ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মধ্যরাতে কৃষকের ধান কেটে দিলেন ডিসি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মধ্যরাতে হাওরে নেমে নিজেই কাস্তে (কাঁচি) হাতে নিয়ে কৃষকের পাকা ধান কাটলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ।

বৃহস্পতিবার রাতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জলভাঙা হাওরে ধানকাটার সময় কৃষকদের উৎসাহ জোগাতে ডিসি তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

এ সময় ডিসির দেখাদেখি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, ইউএনও ইয়াসমিন নাহার রুমাসহ জেলা-উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীও ধান কাটতে নেমে পড়েন।

বৃহস্পতিবার রাতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আহাদ দৈনিক আকাশকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ জেলার কৃষকদের ৪০টি কম্বাইন হার্ভেস্টার (ধানকাটা, মাড়াই) যন্ত্র দিয়েছেন। দিনে আট ঘণ্টা ধানকাটার পর বিকালের দিকে যন্ত্রটি বিরতি দেয়া হচ্ছে। এদিকে বন্যা আসার আগেই যদি আমরা শতভাগ বোরো ধান কেটে গোলায় তুলতে পারি, তা হলে জেলার লাখ লাখ কৃষক ও তাদের পরিবার স্বস্তিতে থাকবেন এবং খাদ্য ঘাটতির মুখে পড়তে হবে না আমাদের। তাই রাতেও কৃষকদের ধান কাটতে সাহায্য করতে এগিয়ে এলাম। অতিবৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢলে বন্যা আসার আগেই শতভাগ বোরো ধান কেটে কৃষকের গোলায় তুলতে আশাবাদী আমরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মধ্যরাতে কৃষকের ধান কেটে দিলেন ডিসি

আপডেট সময় ১১:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মধ্যরাতে হাওরে নেমে নিজেই কাস্তে (কাঁচি) হাতে নিয়ে কৃষকের পাকা ধান কাটলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ।

বৃহস্পতিবার রাতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জলভাঙা হাওরে ধানকাটার সময় কৃষকদের উৎসাহ জোগাতে ডিসি তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

এ সময় ডিসির দেখাদেখি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, ইউএনও ইয়াসমিন নাহার রুমাসহ জেলা-উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীও ধান কাটতে নেমে পড়েন।

বৃহস্পতিবার রাতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আহাদ দৈনিক আকাশকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ জেলার কৃষকদের ৪০টি কম্বাইন হার্ভেস্টার (ধানকাটা, মাড়াই) যন্ত্র দিয়েছেন। দিনে আট ঘণ্টা ধানকাটার পর বিকালের দিকে যন্ত্রটি বিরতি দেয়া হচ্ছে। এদিকে বন্যা আসার আগেই যদি আমরা শতভাগ বোরো ধান কেটে গোলায় তুলতে পারি, তা হলে জেলার লাখ লাখ কৃষক ও তাদের পরিবার স্বস্তিতে থাকবেন এবং খাদ্য ঘাটতির মুখে পড়তে হবে না আমাদের। তাই রাতেও কৃষকদের ধান কাটতে সাহায্য করতে এগিয়ে এলাম। অতিবৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢলে বন্যা আসার আগেই শতভাগ বোরো ধান কেটে কৃষকের গোলায় তুলতে আশাবাদী আমরা।