ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্রিটেনে মাস্ক বির্তক: সরকারের মুখোমুখি লন্ডন মেয়র

সাদিক খান ও বরিস জনসন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের প্রকোপ সামাল দিতে ফেইস মাস্ক ব্যবহার নিয়ে ব্রিটেনের রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। বুধবার নাগরিকদের একতরফা মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ দেয়ার হুমকি দিয়েছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান।

যদিও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সরকার জোর দিয়ে বলছে, মাস্কের কার্যকারিতা নিয়ে যেসব প্রমাণ আসছে, তার ভিত্তি খুবই দুর্বল। খবর-মেইল অনলাইনের

তবে ওয়েস্টমিনিস্টারের অবস্থান আরও বেশি খর্ব করে দিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা সার্জন। মঙ্গলবার তিনি বলেন, যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা খুবই কষ্টকর, সেখানে মুখঢাকা ব্যবহার করা উচিত।

সাদিক খান বলেন, রাজধানীতে যে কোনো নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ আমি নিতে পারি। যদি আমাদের সর্বোচ্চ তদবির ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের পরেও সরকারি নির্দেশনায় কোনো পরিবর্তন না আসে, তবে লন্ডনের বাসিন্দাদের ফেইস মাস্ক পরতে একতরফা নির্দেশ আমাকে দিতে হতে পারে।

ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, গত সপ্তাহে সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপ ফর ইমার্জেন্সিসে কাছ থেকে তথ্যপ্রমাণ গ্রহণের পর ব্রিটিশ সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলছে, যেসব পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, মন্ত্রীরা তা বিবেচনা করে দেখছেন। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তা প্রকাশ্যে জানানো হবে।

ডাউনিং স্ট্রিটের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জবাব একেবারেই পরিষ্কার যে মাস্কের কার্যকারিতা নিয়ে যে প্রামণ পাওয়া গেছে, তা দুর্বল। আমরা প্রমাণাদি সরকারের কাছে পাঠিয়েছি, সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানককও একই বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়নি।

মঙ্গলবার বৈজ্ঞানিক উপপ্রধান কর্মকর্তা অধ্যাপক অঞ্জেলা ম্যাকলিন বলেন, করোনাভাইরাস বিস্তারে মাস্ক একজন আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিরত রাখতে পারে বলে জোরালো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ব্রিটেনে মাস্ক বির্তক: সরকারের মুখোমুখি লন্ডন মেয়র

আপডেট সময় ০৪:১৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের প্রকোপ সামাল দিতে ফেইস মাস্ক ব্যবহার নিয়ে ব্রিটেনের রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। বুধবার নাগরিকদের একতরফা মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ দেয়ার হুমকি দিয়েছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান।

যদিও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সরকার জোর দিয়ে বলছে, মাস্কের কার্যকারিতা নিয়ে যেসব প্রমাণ আসছে, তার ভিত্তি খুবই দুর্বল। খবর-মেইল অনলাইনের

তবে ওয়েস্টমিনিস্টারের অবস্থান আরও বেশি খর্ব করে দিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা সার্জন। মঙ্গলবার তিনি বলেন, যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা খুবই কষ্টকর, সেখানে মুখঢাকা ব্যবহার করা উচিত।

সাদিক খান বলেন, রাজধানীতে যে কোনো নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ আমি নিতে পারি। যদি আমাদের সর্বোচ্চ তদবির ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের পরেও সরকারি নির্দেশনায় কোনো পরিবর্তন না আসে, তবে লন্ডনের বাসিন্দাদের ফেইস মাস্ক পরতে একতরফা নির্দেশ আমাকে দিতে হতে পারে।

ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, গত সপ্তাহে সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপ ফর ইমার্জেন্সিসে কাছ থেকে তথ্যপ্রমাণ গ্রহণের পর ব্রিটিশ সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলছে, যেসব পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, মন্ত্রীরা তা বিবেচনা করে দেখছেন। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তা প্রকাশ্যে জানানো হবে।

ডাউনিং স্ট্রিটের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জবাব একেবারেই পরিষ্কার যে মাস্কের কার্যকারিতা নিয়ে যে প্রামণ পাওয়া গেছে, তা দুর্বল। আমরা প্রমাণাদি সরকারের কাছে পাঠিয়েছি, সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানককও একই বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়নি।

মঙ্গলবার বৈজ্ঞানিক উপপ্রধান কর্মকর্তা অধ্যাপক অঞ্জেলা ম্যাকলিন বলেন, করোনাভাইরাস বিস্তারে মাস্ক একজন আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিরত রাখতে পারে বলে জোরালো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।