ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুখে বালিশ চেপে ধরে কিশোরীকে অচেতন, ধর্ষণের পর ফেলে যায় চৌবাচ্চায়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন সাঈদ (৫০) শুক্রবার রাতে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এর আগে মুখে বালিশ চেপে ধরে তাকে অচেতন করে ফেলা হয়।

অভিযুক্ত সাঈদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি পেশায় গাড়িচালক। এ ঘটনায় কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে সাঈদের বিরুদ্ধে আজ শনিবার পল্লবী থানায় মামলা করেন।

এদিকে শনিবার বিকেলে অভিযুক্ত সাঈদের ব্যক্তির ফাঁসির দাবিতে পল্লবী থানা ঘেরাও করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা থানার সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, কিশোরীকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল।

এজাহারে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন সাঈদ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও খারাপ প্রস্তাব করে আসছিলেন। গত শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে কিশোরী বাসার বাইরের শৌচাগারে যায়। সেখান থেকে ঘরে ফেরার সময় সাঈদ মুখ চেপে ধরে তাকে নিজের ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। এ সময় মেয়েটি চিৎকারের চেষ্টা করলে তার মুখে বালিশ চেপে ধরেন তিনি। একপর্যায়ে কিশোরী অচেতন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে অচেতন অবস্থায় কিশোরীকে বাসা সংলগ্ন টিউবয়েলের পাশের চৌবাচ্চায় ফেলে যান অভিযুক্ত সাঈদ। ভোরে এক প্রতিবেশী অজু করতে গিয়ে কিশোরীকে বিবস্ত্র ও আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা ছুটে আসেন। তখন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কিশোরীকে উদ্ধারের পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত সাঈদকে আটক করে গণধোলায় দেয়। পরে পল্লবী থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, এলাকাবাসী অভিযুক্ত সাঈদকে ধরে মারধর করে। খবর পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে গত ১৯ মে পল্লবীতে আট বছরে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন তার প্রতিবেশী সোহেল রানা। পরে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গত ৭ জুন সোহেল এবং তার স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। তারা বর্তমানে কারাগারে আছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মুখে বালিশ চেপে ধরে কিশোরীকে অচেতন, ধর্ষণের পর ফেলে যায় চৌবাচ্চায়

আপডেট সময় ১১:২৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন সাঈদ (৫০) শুক্রবার রাতে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এর আগে মুখে বালিশ চেপে ধরে তাকে অচেতন করে ফেলা হয়।

অভিযুক্ত সাঈদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি পেশায় গাড়িচালক। এ ঘটনায় কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে সাঈদের বিরুদ্ধে আজ শনিবার পল্লবী থানায় মামলা করেন।

এদিকে শনিবার বিকেলে অভিযুক্ত সাঈদের ব্যক্তির ফাঁসির দাবিতে পল্লবী থানা ঘেরাও করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা থানার সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, কিশোরীকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল।

এজাহারে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন সাঈদ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও খারাপ প্রস্তাব করে আসছিলেন। গত শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে কিশোরী বাসার বাইরের শৌচাগারে যায়। সেখান থেকে ঘরে ফেরার সময় সাঈদ মুখ চেপে ধরে তাকে নিজের ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। এ সময় মেয়েটি চিৎকারের চেষ্টা করলে তার মুখে বালিশ চেপে ধরেন তিনি। একপর্যায়ে কিশোরী অচেতন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে অচেতন অবস্থায় কিশোরীকে বাসা সংলগ্ন টিউবয়েলের পাশের চৌবাচ্চায় ফেলে যান অভিযুক্ত সাঈদ। ভোরে এক প্রতিবেশী অজু করতে গিয়ে কিশোরীকে বিবস্ত্র ও আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা ছুটে আসেন। তখন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কিশোরীকে উদ্ধারের পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত সাঈদকে আটক করে গণধোলায় দেয়। পরে পল্লবী থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, এলাকাবাসী অভিযুক্ত সাঈদকে ধরে মারধর করে। খবর পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে গত ১৯ মে পল্লবীতে আট বছরে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন তার প্রতিবেশী সোহেল রানা। পরে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গত ৭ জুন সোহেল এবং তার স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। তারা বর্তমানে কারাগারে আছেন।