ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে এতো বজ্রপাত হয়, জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে : স্পিকার এপ্রিলের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৭২ কোটি ডলার মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই মেয়ের মৃত্যু নেত্রকোনায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ জনের মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ ৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের ৮টি বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি আগামী সপ্তাহ থেকে লোডশেডিং কমে আসবে : বিদ্যুৎমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসন ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার: সংসদে মির্জা ফখরুল

তাইজুলের প্রথম ১০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টেস্ট ক্রিকেটে ম্যাচে ১০ উইকেট পাওয়ার স্বপ্ন থাকে প্রতিটি বোলারেরই। ক্যারিয়ারের ২০তম ম্যাচে এসে স্বপ্নটা পূরণ হল তাইজুল ইসলামের। সোমবার সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে চতুর্থ বাংলাদেশী হিসেবে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।

প্রথম ইনিংসে তাইজুল নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে এই বাঁহাতি স্পিনার নিলেন আরও চারটি। তাতে নিজেকেই ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ২০১৪ সালে মিরপুরে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই দুই ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন তাইজুল। ওই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে তিনি নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। যা টেস্টে এক ইনিংসে কোনো বাংলাদেশীর পক্ষে সেরা বোলিং ফিগার।

সিকান্দার রাজাকে বোল্ড করার মধ্য দিয়ে আজ মাশরাফি বিন মর্তুজাকেও ছাড়িয়ে গেছেন তাইজুল। মাশরাফিকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।

মাশরাফি তার ক্যারিয়ারে ৩৬ টেস্ট খেলে নিয়েছেন মোট ৭৮টি উইকেট। ২০তম টেস্ট খেলা তাইজুলের উইকেট সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৭৯টি। ৭৮ উইকেট পেতে মাশরাফি যেখানে বোলিং করেছেন ৫১ ইনিংসে। সেখানে এখনো পর্যন্ত তাইজুলকে ৭৯ উইকেট নিতে বোলিং করতে হয়েছে মাত্র ৩৬টি ইনিংসে

তাইজুলের আগে টেস্টে এক ম্যাচে দশ কিংবা তার চেয়ে বেশি উইকেট শিকারী বাংলাদেশী বোলার আছেন মাত্র তিনজন- এনামুল হক জুনিয়র, সাকিব আল হাসান আর মেহেদী মিরাজ। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন এনামুল, বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ। বেশ লম্বা সময় পেরিয়ে ২০১৪ সালে সাকিবের হাত ধরে আবারও কোনো বাংলাদেশী বোলার ম্যাচে ১০ উইকেট নিলেন। সেবারও প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে। গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বারের মতো ১০ উইকেট নেন সাকিব। ম্যাচটিতে হারতে হারতে জিতে যায় বাংলাদেশ। অজিদের বিপক্ষে টেস্টে যা টাইগারদের প্রথম ও একমাত্র জয়।

ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর আগের বছর, অর্থাৎ ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডকেও পরাজিত করেছিল বাংলাদেশ। মিরপুরে ক্রিকেটের জনকদের বিপক্ষে টাইগারদের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের সিংহভাগ কৃতিত্ব মিরাজের। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৫৯ রান খরচায় এই অফস্পিনার নিয়েছিলেন ১২ উইকেট। টেস্টে কোনো বাংলাদেশীর পক্ষে যা এখন পর্যন্ত সেরা বোলিং ফিগার।

তাইজুলের সামনে সুযোগ আছে মিরাজকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। দেখা যাক, তিনি সুযোগটা লুফে নিতে পারেন কি না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সুনামগঞ্জে এতো বজ্রপাত হয়, জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে : স্পিকার

তাইজুলের প্রথম ১০

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টেস্ট ক্রিকেটে ম্যাচে ১০ উইকেট পাওয়ার স্বপ্ন থাকে প্রতিটি বোলারেরই। ক্যারিয়ারের ২০তম ম্যাচে এসে স্বপ্নটা পূরণ হল তাইজুল ইসলামের। সোমবার সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে চতুর্থ বাংলাদেশী হিসেবে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।

প্রথম ইনিংসে তাইজুল নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে এই বাঁহাতি স্পিনার নিলেন আরও চারটি। তাতে নিজেকেই ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ২০১৪ সালে মিরপুরে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই দুই ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন তাইজুল। ওই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে তিনি নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। যা টেস্টে এক ইনিংসে কোনো বাংলাদেশীর পক্ষে সেরা বোলিং ফিগার।

সিকান্দার রাজাকে বোল্ড করার মধ্য দিয়ে আজ মাশরাফি বিন মর্তুজাকেও ছাড়িয়ে গেছেন তাইজুল। মাশরাফিকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।

মাশরাফি তার ক্যারিয়ারে ৩৬ টেস্ট খেলে নিয়েছেন মোট ৭৮টি উইকেট। ২০তম টেস্ট খেলা তাইজুলের উইকেট সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৭৯টি। ৭৮ উইকেট পেতে মাশরাফি যেখানে বোলিং করেছেন ৫১ ইনিংসে। সেখানে এখনো পর্যন্ত তাইজুলকে ৭৯ উইকেট নিতে বোলিং করতে হয়েছে মাত্র ৩৬টি ইনিংসে

তাইজুলের আগে টেস্টে এক ম্যাচে দশ কিংবা তার চেয়ে বেশি উইকেট শিকারী বাংলাদেশী বোলার আছেন মাত্র তিনজন- এনামুল হক জুনিয়র, সাকিব আল হাসান আর মেহেদী মিরাজ। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন এনামুল, বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ। বেশ লম্বা সময় পেরিয়ে ২০১৪ সালে সাকিবের হাত ধরে আবারও কোনো বাংলাদেশী বোলার ম্যাচে ১০ উইকেট নিলেন। সেবারও প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে। গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বারের মতো ১০ উইকেট নেন সাকিব। ম্যাচটিতে হারতে হারতে জিতে যায় বাংলাদেশ। অজিদের বিপক্ষে টেস্টে যা টাইগারদের প্রথম ও একমাত্র জয়।

ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর আগের বছর, অর্থাৎ ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডকেও পরাজিত করেছিল বাংলাদেশ। মিরপুরে ক্রিকেটের জনকদের বিপক্ষে টাইগারদের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের সিংহভাগ কৃতিত্ব মিরাজের। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৫৯ রান খরচায় এই অফস্পিনার নিয়েছিলেন ১২ উইকেট। টেস্টে কোনো বাংলাদেশীর পক্ষে যা এখন পর্যন্ত সেরা বোলিং ফিগার।

তাইজুলের সামনে সুযোগ আছে মিরাজকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। দেখা যাক, তিনি সুযোগটা লুফে নিতে পারেন কি না।