ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

জ্বরে কী কী খাবেন?

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সব জ্বরের রোগীর মুখে ঘুরে ফিরে একই কথা শোনা যায়। মুখে কোনো রুচি নেই। এ সময় মধুও চিরতার রস মনে হয়। স্বাভাবিক সব খাবার বন্ধ করে তখন খেতে হয় পথ্য ধরনের খাবার। মুখে না রুচলেও এক প্রকার জোর করেই খেতে হয়। তবে এমনকিছু খাওয়া উচিত যা শরীরে শক্তি যোগানোর পাশাপাশি জ্বর সারাতে সাহায্য করবে।

চলুন জেনে নেই এমনই কিছু খাবার সম্পর্কে। যেসব খাবার জ্বরের রোগীর জন্য ভালো।

গলানো ভাত :

আদা দিয়ে গলানো ভাত খুব একটা উপাদেয় নয় কিন্তু ফ্লু-এর ক্ষেত্রে শরীরের জন্য বেশ উপকারি। ভাতটা গলা গলা থাকলে ভালো।

ভিটামিন সি :

আপেল, কমলালেবু, আঙুর, আনারস ইত্যদি ফলে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ রয়েছে। তাই জ্বরের সময় ফ্রুট সালাদ খাওয়া উচিত বেশি করে।

হজম হতে সুবিধা :

জ্বরের রোগীর এমন খাবার খাওয়া উচিত যে খাবারগুলো হজম করতে সুবিধে হয়। যেমন সবজি, ডিম সিদ্ধ খাওয়া যেতে পারে।

আদা ও রসুন :

আদার মতোই রসুনও সর্দিজ্বর নিরাময়ে খুবই কার্যকরী। এক কাপ মতো পানিতে একটি কোয়া ফেলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই ইষদুষ্ণ পানি দিনে দুইবার খেলে জ্বর কমাতে সাহায্য করে।

কিসমিস :

জ্বরের সময় মাঝেমধ্যেই একটি-দুটি করে কিসমিস খাওয়া ভালো কারণ এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। তাছাড়া শরীরে এনার্জি সরবরাহ করে এই ড্রাই ফ্রুট।

কমলালেবু :

জ্বরের জন্য কমলা লেবু খুবই একটি কার্যকরী খাবার। তাই দিনে দুইবার কমলালেবুর রস খেলে উপকার পাবেন।

টোটকা তুলসি-মধু :

সর্দি-কাশি প্রতিরোধে পরিচিত টোটকা তুলসি-মধু। জ্বর হলে একটি-দু’টি পাতা চিবিয়ে খেলেও উপকার হবে।

প্রোবায়োটিক :

প্রোবায়োটিক হলো ভালো ব্যাকটেরিয়া যারা শরীরে বাসা বেঁধে অন্যান্য ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে কোনও প্রোবায়োটিক ড্রিংক খাওয়া যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বরে কী কী খাবেন?

আপডেট সময় ১০:৫২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সব জ্বরের রোগীর মুখে ঘুরে ফিরে একই কথা শোনা যায়। মুখে কোনো রুচি নেই। এ সময় মধুও চিরতার রস মনে হয়। স্বাভাবিক সব খাবার বন্ধ করে তখন খেতে হয় পথ্য ধরনের খাবার। মুখে না রুচলেও এক প্রকার জোর করেই খেতে হয়। তবে এমনকিছু খাওয়া উচিত যা শরীরে শক্তি যোগানোর পাশাপাশি জ্বর সারাতে সাহায্য করবে।

চলুন জেনে নেই এমনই কিছু খাবার সম্পর্কে। যেসব খাবার জ্বরের রোগীর জন্য ভালো।

গলানো ভাত :

আদা দিয়ে গলানো ভাত খুব একটা উপাদেয় নয় কিন্তু ফ্লু-এর ক্ষেত্রে শরীরের জন্য বেশ উপকারি। ভাতটা গলা গলা থাকলে ভালো।

ভিটামিন সি :

আপেল, কমলালেবু, আঙুর, আনারস ইত্যদি ফলে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ রয়েছে। তাই জ্বরের সময় ফ্রুট সালাদ খাওয়া উচিত বেশি করে।

হজম হতে সুবিধা :

জ্বরের রোগীর এমন খাবার খাওয়া উচিত যে খাবারগুলো হজম করতে সুবিধে হয়। যেমন সবজি, ডিম সিদ্ধ খাওয়া যেতে পারে।

আদা ও রসুন :

আদার মতোই রসুনও সর্দিজ্বর নিরাময়ে খুবই কার্যকরী। এক কাপ মতো পানিতে একটি কোয়া ফেলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই ইষদুষ্ণ পানি দিনে দুইবার খেলে জ্বর কমাতে সাহায্য করে।

কিসমিস :

জ্বরের সময় মাঝেমধ্যেই একটি-দুটি করে কিসমিস খাওয়া ভালো কারণ এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। তাছাড়া শরীরে এনার্জি সরবরাহ করে এই ড্রাই ফ্রুট।

কমলালেবু :

জ্বরের জন্য কমলা লেবু খুবই একটি কার্যকরী খাবার। তাই দিনে দুইবার কমলালেবুর রস খেলে উপকার পাবেন।

টোটকা তুলসি-মধু :

সর্দি-কাশি প্রতিরোধে পরিচিত টোটকা তুলসি-মধু। জ্বর হলে একটি-দু’টি পাতা চিবিয়ে খেলেও উপকার হবে।

প্রোবায়োটিক :

প্রোবায়োটিক হলো ভালো ব্যাকটেরিয়া যারা শরীরে বাসা বেঁধে অন্যান্য ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে কোনও প্রোবায়োটিক ড্রিংক খাওয়া যেতে পারে।