ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

খুনি মাজেদকে গ্রেফতার মুজিববর্ষে শ্রেষ্ঠ উপহার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদকে (বরখাস্ত) গ্রেপ্তারের পর একটি প্রতিক্রিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘এটি মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার আমরা দেশবাসিকে দিতে পেরেছি।’ মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের সাজা কার্যকর করার অপেক্ষায় ছিলাম। তার মধ্যে অন্যতম একজন খুনি আব্দুল মাজেদ পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। আমরা কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সৌপর্দ করি। আদালত তাকে হাজতবাসের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে, সেখানে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার স্ত্রী সালেহা বেগমের বাড়ি নম্বর- ১০/এ রোড নম্বর এক, ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকায় সেখানেই বসবাস করছিলেন আব্দুল মাজেদ। তার সমস্ত তথ্য আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে ছিল।’

এদিকে মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। এর আগে বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে মাজেদকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) জুলফিকার হায়াতের আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে ১১ নাম্বার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) একটি দল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ, নুর এবং রিছালদার মোসলেহ উদ্দিন এই তিনজনের অবস্থান সেখানে ছিলো। এছাড়া আরো কয়েকজন ছিলেন। এই খুনি শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনে অংশগ্রহণ করেননি। তিনি জেলহত্যায়ও অংশগ্রহণ করেছিলেন বলে আমাদের জানা রয়েছে। খুনের পরে তিনি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক তিনি (আব্দুল মাজেদ) বঙ্গভবন এবং অন্যান্য জায়গা কাজ করেছেন। আমরা আশা করি, তার দণ্ডাদেশ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যকর করতে পারব। ’ যারা যারা এই কাজে (গ্রেপ্তারে) সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে এটাকে মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার আমরা দেশবাসিকে দিতে পেরেছি বলে মনে করেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের তৎকালিন জিয়াউর রহমান সরকার বিচারের বদলে নানা ভাবে পুরুস্কৃত করেছে। তাদের যাতে বিচার না হয়, সেই ব্যবস্থাটাও পাকাপোক্ত করেছিলেন। এই খুনিকে আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময় জিয়া সরকার দূতাবাসে চাকরি ছাড়া দেশে-বিদেশে চাকরি করেছেন। ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তার আগে এই খুনি আত্মগোপন করেন। এরপর থেকে আমাদের গোয়েন্দারা তাকে নজরদারিতে রেখেছিল। ’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুনি মাজেদকে গ্রেফতার মুজিববর্ষে শ্রেষ্ঠ উপহার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদকে (বরখাস্ত) গ্রেপ্তারের পর একটি প্রতিক্রিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘এটি মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার আমরা দেশবাসিকে দিতে পেরেছি।’ মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের সাজা কার্যকর করার অপেক্ষায় ছিলাম। তার মধ্যে অন্যতম একজন খুনি আব্দুল মাজেদ পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। আমরা কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সৌপর্দ করি। আদালত তাকে হাজতবাসের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে, সেখানে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার স্ত্রী সালেহা বেগমের বাড়ি নম্বর- ১০/এ রোড নম্বর এক, ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকায় সেখানেই বসবাস করছিলেন আব্দুল মাজেদ। তার সমস্ত তথ্য আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে ছিল।’

এদিকে মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। এর আগে বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে মাজেদকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) জুলফিকার হায়াতের আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে ১১ নাম্বার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) একটি দল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ, নুর এবং রিছালদার মোসলেহ উদ্দিন এই তিনজনের অবস্থান সেখানে ছিলো। এছাড়া আরো কয়েকজন ছিলেন। এই খুনি শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনে অংশগ্রহণ করেননি। তিনি জেলহত্যায়ও অংশগ্রহণ করেছিলেন বলে আমাদের জানা রয়েছে। খুনের পরে তিনি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক তিনি (আব্দুল মাজেদ) বঙ্গভবন এবং অন্যান্য জায়গা কাজ করেছেন। আমরা আশা করি, তার দণ্ডাদেশ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যকর করতে পারব। ’ যারা যারা এই কাজে (গ্রেপ্তারে) সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে এটাকে মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার আমরা দেশবাসিকে দিতে পেরেছি বলে মনে করেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের তৎকালিন জিয়াউর রহমান সরকার বিচারের বদলে নানা ভাবে পুরুস্কৃত করেছে। তাদের যাতে বিচার না হয়, সেই ব্যবস্থাটাও পাকাপোক্ত করেছিলেন। এই খুনিকে আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময় জিয়া সরকার দূতাবাসে চাকরি ছাড়া দেশে-বিদেশে চাকরি করেছেন। ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তার আগে এই খুনি আত্মগোপন করেন। এরপর থেকে আমাদের গোয়েন্দারা তাকে নজরদারিতে রেখেছিল। ’