ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

খালেদার সিটিস্ক্যান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দায়িত্বরত চিকিৎসককে বাদ দিয়ে অন্য চিকিৎসক দিয়ে খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপিনেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বুধবার দুপুরে বিএসএমএমইউ এর ছয় তলার কেবিন থেকে নিচতলায় সিটিস্ক্যান রুমে আনা হয় খালেদাকে। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে আবার কেবিনে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বিএনপিনেত্রীকে।

এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাহিদ হোসেন। তার অভিযোগ, বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে সিটিস্ক্যান করার দায়িত্বরত চিকিৎসক নজরুল ইসলামকে বের করে দিয়ে মেডিকেল বোর্ডের পছন্দ অনুযায়ী চিকিৎসক দিয়ে বেগম জিয়ার এইচআরসিটি করানো হয়েছে।

বেগম জিয়ার চিকিৎসা দিয়ে গোপনীয়তা প্রশ্ন তুলে জাহিদ বলেন, ‘আজকে যার ডিউটি ছিলো তাকে বের করে দিয়ে মেডিকেল বোর্ড তাদের পছন্দমত ডাক্তার দিয়ে বেগম জিয়ার সিটিস্ক্যান করিয়েছে। তারা এটা কেন করলো সেটা আমি বুঝে উঠতে পারছি না।’

জাহিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘বেগম জিয়ার সাথে দেখা করা তো দুরের কথা তার সাথে সালাম বিনিময় পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি।’

‘একজন অসুস্থ মানুষকে তার পরিবারের সদস্যদের সাথেও দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি যদি পরিবারের সদস্য এবং শুভাকঙ্খীদের সাথে দেখা করতে পারতেন তাহলে হয়ত মানসিকভাবে স্বস্তি অনুভব করতেন এবং অতিদ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতেন।’

তবে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে বুধবার জানিয়েছেন হাসপাতালটির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন। তিনি বলেছেন, ‘তিনি (খালেদা) ভালো আছেন। আশা করছি খুব শিগগির সুস্থ হয়ে উঠবেন।’

যদিও মানসিকভাবে চাপের মধ্যে রেখে খালেদা জিয়াকে শারীরিকভাবে সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয় বলে দাবি করে জাহিদ বলেন, ‘বেগম জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারেও নিঃসঙ্গ করে রাখা হয়েছিল। হাসপাতালেও তাকে ঠিক একইভাবে রাখা হয়েছে, এতে করে রোগীর সুস্থতা কতো দ্রুত হবে সেটা হাসপাতাল কতৃপক্ষই ভাল জানে।

‘কিন্তু আমরা একটা জিনিস দেখতে চাই সেটা হচ্ছে আমাদের রোগী হুইল চেয়ার ছেড়ে যেন তাড়াতাড়ি হাটতে পারে।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদ-প্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতের নির্দেশে ৬ অক্টোবর বিএসএমএমইউতে আনা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে ৬১২ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শীতকালীন ছুটিতে দুবাই বিমানবন্দরে ফিরছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

খালেদার সিটিস্ক্যান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

আপডেট সময় ১১:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দায়িত্বরত চিকিৎসককে বাদ দিয়ে অন্য চিকিৎসক দিয়ে খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপিনেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বুধবার দুপুরে বিএসএমএমইউ এর ছয় তলার কেবিন থেকে নিচতলায় সিটিস্ক্যান রুমে আনা হয় খালেদাকে। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে আবার কেবিনে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বিএনপিনেত্রীকে।

এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাহিদ হোসেন। তার অভিযোগ, বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে সিটিস্ক্যান করার দায়িত্বরত চিকিৎসক নজরুল ইসলামকে বের করে দিয়ে মেডিকেল বোর্ডের পছন্দ অনুযায়ী চিকিৎসক দিয়ে বেগম জিয়ার এইচআরসিটি করানো হয়েছে।

বেগম জিয়ার চিকিৎসা দিয়ে গোপনীয়তা প্রশ্ন তুলে জাহিদ বলেন, ‘আজকে যার ডিউটি ছিলো তাকে বের করে দিয়ে মেডিকেল বোর্ড তাদের পছন্দমত ডাক্তার দিয়ে বেগম জিয়ার সিটিস্ক্যান করিয়েছে। তারা এটা কেন করলো সেটা আমি বুঝে উঠতে পারছি না।’

জাহিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘বেগম জিয়ার সাথে দেখা করা তো দুরের কথা তার সাথে সালাম বিনিময় পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি।’

‘একজন অসুস্থ মানুষকে তার পরিবারের সদস্যদের সাথেও দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি যদি পরিবারের সদস্য এবং শুভাকঙ্খীদের সাথে দেখা করতে পারতেন তাহলে হয়ত মানসিকভাবে স্বস্তি অনুভব করতেন এবং অতিদ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতেন।’

তবে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে বুধবার জানিয়েছেন হাসপাতালটির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন। তিনি বলেছেন, ‘তিনি (খালেদা) ভালো আছেন। আশা করছি খুব শিগগির সুস্থ হয়ে উঠবেন।’

যদিও মানসিকভাবে চাপের মধ্যে রেখে খালেদা জিয়াকে শারীরিকভাবে সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয় বলে দাবি করে জাহিদ বলেন, ‘বেগম জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারেও নিঃসঙ্গ করে রাখা হয়েছিল। হাসপাতালেও তাকে ঠিক একইভাবে রাখা হয়েছে, এতে করে রোগীর সুস্থতা কতো দ্রুত হবে সেটা হাসপাতাল কতৃপক্ষই ভাল জানে।

‘কিন্তু আমরা একটা জিনিস দেখতে চাই সেটা হচ্ছে আমাদের রোগী হুইল চেয়ার ছেড়ে যেন তাড়াতাড়ি হাটতে পারে।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদ-প্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতের নির্দেশে ৬ অক্টোবর বিএসএমএমইউতে আনা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে ৬১২ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।