ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

দুবাইয়ে আটকা প্রবাসীদের খাবার পাঠালেন সুজানা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আরব আমিরাতে চলছে লকডাউন। এমন অবস্থায় সেখানে আটকে পড়েছিলেন। খাবার ও পানি কিনে আনারও অবস্থা ছিল না তাদের। নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন দুবাই প্রবাসী এ তরুণ। কি মনে করে সুজানাকে মেসেজ দিলেন। দুবাইয়ে আটকে পড়ে অলস সময় কাটাচ্ছিলেন সুজানা। তিনিও আদার বক্সের মেসেজ কি মনে করে চেক করলেন।

দেখলেন খাদ্য সহায়তা চেয়ে কক্সবাজারের এক তরুণ মেসেজ দিয়েছে। সুজানা সবিস্তারে শুনলেন। জানতে পারলেন ওই এলাকায় ১৩ জন বাংলাদেশি তরুণ একসঙ্গে কাজ করেন। টাকা মুখ্য নয়, খাদ্য পৌঁছানোই কঠিন কাজ। সুজানা মেসেজ পেয়ে প্রস্তুতি নিলেন, এমন আরো আটকে পড়া ১৫ জন বাংলাদেশির সন্ধান পেলেন, যারা খাবার পাচ্ছিলেন না। এই ২৮ জন বসবাস করেন দুবাইয়ের ডেইরা ও বানিয়াসে।

উদ্যোগ নিলেন। ভাইয়ের মাধ্যমে বাজার করে ওইসব আটকে পড়া বাংলাদেশির ঠিকানায় খাবার পৌঁছালেন। নিজেদের আত্মীয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে এলাকা গুলোতে খাবার পৌঁছাতে হয়েছে। দুবাইতে থাকা ওই প্রবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা। তাদের একজন বলেন, ‘আমরা সুজানা ম্যাডামের ভক্ত। তাকে অনুসরণ করতাম। আমরা যখন বিপদে পড়েছি তখন সুজানা ম্যাডামকে মেসেজ দিয়েছি। তিনি আমাদের বিস্তারিত জানতে চান, তাকে আমরা সাথে সাথে পাসপোর্টের ছবি তুলে পাঠালাম। কারণ আমরা ক্ষুধার্ত, আমাদের যেকোনোভাবে খাদ্য লাগবে। ম্যাডাম বিশ্বাস করলেন।

তাদের একজন জানান, গত ২০-২২ দিন তারা গৃহবন্দি। কাজ বন্ধ। মোটেও বাইরে যেতে পারছেন না। বেতনও হাতে পাননি। খাওয়াদাওয়ায় বেশি সমস্যা পড়েছেন গত শেষ ২ দিনে। দুবাইতে অবস্থানরত সুজানা বলেন, ‘আসলে এই দুবাইতে থেকে এমনভাবে মানুষের জন্য কিছু করতে পারবো ভাবিনি। দেশে আমার নির্দেশনায় আমার ম্যানেজার কাজ করছে। কিন্তু দুবাইয়ে এরকম অবস্থা হবে ভাবতে পারিনি। আমি প্রথমে মেসেজ দেখে মনে করছি আমার সাথে কেউ মজা করার চেষ্টা করছে। পরে আমাকে পাসপোর্টের পাতার ছবি তুলে পাঠালো। এরপর আমি চেষ্টা করলাম ওদের খাদ্য পাঠাতে। ওরা যেসব এলাকায় রয়েছে সেসব এলাকায় পৌঁছানো একটু কঠিন ছিল।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুবাইয়ে আটকা প্রবাসীদের খাবার পাঠালেন সুজানা

আপডেট সময় ১০:১৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আরব আমিরাতে চলছে লকডাউন। এমন অবস্থায় সেখানে আটকে পড়েছিলেন। খাবার ও পানি কিনে আনারও অবস্থা ছিল না তাদের। নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন দুবাই প্রবাসী এ তরুণ। কি মনে করে সুজানাকে মেসেজ দিলেন। দুবাইয়ে আটকে পড়ে অলস সময় কাটাচ্ছিলেন সুজানা। তিনিও আদার বক্সের মেসেজ কি মনে করে চেক করলেন।

দেখলেন খাদ্য সহায়তা চেয়ে কক্সবাজারের এক তরুণ মেসেজ দিয়েছে। সুজানা সবিস্তারে শুনলেন। জানতে পারলেন ওই এলাকায় ১৩ জন বাংলাদেশি তরুণ একসঙ্গে কাজ করেন। টাকা মুখ্য নয়, খাদ্য পৌঁছানোই কঠিন কাজ। সুজানা মেসেজ পেয়ে প্রস্তুতি নিলেন, এমন আরো আটকে পড়া ১৫ জন বাংলাদেশির সন্ধান পেলেন, যারা খাবার পাচ্ছিলেন না। এই ২৮ জন বসবাস করেন দুবাইয়ের ডেইরা ও বানিয়াসে।

উদ্যোগ নিলেন। ভাইয়ের মাধ্যমে বাজার করে ওইসব আটকে পড়া বাংলাদেশির ঠিকানায় খাবার পৌঁছালেন। নিজেদের আত্মীয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে এলাকা গুলোতে খাবার পৌঁছাতে হয়েছে। দুবাইতে থাকা ওই প্রবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা। তাদের একজন বলেন, ‘আমরা সুজানা ম্যাডামের ভক্ত। তাকে অনুসরণ করতাম। আমরা যখন বিপদে পড়েছি তখন সুজানা ম্যাডামকে মেসেজ দিয়েছি। তিনি আমাদের বিস্তারিত জানতে চান, তাকে আমরা সাথে সাথে পাসপোর্টের ছবি তুলে পাঠালাম। কারণ আমরা ক্ষুধার্ত, আমাদের যেকোনোভাবে খাদ্য লাগবে। ম্যাডাম বিশ্বাস করলেন।

তাদের একজন জানান, গত ২০-২২ দিন তারা গৃহবন্দি। কাজ বন্ধ। মোটেও বাইরে যেতে পারছেন না। বেতনও হাতে পাননি। খাওয়াদাওয়ায় বেশি সমস্যা পড়েছেন গত শেষ ২ দিনে। দুবাইতে অবস্থানরত সুজানা বলেন, ‘আসলে এই দুবাইতে থেকে এমনভাবে মানুষের জন্য কিছু করতে পারবো ভাবিনি। দেশে আমার নির্দেশনায় আমার ম্যানেজার কাজ করছে। কিন্তু দুবাইয়ে এরকম অবস্থা হবে ভাবতে পারিনি। আমি প্রথমে মেসেজ দেখে মনে করছি আমার সাথে কেউ মজা করার চেষ্টা করছে। পরে আমাকে পাসপোর্টের পাতার ছবি তুলে পাঠালো। এরপর আমি চেষ্টা করলাম ওদের খাদ্য পাঠাতে। ওরা যেসব এলাকায় রয়েছে সেসব এলাকায় পৌঁছানো একটু কঠিন ছিল।’