ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দুবাইয়ে আটকা প্রবাসীদের খাবার পাঠালেন সুজানা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আরব আমিরাতে চলছে লকডাউন। এমন অবস্থায় সেখানে আটকে পড়েছিলেন। খাবার ও পানি কিনে আনারও অবস্থা ছিল না তাদের। নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন দুবাই প্রবাসী এ তরুণ। কি মনে করে সুজানাকে মেসেজ দিলেন। দুবাইয়ে আটকে পড়ে অলস সময় কাটাচ্ছিলেন সুজানা। তিনিও আদার বক্সের মেসেজ কি মনে করে চেক করলেন।

দেখলেন খাদ্য সহায়তা চেয়ে কক্সবাজারের এক তরুণ মেসেজ দিয়েছে। সুজানা সবিস্তারে শুনলেন। জানতে পারলেন ওই এলাকায় ১৩ জন বাংলাদেশি তরুণ একসঙ্গে কাজ করেন। টাকা মুখ্য নয়, খাদ্য পৌঁছানোই কঠিন কাজ। সুজানা মেসেজ পেয়ে প্রস্তুতি নিলেন, এমন আরো আটকে পড়া ১৫ জন বাংলাদেশির সন্ধান পেলেন, যারা খাবার পাচ্ছিলেন না। এই ২৮ জন বসবাস করেন দুবাইয়ের ডেইরা ও বানিয়াসে।

উদ্যোগ নিলেন। ভাইয়ের মাধ্যমে বাজার করে ওইসব আটকে পড়া বাংলাদেশির ঠিকানায় খাবার পৌঁছালেন। নিজেদের আত্মীয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে এলাকা গুলোতে খাবার পৌঁছাতে হয়েছে। দুবাইতে থাকা ওই প্রবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা। তাদের একজন বলেন, ‘আমরা সুজানা ম্যাডামের ভক্ত। তাকে অনুসরণ করতাম। আমরা যখন বিপদে পড়েছি তখন সুজানা ম্যাডামকে মেসেজ দিয়েছি। তিনি আমাদের বিস্তারিত জানতে চান, তাকে আমরা সাথে সাথে পাসপোর্টের ছবি তুলে পাঠালাম। কারণ আমরা ক্ষুধার্ত, আমাদের যেকোনোভাবে খাদ্য লাগবে। ম্যাডাম বিশ্বাস করলেন।

তাদের একজন জানান, গত ২০-২২ দিন তারা গৃহবন্দি। কাজ বন্ধ। মোটেও বাইরে যেতে পারছেন না। বেতনও হাতে পাননি। খাওয়াদাওয়ায় বেশি সমস্যা পড়েছেন গত শেষ ২ দিনে। দুবাইতে অবস্থানরত সুজানা বলেন, ‘আসলে এই দুবাইতে থেকে এমনভাবে মানুষের জন্য কিছু করতে পারবো ভাবিনি। দেশে আমার নির্দেশনায় আমার ম্যানেজার কাজ করছে। কিন্তু দুবাইয়ে এরকম অবস্থা হবে ভাবতে পারিনি। আমি প্রথমে মেসেজ দেখে মনে করছি আমার সাথে কেউ মজা করার চেষ্টা করছে। পরে আমাকে পাসপোর্টের পাতার ছবি তুলে পাঠালো। এরপর আমি চেষ্টা করলাম ওদের খাদ্য পাঠাতে। ওরা যেসব এলাকায় রয়েছে সেসব এলাকায় পৌঁছানো একটু কঠিন ছিল।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দুবাইয়ে আটকা প্রবাসীদের খাবার পাঠালেন সুজানা

আপডেট সময় ১০:১৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আরব আমিরাতে চলছে লকডাউন। এমন অবস্থায় সেখানে আটকে পড়েছিলেন। খাবার ও পানি কিনে আনারও অবস্থা ছিল না তাদের। নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন দুবাই প্রবাসী এ তরুণ। কি মনে করে সুজানাকে মেসেজ দিলেন। দুবাইয়ে আটকে পড়ে অলস সময় কাটাচ্ছিলেন সুজানা। তিনিও আদার বক্সের মেসেজ কি মনে করে চেক করলেন।

দেখলেন খাদ্য সহায়তা চেয়ে কক্সবাজারের এক তরুণ মেসেজ দিয়েছে। সুজানা সবিস্তারে শুনলেন। জানতে পারলেন ওই এলাকায় ১৩ জন বাংলাদেশি তরুণ একসঙ্গে কাজ করেন। টাকা মুখ্য নয়, খাদ্য পৌঁছানোই কঠিন কাজ। সুজানা মেসেজ পেয়ে প্রস্তুতি নিলেন, এমন আরো আটকে পড়া ১৫ জন বাংলাদেশির সন্ধান পেলেন, যারা খাবার পাচ্ছিলেন না। এই ২৮ জন বসবাস করেন দুবাইয়ের ডেইরা ও বানিয়াসে।

উদ্যোগ নিলেন। ভাইয়ের মাধ্যমে বাজার করে ওইসব আটকে পড়া বাংলাদেশির ঠিকানায় খাবার পৌঁছালেন। নিজেদের আত্মীয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে এলাকা গুলোতে খাবার পৌঁছাতে হয়েছে। দুবাইতে থাকা ওই প্রবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা। তাদের একজন বলেন, ‘আমরা সুজানা ম্যাডামের ভক্ত। তাকে অনুসরণ করতাম। আমরা যখন বিপদে পড়েছি তখন সুজানা ম্যাডামকে মেসেজ দিয়েছি। তিনি আমাদের বিস্তারিত জানতে চান, তাকে আমরা সাথে সাথে পাসপোর্টের ছবি তুলে পাঠালাম। কারণ আমরা ক্ষুধার্ত, আমাদের যেকোনোভাবে খাদ্য লাগবে। ম্যাডাম বিশ্বাস করলেন।

তাদের একজন জানান, গত ২০-২২ দিন তারা গৃহবন্দি। কাজ বন্ধ। মোটেও বাইরে যেতে পারছেন না। বেতনও হাতে পাননি। খাওয়াদাওয়ায় বেশি সমস্যা পড়েছেন গত শেষ ২ দিনে। দুবাইতে অবস্থানরত সুজানা বলেন, ‘আসলে এই দুবাইতে থেকে এমনভাবে মানুষের জন্য কিছু করতে পারবো ভাবিনি। দেশে আমার নির্দেশনায় আমার ম্যানেজার কাজ করছে। কিন্তু দুবাইয়ে এরকম অবস্থা হবে ভাবতে পারিনি। আমি প্রথমে মেসেজ দেখে মনে করছি আমার সাথে কেউ মজা করার চেষ্টা করছে। পরে আমাকে পাসপোর্টের পাতার ছবি তুলে পাঠালো। এরপর আমি চেষ্টা করলাম ওদের খাদ্য পাঠাতে। ওরা যেসব এলাকায় রয়েছে সেসব এলাকায় পৌঁছানো একটু কঠিন ছিল।’