আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বলবৎ থাকা লকডাউন কিছু শিথিল করেছে অস্ট্রিয়া। এর ফলে সেখানকার শত শত দোকানপাট পুনরায় খুলেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গার্ডেন সেন্টার, ডিআইইউ স্টোর এবং ছোট ছোট দোকান খোলা যাবে কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। খবর বিবিসির।
ইতালিতেও অল্প পরিসরে দোকানপাট খোলা এবং ব্যবসা চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারিতে ইতালিতে এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
তবে যেসব এলাকায় করোনা তাণ্ডব চালিয়েছে সেখানে এখনও লকডাউন পুরোমাত্রায় বলবৎ রয়েছে। লোম্বার্দি ও উত্তরাঞ্চলীয় এলাকায় আরও সময়ের জন্য লকডাউন থাকবে।
পাঁচ সপ্তাহ লকডাউন থাকার পর বইয়ের দোকান, স্টেশনারি এবং বাচ্চা ও শিশুদের কাপড়ের দোকান খুলেছে ইতালিতে। তবে ক্রেতার সংখ্যা ও হাইজিনের ব্যাপারে কঠোর নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।
অস্ট্রিয়া ও ইতালি ছাড়াও ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ লকডাউন শিথিল করেছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্পেন। করোনায় বিশ্বের মধ্যে যে তিনটি দেশে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে স্পেন সেগুলোর একটি।
তবে দেশটি কিছু কিছু ব্যবসা চালু করার অনুমতি দিয়েছে। গত ২০ মার্চের পর দেশটিতে মঙ্গলবার সবচেয়ে কম সংক্রমণ হয়েছে। মৃত্যুর হারও অনেকটা কমে এসেছে।
ইউরোপের আরেক দেশ ডেনমার্ক ছোট বাচ্চাদের স্কুল খোলার অনুমতি দিয়েছে। এছাড়া পোল্যান্ড জানিয়েছে, তারা রোববার থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেবে। সেক্ষেত্রে আগে দোকানপাট খোলার অনুমতি দিতে পারে দেশটি।
যদিও ফ্রান্সে লকডাউন আরও চার সপ্তাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আগামী ১১ মে পর্যন্ত ফ্রান্সে লকডাউন বৃদ্ধি করেছেন। টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমান বিধিনিষেধের কারণে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমেছে, তবে এটি পরাজিত হয়নি।
এদিকে জার্মানির রবার্ট কোচ পাবলিক হেলথ ইন্সটিটিউটের প্রধান বলেছেন, সংক্রমণ কিছু ধীরগতির হয়ে আসছে কিন্তু এখনও সবকিছু খুলে দেয়া ঠিক হবে না।
অন্যদিকে ইউরোপের কয়েকটি দেশে করোনার সংক্রমণ কমে আসাটা স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু এখনই বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সময় আসেনি বলে সতর্ক করে দিয়েছে তারা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















