ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

রোগ পরীক্ষার ফি নির্ধারণে কমিটি গঠন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হাসপাতালে রোগ পরীক্ষায় ইচ্ছামতো ফি আদায় বন্ধ করতে অবশেষে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। হাইকোর্টের এক আদেশের পর ফি নির্ধারণ করে দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক মালিক সমিতির মহাসচিবকেও এই কমিটিতে রাখা হয়েছে।

আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি গঠন করে সোমবার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়।

এরপর প্রতিবেদনের ওপর শুনানি হয়। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

পরে আইনজীবী বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, আদালত দুই মাসের মধ্যে এই কমিটিকে ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২’ অনুসারে চিকিৎসার ফি-সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছে। এ-সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে আগামী ৯ জানুয়ারি।

হিউম্যান রাইটস ল ইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গত জুলাইয়ে এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদন করা হয়। রিটের পর ২৪ জুলাই হাইকোর্ট বেসরকারি ক্লিনিক/হাসপাতাল ল্যাবরেটরি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মূল্য তালিকা এবং ফি টানিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

সেই সঙ্গে ফি নির্ধারণে নীতিমালা তৈরি এবং বাস্তবায়নের জন্য ৬০ দিনের মধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়। হাসপাতাল এবং ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স অনুমোদন, তাদের সেবার বিষয় তদারকি এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন নীতিমালা তৈরি করা হবে না, এবং সব জেলা হাসপাতালে আইসিউ/সিসিইউ স্থাপনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চায় আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

রোগ পরীক্ষার ফি নির্ধারণে কমিটি গঠন

আপডেট সময় ০৪:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হাসপাতালে রোগ পরীক্ষায় ইচ্ছামতো ফি আদায় বন্ধ করতে অবশেষে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। হাইকোর্টের এক আদেশের পর ফি নির্ধারণ করে দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক মালিক সমিতির মহাসচিবকেও এই কমিটিতে রাখা হয়েছে।

আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি গঠন করে সোমবার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়।

এরপর প্রতিবেদনের ওপর শুনানি হয়। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

পরে আইনজীবী বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, আদালত দুই মাসের মধ্যে এই কমিটিকে ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২’ অনুসারে চিকিৎসার ফি-সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছে। এ-সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে আগামী ৯ জানুয়ারি।

হিউম্যান রাইটস ল ইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গত জুলাইয়ে এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদন করা হয়। রিটের পর ২৪ জুলাই হাইকোর্ট বেসরকারি ক্লিনিক/হাসপাতাল ল্যাবরেটরি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মূল্য তালিকা এবং ফি টানিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

সেই সঙ্গে ফি নির্ধারণে নীতিমালা তৈরি এবং বাস্তবায়নের জন্য ৬০ দিনের মধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়। হাসপাতাল এবং ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স অনুমোদন, তাদের সেবার বিষয় তদারকি এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন নীতিমালা তৈরি করা হবে না, এবং সব জেলা হাসপাতালে আইসিউ/সিসিইউ স্থাপনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চায় আদালত।