ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে হাসানুল হক ইনুকে অ্যাম্বুলেন্সে ট্রাইব্যুনালে আনা হলো সাবেক এমপি ফজলে করিমকে শিবির কি শেখ মুজিবের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?প্রশ্ন রাশেদ খানের চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই : শিক্ষামন্ত্রী বৃহস্পতিবার শুরু এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৭৭ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৫ শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

তুমি কি জান এটা কার সিট?

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

যুবরাজ সিং যখন ফর্মের তুঙ্গে তখন ভারতীয় দলে অভিষেক হয় রোহিত শর্মার। সেই সময়ে ভারতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন যুবরাজ। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন এ অলরাউন্ডার। তবে ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন রোহিত। সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে তার নেতৃত্বে শিরোপা জিতেছে ভারত।

সম্প্রতি একটি ক্রিকেটীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রোহিত শর্মা বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে জাতীয় দলের সতীর্থদের খুব ভয় পেতাম। প্রথম সফেরে দলের অন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে টিম বাসে চড়ার কথা ছিল, নির্ধারিত সময়ের ঘণ্টাখানেক আগেই আমি উপস্থিত ছিলাম। প্রত্যেকের জন্যই আমি অপেক্ষা করছিলাম। ধীরে ধীরে সবাই এলো। তবে যুবিকে দূর থেকে অন্যরকম দেখাচ্ছিল। সেই সময়ে আমি যুবরাজের ভক্ত ছিলাম।’

একটা সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল অধরাই ছিল। সেই বৃত্ত ভাঙেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০ রান করেন তিনি। তারপর থেকে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি সহজসাধ্য করে তোলেন রোহিত শর্মা। ১৮৮ ম্যাচে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন ভারতীয় এ ওপেনার।

ভারতীয় এ ওপেনার বলেন, ‘বাসের মধ্যে ও আমার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কি জানো এটা কার সিট, এই সিটে কে বসে? যুবরাজের এমন কড়া ব্যবহারে তার সম্পর্কে আমার মোটেই ভালো ধারণা হলো না।’

রোহিত আরও বলেন, ‘আমার প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে যুবরাজ সিরিজের সেরা হয়েছিল। আমরা গোটা সফরে একবারও কথা বলিনি। তবে সিরিজ সেরা হওয়ার পরে যখন অভিনন্দন জানিয়েছিলাম, ও শুধু থ্যাংকস বলেছিল। ও যখন ৬ বলে ৬টা ছক্কা হাঁকিয়েছিল, তারপরে ও আমার কাছে এসে বলেছিল, ‘চল বাইরে কিছু খেয়ে আসি।’ এভাবেই ওর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। আজও সেই সম্পর্ক অটুট আছে।’ উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ই গ্রুপের খেলায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংসের ১৯তম ওভারে স্টুয়ার্ড ব্রডকে পরপর ৬ বলে ৬টি ছক্কা হাঁকান যুবরাজ সিং।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

তুমি কি জান এটা কার সিট?

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

যুবরাজ সিং যখন ফর্মের তুঙ্গে তখন ভারতীয় দলে অভিষেক হয় রোহিত শর্মার। সেই সময়ে ভারতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন যুবরাজ। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন এ অলরাউন্ডার। তবে ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন রোহিত। সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে তার নেতৃত্বে শিরোপা জিতেছে ভারত।

সম্প্রতি একটি ক্রিকেটীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রোহিত শর্মা বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে জাতীয় দলের সতীর্থদের খুব ভয় পেতাম। প্রথম সফেরে দলের অন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে টিম বাসে চড়ার কথা ছিল, নির্ধারিত সময়ের ঘণ্টাখানেক আগেই আমি উপস্থিত ছিলাম। প্রত্যেকের জন্যই আমি অপেক্ষা করছিলাম। ধীরে ধীরে সবাই এলো। তবে যুবিকে দূর থেকে অন্যরকম দেখাচ্ছিল। সেই সময়ে আমি যুবরাজের ভক্ত ছিলাম।’

একটা সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল অধরাই ছিল। সেই বৃত্ত ভাঙেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০ রান করেন তিনি। তারপর থেকে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি সহজসাধ্য করে তোলেন রোহিত শর্মা। ১৮৮ ম্যাচে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন ভারতীয় এ ওপেনার।

ভারতীয় এ ওপেনার বলেন, ‘বাসের মধ্যে ও আমার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কি জানো এটা কার সিট, এই সিটে কে বসে? যুবরাজের এমন কড়া ব্যবহারে তার সম্পর্কে আমার মোটেই ভালো ধারণা হলো না।’

রোহিত আরও বলেন, ‘আমার প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে যুবরাজ সিরিজের সেরা হয়েছিল। আমরা গোটা সফরে একবারও কথা বলিনি। তবে সিরিজ সেরা হওয়ার পরে যখন অভিনন্দন জানিয়েছিলাম, ও শুধু থ্যাংকস বলেছিল। ও যখন ৬ বলে ৬টা ছক্কা হাঁকিয়েছিল, তারপরে ও আমার কাছে এসে বলেছিল, ‘চল বাইরে কিছু খেয়ে আসি।’ এভাবেই ওর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। আজও সেই সম্পর্ক অটুট আছে।’ উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ই গ্রুপের খেলায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংসের ১৯তম ওভারে স্টুয়ার্ড ব্রডকে পরপর ৬ বলে ৬টি ছক্কা হাঁকান যুবরাজ সিং।