ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

সিগারেট কারখানায় দশ লাখ টাকার নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্প

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের চার সিগারেট কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্পসহ চারজনকে আটক করেছে সিআইডি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

সিগারেট কোম্পানিগুলো হচ্ছে, রংপুরের স্প্যানিশ টোব্যাকো, এসভি টোব্যাকো, নিউএজ টোব্যাকো ও এসআর টোব্যাকা।

রংপুরের এ সকল সিগারেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সিগারেট প্যাকেটের ট্যাক্স স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বাজার সূত্রে জানা যায়, প্রতি দশ শলাকা প্যাকেট সিগারেটের সরকার নির্ধারিত সর্বনি¤œ মূল্য ৩৫ টাকা হলেও এসব কারখানায় উৎপাদিত সিগারেটের প্যাকেটে নকল ব্যান্ডরোল বা ট্যাক্স স্ট্যাম্প ব্যবহার করে মাত্র দশ-বারো টাকায় সিগারেট বাজারজাত করে আসছে।

এর ফলে সরকার বিপুল রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারের ধূমপায়ী কমানোর লক্ষ্যও মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, রংপুরের এসকল কারখানায় উৎপাদিত অবৈধ সিগারেট শুধু রংপুর নয় সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। আর বাজারে এসকল সিগারেট পাওয়া গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এক্ষেত্রে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অভিযানের খবর আগেই অবৈধ উৎপাদনকারীদের কাছে পৌঁছে যেতো। এতে করে তারা অভিযান চালানোর আগেই সকল অবৈধ উপকরণ সরিয়ে ফেলতেন।

এসব কারণে সিআইডি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রবিবার একই সময়ে ৪টি কারখানায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় অনেকে পালিয়ে গেলেও হাতেনাতে ধরা পড়েন ৪জন। এছাড়া এসব কারখানায় ৮০ কেস নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্প যুক্ত সিগারেট, ১৫ হাজারের অধিক নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য দশ লাখ টাকারও বেশি।

অবৈধ সিগারেট উৎপাদনকারী এ চার কোম্পানির বিরুদ্ধে রংপুর সদর, গঙাচরা, কোতোয়ালি ও কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) থানায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিগারেট কারখানায় দশ লাখ টাকার নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্প

আপডেট সময় ০২:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের চার সিগারেট কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্পসহ চারজনকে আটক করেছে সিআইডি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

সিগারেট কোম্পানিগুলো হচ্ছে, রংপুরের স্প্যানিশ টোব্যাকো, এসভি টোব্যাকো, নিউএজ টোব্যাকো ও এসআর টোব্যাকা।

রংপুরের এ সকল সিগারেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সিগারেট প্যাকেটের ট্যাক্স স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বাজার সূত্রে জানা যায়, প্রতি দশ শলাকা প্যাকেট সিগারেটের সরকার নির্ধারিত সর্বনি¤œ মূল্য ৩৫ টাকা হলেও এসব কারখানায় উৎপাদিত সিগারেটের প্যাকেটে নকল ব্যান্ডরোল বা ট্যাক্স স্ট্যাম্প ব্যবহার করে মাত্র দশ-বারো টাকায় সিগারেট বাজারজাত করে আসছে।

এর ফলে সরকার বিপুল রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারের ধূমপায়ী কমানোর লক্ষ্যও মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, রংপুরের এসকল কারখানায় উৎপাদিত অবৈধ সিগারেট শুধু রংপুর নয় সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। আর বাজারে এসকল সিগারেট পাওয়া গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এক্ষেত্রে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অভিযানের খবর আগেই অবৈধ উৎপাদনকারীদের কাছে পৌঁছে যেতো। এতে করে তারা অভিযান চালানোর আগেই সকল অবৈধ উপকরণ সরিয়ে ফেলতেন।

এসব কারণে সিআইডি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রবিবার একই সময়ে ৪টি কারখানায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় অনেকে পালিয়ে গেলেও হাতেনাতে ধরা পড়েন ৪জন। এছাড়া এসব কারখানায় ৮০ কেস নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্প যুক্ত সিগারেট, ১৫ হাজারের অধিক নকল ট্যাক্স স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য দশ লাখ টাকারও বেশি।

অবৈধ সিগারেট উৎপাদনকারী এ চার কোম্পানির বিরুদ্ধে রংপুর সদর, গঙাচরা, কোতোয়ালি ও কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) থানায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।