ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

রাজশাহী-৬: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আ’লীগ-বিএনপির

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন দুইবারের সাংসদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শাহরিয়ার আলম।

অন্যদিকে বিএনপি থেকে প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন দুইবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ।

ফলে এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় ভোটাররা।

একসময়ের বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে হানা দিয়ে গত ১০ বছর ধরে নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছেন দুইবারের সাংসদ শাহরিয়ার আলম।

ফলে আসনটি পুনরুদ্ধার করতে এবার দলীয়ভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ।

স্থানীয় ভোটারদের মতে, শাহরিয়ার আলমের কাছ থেকে বিএনপির হারানো আসনটি পুনরুদ্ধার করতে আবু সাঈদ চাঁদের বিকল্প নেই। তাই তো চাঁদের মনোনয়ন পাওয়ার মধ্য দিয়ে আসনটি আবারও বিএনপির ঘরে উঠতে নির্বাচনী মাঠে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন এখানকার ভোটাররা।

অন্যদিকে গত ১০ বছর চারঘাট-বাঘা আসনে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে আসনটি আবারও নিজের দখলে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, গত ১০ বছরে চারঘাট-বাঘায় উন্নয়ন ঘটিয়ে এ আসনে শাহরিয়ার আলম শক্ত একটি স্থান তৈরি করেছেন। তার নিকট থেকে আসনটি পুনরুদ্ধার করতে হলে চাঁদকে ঘুম হারাম করে তৃণমূলকে সংগঠিত করতে হবে। সেদিক থেকে চাঁদ এখনও কারা অভ্যন্তরে থাকায় সেই সুযোগ আদৌও চাঁদ পাবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

তবে চাঁদ সমর্থকদের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে চাঁদ কারাগার থেকে বেরিয়ে নির্বাচনে মাঠে এলে দলমত নির্বিশেষে তাকে বিজয়ী করতে মাঠে থাকবে সবাই।

ফলে হারানো আসনটি বিএনপির ঘরে উঠতে বেশি বেগ পেতে হবে না চাঁদকে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের উন্নয়নের দাবিদার শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে মনোনয়ন বঞ্চিত রায়হান, আক্কাস ও লাভলু থাকলে আসনটি ধরে রাখতে বেগ পেতে হবে না শাহরিয়ার আলমকে।

তবে নির্বাচনী মাঠে খুব সহজেই কেউ জয়ী হওয়ার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছেন না তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

আসনটি যার ঘরেই উঠুক, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমেই জয়ী হতে হবে। তবে কার ঘরে উঠবে আসনটি তা জানতে ভোটারদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পর পর আসনটি দখলে ছিল বিএনপির। এর পর ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রবীণ রাজনীতিবিদ আজিজুর রহমানকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের দখলে নেন তরুণ রাজনীতিবিদ বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শাহরিয়ার আলম।

এর পর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হান পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান শাহরিয়ার আলম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী-৬: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আ’লীগ-বিএনপির

আপডেট সময় ১২:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন দুইবারের সাংসদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শাহরিয়ার আলম।

অন্যদিকে বিএনপি থেকে প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন দুইবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ।

ফলে এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় ভোটাররা।

একসময়ের বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে হানা দিয়ে গত ১০ বছর ধরে নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছেন দুইবারের সাংসদ শাহরিয়ার আলম।

ফলে আসনটি পুনরুদ্ধার করতে এবার দলীয়ভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ।

স্থানীয় ভোটারদের মতে, শাহরিয়ার আলমের কাছ থেকে বিএনপির হারানো আসনটি পুনরুদ্ধার করতে আবু সাঈদ চাঁদের বিকল্প নেই। তাই তো চাঁদের মনোনয়ন পাওয়ার মধ্য দিয়ে আসনটি আবারও বিএনপির ঘরে উঠতে নির্বাচনী মাঠে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন এখানকার ভোটাররা।

অন্যদিকে গত ১০ বছর চারঘাট-বাঘা আসনে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে আসনটি আবারও নিজের দখলে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, গত ১০ বছরে চারঘাট-বাঘায় উন্নয়ন ঘটিয়ে এ আসনে শাহরিয়ার আলম শক্ত একটি স্থান তৈরি করেছেন। তার নিকট থেকে আসনটি পুনরুদ্ধার করতে হলে চাঁদকে ঘুম হারাম করে তৃণমূলকে সংগঠিত করতে হবে। সেদিক থেকে চাঁদ এখনও কারা অভ্যন্তরে থাকায় সেই সুযোগ আদৌও চাঁদ পাবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

তবে চাঁদ সমর্থকদের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে চাঁদ কারাগার থেকে বেরিয়ে নির্বাচনে মাঠে এলে দলমত নির্বিশেষে তাকে বিজয়ী করতে মাঠে থাকবে সবাই।

ফলে হারানো আসনটি বিএনপির ঘরে উঠতে বেশি বেগ পেতে হবে না চাঁদকে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের উন্নয়নের দাবিদার শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে মনোনয়ন বঞ্চিত রায়হান, আক্কাস ও লাভলু থাকলে আসনটি ধরে রাখতে বেগ পেতে হবে না শাহরিয়ার আলমকে।

তবে নির্বাচনী মাঠে খুব সহজেই কেউ জয়ী হওয়ার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছেন না তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

আসনটি যার ঘরেই উঠুক, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমেই জয়ী হতে হবে। তবে কার ঘরে উঠবে আসনটি তা জানতে ভোটারদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পর পর আসনটি দখলে ছিল বিএনপির। এর পর ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রবীণ রাজনীতিবিদ আজিজুর রহমানকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের দখলে নেন তরুণ রাজনীতিবিদ বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শাহরিয়ার আলম।

এর পর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হান পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান শাহরিয়ার আলম।