ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইতালি-অস্ট্রিয়া-স্পেন-ডেনমার্কে লকডাউন শিথিল

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বলবৎ থাকা লকডাউন কিছু শিথিল করেছে অস্ট্রিয়া। এর ফলে সেখানকার শত শত দোকানপাট পুনরায় খুলেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গার্ডেন সেন্টার, ডিআইইউ স্টোর এবং ছোট ছোট দোকান খোলা যাবে কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। খবর বিবিসির।

ইতালিতেও অল্প পরিসরে দোকানপাট খোলা এবং ব্যবসা চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারিতে ইতালিতে এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

তবে যেসব এলাকায় করোনা তাণ্ডব চালিয়েছে সেখানে এখনও লকডাউন পুরোমাত্রায় বলবৎ রয়েছে। লোম্বার্দি ও উত্তরাঞ্চলীয় এলাকায় আরও সময়ের জন্য লকডাউন থাকবে।

পাঁচ সপ্তাহ লকডাউন থাকার পর বইয়ের দোকান, স্টেশনারি এবং বাচ্চা ও শিশুদের কাপড়ের দোকান খুলেছে ইতালিতে। তবে ক্রেতার সংখ্যা ও হাইজিনের ব্যাপারে কঠোর নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।

অস্ট্রিয়া ও ইতালি ছাড়াও ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ লকডাউন শিথিল করেছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্পেন। করোনায় বিশ্বের মধ্যে যে তিনটি দেশে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে স্পেন সেগুলোর একটি।

তবে দেশটি কিছু কিছু ব্যবসা চালু করার অনুমতি দিয়েছে। গত ২০ মার্চের পর দেশটিতে মঙ্গলবার সবচেয়ে কম সংক্রমণ হয়েছে। মৃত্যুর হারও অনেকটা কমে এসেছে।

ইউরোপের আরেক দেশ ডেনমার্ক ছোট বাচ্চাদের স্কুল খোলার অনুমতি দিয়েছে। এছাড়া পোল্যান্ড জানিয়েছে, তারা রোববার থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেবে। সেক্ষেত্রে আগে দোকানপাট খোলার অনুমতি দিতে পারে দেশটি।

যদিও ফ্রান্সে লকডাউন আরও চার সপ্তাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আগামী ১১ মে পর্যন্ত ফ্রান্সে লকডাউন বৃদ্ধি করেছেন। টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমান বিধিনিষেধের কারণে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমেছে, তবে এটি পরাজিত হয়নি।
এদিকে জার্মানির রবার্ট কোচ পাবলিক হেলথ ইন্সটিটিউটের প্রধান বলেছেন, সংক্রমণ কিছু ধীরগতির হয়ে আসছে কিন্তু এখনও সবকিছু খুলে দেয়া ঠিক হবে না।

অন্যদিকে ইউরোপের কয়েকটি দেশে করোনার সংক্রমণ কমে আসাটা স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু এখনই বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সময় আসেনি বলে সতর্ক করে দিয়েছে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইতালি-অস্ট্রিয়া-স্পেন-ডেনমার্কে লকডাউন শিথিল

আপডেট সময় ১২:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বলবৎ থাকা লকডাউন কিছু শিথিল করেছে অস্ট্রিয়া। এর ফলে সেখানকার শত শত দোকানপাট পুনরায় খুলেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গার্ডেন সেন্টার, ডিআইইউ স্টোর এবং ছোট ছোট দোকান খোলা যাবে কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। খবর বিবিসির।

ইতালিতেও অল্প পরিসরে দোকানপাট খোলা এবং ব্যবসা চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারিতে ইতালিতে এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

তবে যেসব এলাকায় করোনা তাণ্ডব চালিয়েছে সেখানে এখনও লকডাউন পুরোমাত্রায় বলবৎ রয়েছে। লোম্বার্দি ও উত্তরাঞ্চলীয় এলাকায় আরও সময়ের জন্য লকডাউন থাকবে।

পাঁচ সপ্তাহ লকডাউন থাকার পর বইয়ের দোকান, স্টেশনারি এবং বাচ্চা ও শিশুদের কাপড়ের দোকান খুলেছে ইতালিতে। তবে ক্রেতার সংখ্যা ও হাইজিনের ব্যাপারে কঠোর নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।

অস্ট্রিয়া ও ইতালি ছাড়াও ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ লকডাউন শিথিল করেছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্পেন। করোনায় বিশ্বের মধ্যে যে তিনটি দেশে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে স্পেন সেগুলোর একটি।

তবে দেশটি কিছু কিছু ব্যবসা চালু করার অনুমতি দিয়েছে। গত ২০ মার্চের পর দেশটিতে মঙ্গলবার সবচেয়ে কম সংক্রমণ হয়েছে। মৃত্যুর হারও অনেকটা কমে এসেছে।

ইউরোপের আরেক দেশ ডেনমার্ক ছোট বাচ্চাদের স্কুল খোলার অনুমতি দিয়েছে। এছাড়া পোল্যান্ড জানিয়েছে, তারা রোববার থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেবে। সেক্ষেত্রে আগে দোকানপাট খোলার অনুমতি দিতে পারে দেশটি।

যদিও ফ্রান্সে লকডাউন আরও চার সপ্তাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আগামী ১১ মে পর্যন্ত ফ্রান্সে লকডাউন বৃদ্ধি করেছেন। টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমান বিধিনিষেধের কারণে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমেছে, তবে এটি পরাজিত হয়নি।
এদিকে জার্মানির রবার্ট কোচ পাবলিক হেলথ ইন্সটিটিউটের প্রধান বলেছেন, সংক্রমণ কিছু ধীরগতির হয়ে আসছে কিন্তু এখনও সবকিছু খুলে দেয়া ঠিক হবে না।

অন্যদিকে ইউরোপের কয়েকটি দেশে করোনার সংক্রমণ কমে আসাটা স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু এখনই বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সময় আসেনি বলে সতর্ক করে দিয়েছে তারা।