ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা ছোট নয়, যোগ হতে পারে নতুন মুখ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার না পাল্টানোর ইঙ্গিত দেয়ার পরদিন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভা পাল্টালে তাতে নতুন মুখ যোগ হতে পারে। কিন্তু তা ছোট হবে না।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, পরিবর্তন কী হবে সেটি চূড়ান্ত হবে আগামী ২৬ অক্টোবর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটি ও সংসদীয় কমিটির সভায়।

কাদের বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে থেকে দুই একজনকে নতুন করে মন্ত্রিপরিষদে যোগ করা হতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেভাবে মন্ত্রিসভা ঠিক থেকে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও তাই হবে।’

‘আগামী ২৬ তারিখ মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। সেদিন সন্ধ্যা ছয়টায় দলীয় ওয়ার্কিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ঐদিন পর্যায়ক্রমে আওয়ামী লীগের অ্যাডভাইজারি কমিটি ও সংসদীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই দিনই মন্ত্রিপরিষদরে বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের আগে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন দলের সদস্যকে নিয়ে নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী। সে সরকারে বিএনপি এবং শরিকদেরকেও অংশ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, তারা যে মন্ত্রণালয় চাইবে, তাই দেয়া হবে। তবে বিএনপি তাতে অংশ নেয়নি।

এবারও নির্বাচনকালীন ছোট আকারের মন্ত্রিসভা গঠন হবে বলে চাওর ছিল। তবে সোমবার গণভবনে করা মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী জানান তার বর্তমান চিন্তার কথা। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের যে প্রেক্ষাপট ছিল, এবার তা নেই। আর যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারতসহ সংসদীয় গণতন্ত্র আছে, এমন দেশগুলোতে তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা আলাদা হয় না। তবে সংসদে বিরোধী দলগুলোর মত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

কাদের বলেন, ‘এটা পরিস্কার যে মন্ত্রিপরিষদ ছোট হওয়া সম্ভাবনা নেই। গতকালও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বলেছেন সেভাবে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যদি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিপরিষদ থেকে নির্বাচন হয় তাহলে বাংলাদেশেও হবে।’

‘গেলবার ভিন্ন প্রেক্ষাপট ছিল। সেবার বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। ফলে প্রধানমন্ত্রী নিজের থেকে মন্ত্রিপরিষদ ছোট করে নির্বাচন করেছেন। এবার বিএনপি নির্বাচনের আসার ঘোষণা দিয়েছেন। এবার পেক্ষাপট ভিন্ন তাই মন্ত্রিপরিষদ ছোট হওয়ার দরকার নেই।’

এক প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘নতুন দুই একজন মন্ত্রী অপজিশন (বিরোধী দল) থেকে নেওয়া হতে পারে। বিষয়টি নেত্রী চূড়ান্ত করবেন। তবে আপনারা যেটা বলেছেন, তরিকত ফেডারেশন বা বিএনএফ থেকে নেওয়া হবে- সেটা সঠিক নয়। এটা ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং এর পরে পরিস্কার জানা যাবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা ছোট নয়, যোগ হতে পারে নতুন মুখ

আপডেট সময় ০১:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার না পাল্টানোর ইঙ্গিত দেয়ার পরদিন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভা পাল্টালে তাতে নতুন মুখ যোগ হতে পারে। কিন্তু তা ছোট হবে না।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, পরিবর্তন কী হবে সেটি চূড়ান্ত হবে আগামী ২৬ অক্টোবর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটি ও সংসদীয় কমিটির সভায়।

কাদের বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে থেকে দুই একজনকে নতুন করে মন্ত্রিপরিষদে যোগ করা হতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেভাবে মন্ত্রিসভা ঠিক থেকে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও তাই হবে।’

‘আগামী ২৬ তারিখ মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। সেদিন সন্ধ্যা ছয়টায় দলীয় ওয়ার্কিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ঐদিন পর্যায়ক্রমে আওয়ামী লীগের অ্যাডভাইজারি কমিটি ও সংসদীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই দিনই মন্ত্রিপরিষদরে বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের আগে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন দলের সদস্যকে নিয়ে নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী। সে সরকারে বিএনপি এবং শরিকদেরকেও অংশ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, তারা যে মন্ত্রণালয় চাইবে, তাই দেয়া হবে। তবে বিএনপি তাতে অংশ নেয়নি।

এবারও নির্বাচনকালীন ছোট আকারের মন্ত্রিসভা গঠন হবে বলে চাওর ছিল। তবে সোমবার গণভবনে করা মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী জানান তার বর্তমান চিন্তার কথা। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের যে প্রেক্ষাপট ছিল, এবার তা নেই। আর যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারতসহ সংসদীয় গণতন্ত্র আছে, এমন দেশগুলোতে তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা আলাদা হয় না। তবে সংসদে বিরোধী দলগুলোর মত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

কাদের বলেন, ‘এটা পরিস্কার যে মন্ত্রিপরিষদ ছোট হওয়া সম্ভাবনা নেই। গতকালও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বলেছেন সেভাবে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যদি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিপরিষদ থেকে নির্বাচন হয় তাহলে বাংলাদেশেও হবে।’

‘গেলবার ভিন্ন প্রেক্ষাপট ছিল। সেবার বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। ফলে প্রধানমন্ত্রী নিজের থেকে মন্ত্রিপরিষদ ছোট করে নির্বাচন করেছেন। এবার বিএনপি নির্বাচনের আসার ঘোষণা দিয়েছেন। এবার পেক্ষাপট ভিন্ন তাই মন্ত্রিপরিষদ ছোট হওয়ার দরকার নেই।’

এক প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘নতুন দুই একজন মন্ত্রী অপজিশন (বিরোধী দল) থেকে নেওয়া হতে পারে। বিষয়টি নেত্রী চূড়ান্ত করবেন। তবে আপনারা যেটা বলেছেন, তরিকত ফেডারেশন বা বিএনএফ থেকে নেওয়া হবে- সেটা সঠিক নয়। এটা ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং এর পরে পরিস্কার জানা যাবে।’