি পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলছেন এ বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলবার (০৫ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জনাথন ভ্যানথাম বলেছেন, কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠা রোগীদের পরীক্ষা করে পাওয়া গেছে, বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এ হিসেবে বলা চলে, অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় এখনো কোনো ওষুধ বা টিকা-প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যে গাইডলাইন আছে, সেগুলো মেনে চলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই আপাতত। এ ক্ষেত্রে আক্রান্তদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া অনেকটা স্বস্তির বিষয়।

এদিকে, আগামী ৮ মাসের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের টিকার ৩০০ মিলিয়ন ডোজ তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র প্রকল্পটির নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ওয়ার্প স্পিড’।

টিকা আবিষ্কারের পর তা মানবদেহে প্রয়োগের উপযুক্ত করতে যেখানে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগে, সেখানে এই মহামারি রুখতে বিজ্ঞানীরা ১২ থেকে ১৮ মাস সময় চাচ্ছেন। কিন্তু দিন দিন আক্রান্ত সংখ্যা লাগামহীনভাবে বেড়ে চলায় উদ্বিগ্ন ট্রাম্প প্রশাসন সেটাকে আট মাসের মধ্যেই নামিয়ে এনেছে। এ জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ও করছে দেশটি। অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে বলছেন, এটি সফল না হলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তবে এই ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া এখন আর কোনো পথও নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনা আক্রান্তদের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: গবেষণা

আপডেট সময় ১২:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তাদের গবেষণার কমতিও নেই এ জন্য। এরই মধ্যে গবেষণায় বের করে এনেছে একটি স্বস্তির খবর। মার্কিন গবেষকরা বলছেন, করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে।

অর্থাৎ একবার সেরে উঠলে আরেকবার আক্রান্ত না হওয়ার একটা সুযোগ আছে। তবে এই অ্যান্টিবডি তাদের ইউমিনিটি দিচ্ছে কিনা, সে খবর এখনো বলেনি। এটি পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলছেন এ বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলবার (০৫ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জনাথন ভ্যানথাম বলেছেন, কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠা রোগীদের পরীক্ষা করে পাওয়া গেছে, বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এ হিসেবে বলা চলে, অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় এখনো কোনো ওষুধ বা টিকা-প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যে গাইডলাইন আছে, সেগুলো মেনে চলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই আপাতত। এ ক্ষেত্রে আক্রান্তদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া অনেকটা স্বস্তির বিষয়।

এদিকে, আগামী ৮ মাসের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের টিকার ৩০০ মিলিয়ন ডোজ তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র প্রকল্পটির নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ওয়ার্প স্পিড’।

টিকা আবিষ্কারের পর তা মানবদেহে প্রয়োগের উপযুক্ত করতে যেখানে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগে, সেখানে এই মহামারি রুখতে বিজ্ঞানীরা ১২ থেকে ১৮ মাস সময় চাচ্ছেন। কিন্তু দিন দিন আক্রান্ত সংখ্যা লাগামহীনভাবে বেড়ে চলায় উদ্বিগ্ন ট্রাম্প প্রশাসন সেটাকে আট মাসের মধ্যেই নামিয়ে এনেছে। এ জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ও করছে দেশটি। অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে বলছেন, এটি সফল না হলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তবে এই ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া এখন আর কোনো পথও নেই।