ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারিগরি শিক্ষায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী জাবিতে গভীর রাতে নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং, আটক ১২ ব্যাংকিং খাতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সুশাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : গভর্নর বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন আলাল দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আহ্বান সৌদি আরবে ড্রাইভিং শেখার সময় দুর্ঘটনায় সিলেটের যুবক নিহত সমবায়ীদের পণ্য রপ্তানিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর সরকারের মূল লক্ষ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন: বাণিজ্যমন্ত্রী দুর্নীতি করলেই চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাদারীপুরে জ্বর–শ্বাসকষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার এক ড্রেজার ব্যবসায়ী মারা গেছেন। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে নিজের বাড়িতে মারা যান তিনি। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আজ রোববার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই ব্যক্তির বাড়িতে লোক পাঠানোর কথা নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আল বিধান মো. সানাউল্লাহ্‌ বলেন, ‘সকালে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে লোক পাঠানো হয়েছে। তারা তথ্য সংগ্রহ করছে। আমি যাব। ওখানে না যাওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল দুপুরের পর ওই ব্যক্তি জ্বর–সর্দিতে আক্রান্ত হন। রাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি বিদেশফেরত কোনো ব্যক্তি নন। তাঁর পরিবারের কেউ বিদেশ থেকে আসেননি। স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন তাঁর নমুনা সংগ্রহ করছে। এ ছাড়া জরুরি সভা করে ওই এলাকা লকডাউনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইমলাম বলেন, ওই ব্যক্তির বয়স ৬০ বছরের উপরে। জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি মারা গেছেন। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। পুলিশ, প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ পাওয়ার পর ওই এলাকা লকডাউন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

১ মার্চ থেকে মাদারীপুরে আসেন ৩ হাজার ৫৩২ জন প্রবাসী। তাদের মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন ১ হাজার ৩৮৮ জন। ইতিমধ্যে হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে ১ হাজার ১৯১ জনের। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ২১৭ জন। এ ছাড়া মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ছিলেন ৫ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ছিলেন ৩ জন। বর্তমানে সদর উপজেলার এক ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে কেউ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কারিগরি শিক্ষায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

মাদারীপুরে জ্বর–শ্বাসকষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ

আপডেট সময় ১১:৩৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার এক ড্রেজার ব্যবসায়ী মারা গেছেন। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে নিজের বাড়িতে মারা যান তিনি। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আজ রোববার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই ব্যক্তির বাড়িতে লোক পাঠানোর কথা নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আল বিধান মো. সানাউল্লাহ্‌ বলেন, ‘সকালে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে লোক পাঠানো হয়েছে। তারা তথ্য সংগ্রহ করছে। আমি যাব। ওখানে না যাওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল দুপুরের পর ওই ব্যক্তি জ্বর–সর্দিতে আক্রান্ত হন। রাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি বিদেশফেরত কোনো ব্যক্তি নন। তাঁর পরিবারের কেউ বিদেশ থেকে আসেননি। স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন তাঁর নমুনা সংগ্রহ করছে। এ ছাড়া জরুরি সভা করে ওই এলাকা লকডাউনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইমলাম বলেন, ওই ব্যক্তির বয়স ৬০ বছরের উপরে। জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি মারা গেছেন। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। পুলিশ, প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ পাওয়ার পর ওই এলাকা লকডাউন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

১ মার্চ থেকে মাদারীপুরে আসেন ৩ হাজার ৫৩২ জন প্রবাসী। তাদের মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন ১ হাজার ৩৮৮ জন। ইতিমধ্যে হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে ১ হাজার ১৯১ জনের। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ২১৭ জন। এ ছাড়া মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ছিলেন ৫ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ছিলেন ৩ জন। বর্তমানে সদর উপজেলার এক ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে কেউ নেই।