ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর তেহরান যদি আক্রমণ করে,‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’:নেতানিয়াহু উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন

ঘরের যে ৭ খাবার হতে পারে মৃত্যুর কারণ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেশির ভাগ মানুষ মনে করে সব ধরণের ফল ও সবজিই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু আপনার এই ধারনা মোটেও ঠিক নয়। এমন অনেক ফল ও সবজি আছে যাদের বিশেষ কোনও অংশ বিষাক্ত উপাদানে ভরপুর, যা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হতে পারে মৃত্যু

আপনার রান্নাঘরেই রয়েছে এমন কিছু বিষাক্ত খাবার যা আপনি নিজেই জানেন না।

আসুন জেনে নেই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।

আলু :

এমনিতে আলু খাওয়া নিরাপদ। কিন্তু আলুর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে। বাড়িতে অনেক দিন পর্যন্ত আলু রেখে দিলে এর মধ্যে গ্যাঁজ অঙ্কুর হয়ে যায়। এই গ্যাঁজ বা অঙ্কুরে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা আলোর সংস্পর্শে বৃদ্ধি পায়। এই জন্য আলু সব সময় ঠাণ্ডা ও অন্ধকার জায়গায় রাখতে হয়। সবুজাভ ও গ্যাঁজ হওয়া আলু খেলে ডায়রিয়া, মাথাব্যাথা-সহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কাঁচা মধু :

কাঁচা মধুতে গ্রায়ানক্সিন থাকে। তাই এক টেবিল চামচ কাঁচা মধু খেলে মাথাঘোরা, দুর্বল লাগা, অত্যধিক ঘাম হওয়া, বমি বমি ভাব হওয়ার মতো নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

টমেটো :

আলুর মতোই টমেটোর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। কাঁচা সবুজ টমেটোতেও এই একই উপাদান রয়েছে। তবে অল্প পরিমাণে খেলে কোনও সমস্যা হওয়ার ভয় নেই।

শিমের বীজ :

শিমের বীজে ফাইটোহিমাটোগ্লুটানিন নামক বিষ থাকে যা আপনাকে মারাত্মক অসুস্থ্য করে দিতে পারে। তাই শিম রান্নার আগে অন্তত ১০ মিনিট সিদ্ধ করে তারপর রান্না করতে হবে।

ক্যাস্টর অয়েল :

রেড়ীর তেল বিভিন্ন ধরণের ক্যান্ডি, চকলেট বা অন্যান্য খাদ্যে ব্যবহার করা হয়। অনেকেই প্রতিদিন একটু-আধটু ক্যাস্টর অয়েল খেয়ে থাকেন। রেড়ীর বীজে রিচিন নামের বিষাক্ত উপাদান থাকে যা খুবই মারাত্মক। রেড়ীর একটা বীজ খেলে একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। চারটা রেড়ীর বীজ খেলে একটা ঘোড়ার মৃত্যু হতে পারে।

আপেল :

আপেলের বীজে হাইড্রোজেন সায়ানাইড নামের বিষ রয়েছে। আমরা সাধারণত আপেলের বীজ খাই না। কিন্তু আপেলের বীজ যদি কোনও কারণে পেটে চলে যায় তাহলে বিপদ হতে পারে।

কাজুবাদাম :

মিষ্টি কাজুবাদাম ও তেতো কাজুবাদাম, এই দুই ধরণের কাজুবাদাম পাওয়া যায়। তুলনামূলক ভাবে তেতো কাজুবাদামে প্রচুর হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। সাত থেকে দশটা তেতো কাজু বাদাম কাঁচা খেলে প্রাপ্তবয়ষ্কদেরও সমস্যা হতে পারে এবং ছোটদের ক্ষেত্রে তা প্রাণনাশক হতে পারে! নিউজিল্যান্ড, আমেরিকার মতো দেশ এই তেতো কাঁচা কাজু বাদাম বিক্রি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

ঘরের যে ৭ খাবার হতে পারে মৃত্যুর কারণ

আপডেট সময় ১২:৫৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেশির ভাগ মানুষ মনে করে সব ধরণের ফল ও সবজিই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু আপনার এই ধারনা মোটেও ঠিক নয়। এমন অনেক ফল ও সবজি আছে যাদের বিশেষ কোনও অংশ বিষাক্ত উপাদানে ভরপুর, যা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হতে পারে মৃত্যু

আপনার রান্নাঘরেই রয়েছে এমন কিছু বিষাক্ত খাবার যা আপনি নিজেই জানেন না।

আসুন জেনে নেই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।

আলু :

এমনিতে আলু খাওয়া নিরাপদ। কিন্তু আলুর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে। বাড়িতে অনেক দিন পর্যন্ত আলু রেখে দিলে এর মধ্যে গ্যাঁজ অঙ্কুর হয়ে যায়। এই গ্যাঁজ বা অঙ্কুরে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা আলোর সংস্পর্শে বৃদ্ধি পায়। এই জন্য আলু সব সময় ঠাণ্ডা ও অন্ধকার জায়গায় রাখতে হয়। সবুজাভ ও গ্যাঁজ হওয়া আলু খেলে ডায়রিয়া, মাথাব্যাথা-সহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কাঁচা মধু :

কাঁচা মধুতে গ্রায়ানক্সিন থাকে। তাই এক টেবিল চামচ কাঁচা মধু খেলে মাথাঘোরা, দুর্বল লাগা, অত্যধিক ঘাম হওয়া, বমি বমি ভাব হওয়ার মতো নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

টমেটো :

আলুর মতোই টমেটোর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। কাঁচা সবুজ টমেটোতেও এই একই উপাদান রয়েছে। তবে অল্প পরিমাণে খেলে কোনও সমস্যা হওয়ার ভয় নেই।

শিমের বীজ :

শিমের বীজে ফাইটোহিমাটোগ্লুটানিন নামক বিষ থাকে যা আপনাকে মারাত্মক অসুস্থ্য করে দিতে পারে। তাই শিম রান্নার আগে অন্তত ১০ মিনিট সিদ্ধ করে তারপর রান্না করতে হবে।

ক্যাস্টর অয়েল :

রেড়ীর তেল বিভিন্ন ধরণের ক্যান্ডি, চকলেট বা অন্যান্য খাদ্যে ব্যবহার করা হয়। অনেকেই প্রতিদিন একটু-আধটু ক্যাস্টর অয়েল খেয়ে থাকেন। রেড়ীর বীজে রিচিন নামের বিষাক্ত উপাদান থাকে যা খুবই মারাত্মক। রেড়ীর একটা বীজ খেলে একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। চারটা রেড়ীর বীজ খেলে একটা ঘোড়ার মৃত্যু হতে পারে।

আপেল :

আপেলের বীজে হাইড্রোজেন সায়ানাইড নামের বিষ রয়েছে। আমরা সাধারণত আপেলের বীজ খাই না। কিন্তু আপেলের বীজ যদি কোনও কারণে পেটে চলে যায় তাহলে বিপদ হতে পারে।

কাজুবাদাম :

মিষ্টি কাজুবাদাম ও তেতো কাজুবাদাম, এই দুই ধরণের কাজুবাদাম পাওয়া যায়। তুলনামূলক ভাবে তেতো কাজুবাদামে প্রচুর হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। সাত থেকে দশটা তেতো কাজু বাদাম কাঁচা খেলে প্রাপ্তবয়ষ্কদেরও সমস্যা হতে পারে এবং ছোটদের ক্ষেত্রে তা প্রাণনাশক হতে পারে! নিউজিল্যান্ড, আমেরিকার মতো দেশ এই তেতো কাঁচা কাজু বাদাম বিক্রি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছ।