ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

আগুনে পুড়ল মেডিকেলে তৃতীয় হওয়া সেই কাঠুরিয়ার ছেলে সজীবের বাড়ি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সজীব চন্দ্র রায়। দরিদ্র কাঠুরিয়া বাবা এবং দিনমজুর মায়ের সন্তান হয়েও এবারের মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অসামান্য সাফল্য লাভ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সজীব।

সেই সজীবের পরিবারের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও আগুনে পুড়ে গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অগ্নিকাণ্ডে তাদের বাড়িটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। তাদের পাশের একটি বাড়ি থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

তাদের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ১১নং মরিচা ইউনিয়নের কাটগড় গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামে সজীবের প্রতিবেশী গোবিন্দ রায়ের বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর নিমিষেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং মনোধর রায়ের বাড়িতে আগুন লেগে যায়। নিমিষেই মনোধর রায়ের বাড়িটি পুড়ে যায়।

খবর পেয়ে ১১নং মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং বিষয়টি বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়ামিন হোসেনকে জানান।

সজীবের বাবা মনোধর রায় জানান, আগুনে তার সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভস্মীভূত হয়েছে সজীব ও তার বোনের কাগজপত্র ও বই।

উল্লেখ্য, দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার কাটগড় গ্রামের কাঠুরিয়া মনোধর রায় ও দিনমজুর চারুবালা রায়ের ছেলে সজীব চন্দ্র রায় এবার মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।

এ বিষয়ে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশিত হলে সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। প্রশাসনসহ দেশ-বিদেশের বেশকিছু বিত্তবান মানুষ সজীবের লেখাপড়ার খরচ চালানোর সহায়তার জন্য এগিয়ে আসেন।

গত ১৫ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন বীরগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকার দরিদ্র পরিবারের ছেলে সজীব চন্দ্র রায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

আগুনে পুড়ল মেডিকেলে তৃতীয় হওয়া সেই কাঠুরিয়ার ছেলে সজীবের বাড়ি

আপডেট সময় ০৫:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সজীব চন্দ্র রায়। দরিদ্র কাঠুরিয়া বাবা এবং দিনমজুর মায়ের সন্তান হয়েও এবারের মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অসামান্য সাফল্য লাভ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সজীব।

সেই সজীবের পরিবারের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও আগুনে পুড়ে গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অগ্নিকাণ্ডে তাদের বাড়িটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। তাদের পাশের একটি বাড়ি থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

তাদের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ১১নং মরিচা ইউনিয়নের কাটগড় গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামে সজীবের প্রতিবেশী গোবিন্দ রায়ের বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর নিমিষেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং মনোধর রায়ের বাড়িতে আগুন লেগে যায়। নিমিষেই মনোধর রায়ের বাড়িটি পুড়ে যায়।

খবর পেয়ে ১১নং মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং বিষয়টি বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়ামিন হোসেনকে জানান।

সজীবের বাবা মনোধর রায় জানান, আগুনে তার সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভস্মীভূত হয়েছে সজীব ও তার বোনের কাগজপত্র ও বই।

উল্লেখ্য, দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার কাটগড় গ্রামের কাঠুরিয়া মনোধর রায় ও দিনমজুর চারুবালা রায়ের ছেলে সজীব চন্দ্র রায় এবার মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।

এ বিষয়ে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশিত হলে সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। প্রশাসনসহ দেশ-বিদেশের বেশকিছু বিত্তবান মানুষ সজীবের লেখাপড়ার খরচ চালানোর সহায়তার জন্য এগিয়ে আসেন।

গত ১৫ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন বীরগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকার দরিদ্র পরিবারের ছেলে সজীব চন্দ্র রায়।