ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

বগুড়ায় বাসে পেট্রলবোমা: যুবদলের ১০ নেতাকর্মীর নামে মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শাজাহানপুরের সাজাপুর এলাকায় ঢাকাগামী চলন্ত বাসে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনায় যুবদলের ১০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার দুপুরের ওই ঘটনায় রাতে থানার এসআই রুম্মান হাসান এ মামলা করেন।

হামলার পরপরই পুলিশ ধাওয়া করে জেলা যুবদলে সহকৃষিবিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে। শাজাহানপুর থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নুর মোহাম্মদ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন উপজেলার খরনা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, যুবদল নেতা মো. মুঞ্জু, আশেকপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা আকরাম হোসেন, জেলা যুবদলের সহসম্পাদক সুলতান আহম্মেদ, জেলা যুবদল নেতা আজমল হুদা শহীদ, শাজাহানপুর উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন, মাঝিড়া ইউনিয়ন যুবদল কর্মী লোকমান, চোপিনগর যুবদল নেতা মজনু মিয়া ও শাহীন।

শাজাহানপুর থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রেফতারকৃত নুর মোহাম্মদকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নীলফামারী ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাবিল ক্লাসিকের একটি বাস বুধবার দুপুর ১টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে টিএমএসএস পাম্পের সামনে পৌঁছে। তখন ৮-১০ জন দুর্বৃত্ত প্রথমে বাসকে লক্ষ্য করে লাঠি নিক্ষেপ করে। এরপর মোটরসাইকেলে থাকা শাজাহানপুরের মাঝিরাপাড়া গ্রামের খাজা মিয়ার ছেলে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদ একটি পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করলে সেটি বাসের মধ্যে গিয়ে পড়ে।

সিটে আগুন ধরে গেলে যাত্রী নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী মনিরা বেগম (৪০) ও সদর উপজেলার মোজাম্মেল হকের স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম (৫০) আহত হন। চালক আসলাম হোসেন ও হেলপার শরিফ উদ্দিন আগুন নিভিয়ে ফেলেন। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। হামলার পরপরই টহল পুলিশ ধাওয়া করে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

বগুড়ায় বাসে পেট্রলবোমা: যুবদলের ১০ নেতাকর্মীর নামে মামলা

আপডেট সময় ১০:২৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শাজাহানপুরের সাজাপুর এলাকায় ঢাকাগামী চলন্ত বাসে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনায় যুবদলের ১০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার দুপুরের ওই ঘটনায় রাতে থানার এসআই রুম্মান হাসান এ মামলা করেন।

হামলার পরপরই পুলিশ ধাওয়া করে জেলা যুবদলে সহকৃষিবিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে। শাজাহানপুর থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নুর মোহাম্মদ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন উপজেলার খরনা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, যুবদল নেতা মো. মুঞ্জু, আশেকপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা আকরাম হোসেন, জেলা যুবদলের সহসম্পাদক সুলতান আহম্মেদ, জেলা যুবদল নেতা আজমল হুদা শহীদ, শাজাহানপুর উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন, মাঝিড়া ইউনিয়ন যুবদল কর্মী লোকমান, চোপিনগর যুবদল নেতা মজনু মিয়া ও শাহীন।

শাজাহানপুর থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রেফতারকৃত নুর মোহাম্মদকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নীলফামারী ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাবিল ক্লাসিকের একটি বাস বুধবার দুপুর ১টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে টিএমএসএস পাম্পের সামনে পৌঁছে। তখন ৮-১০ জন দুর্বৃত্ত প্রথমে বাসকে লক্ষ্য করে লাঠি নিক্ষেপ করে। এরপর মোটরসাইকেলে থাকা শাজাহানপুরের মাঝিরাপাড়া গ্রামের খাজা মিয়ার ছেলে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদ একটি পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করলে সেটি বাসের মধ্যে গিয়ে পড়ে।

সিটে আগুন ধরে গেলে যাত্রী নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী মনিরা বেগম (৪০) ও সদর উপজেলার মোজাম্মেল হকের স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম (৫০) আহত হন। চালক আসলাম হোসেন ও হেলপার শরিফ উদ্দিন আগুন নিভিয়ে ফেলেন। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। হামলার পরপরই টহল পুলিশ ধাওয়া করে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে।