অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ইভিএমে ভোটারদের আস্থা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রফিকুল ইসলাম বলেছেন, আস্থা তৈরি করতেই স্বল্প পরিসরে এর ব্যবহার শুরু হচ্ছে। ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি হবে। ইভিএম বিশ্বাস করাতে ভারতের জনগণকে ১৫ বছর লেগেছে। আমরা খুব স্বল্প সময়ে ভোটারদের বোঝাতে পারবো এটি একটি স্বচ্ছ ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া।
রোববার বিকালে রংপুরে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মিলনায়তনে দুদিনব্যাপী এক কর্মশালায় যোগদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বল্প পরিসরে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। আর ইভিএম মেশিন পরিচালনা করবে সেনাবাহিনী। তারা এ মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকবে। কোনো কারনে ইভিএম মেশিনের ত্রুটি দেখা দিলে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ও সিগনাল বিভাগের সেনা সদস্যরা কাজ করবে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে যাবার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন এক মাস পেছানোর জন্য। এ দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি একক কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। আমরা বসে তারা কি প্রস্তাব দিয়েছে কী ধরনের দাবি, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, ইভিএম ব্যবহার করলে আমাদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যয় কমে আসবে। প্রথমদিকে ইভিএম কেনার জন্য একটি বড় অংকের টাকা ব্যয় হচ্ছে, কিন্তু পরবর্তী নির্বাচনের ব্যয় একেবারেই কম হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচনে প্রার্থীর সমান সুযোগের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, ভোটের মাঠ সমতল থাকবে। নির্বাচন কমিশন এনিয়ে যত কিছুই করুক না কেন একটি পক্ষ বলবেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি।
তিনি বলেন, আইনের দ্বারা প্রত্যেকটি যোগ্য ভোটারকে ভোটার লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা প্রার্থী হবার যোগ্য তাদের নির্বাচনে প্রার্থী হবার সুযোগ করে দিয়েছি।
তিনি বলেন, অনেকে অভিযোগ করেছে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেয়া হবে এটা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে আমরা অনলাইনে এবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























