ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু:অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়ার সতর্কতা আইএমএফের বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পর্যটনমন্ত্রী বিএনপি ধর্ম-বর্ণের বিভেদে বিশ্বাস করে না: শামা ওবায়েদ সরকার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর: মাহদী আমিন ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বন্যা-জলাবদ্ধতায় আ.লীগ, ইন্টেরিম ও বিএনপি সরকারের আচরণ একই: এবি পার্টি ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সেরহি কোরেৎসকি জুলাই আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি

বাগেরহাটে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হলেও, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকেয়া খানম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার রাজৈর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে কবির হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্বজনদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, ওই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে, “এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” চিরকুটটির সত্যতা এবং এটি কে লিখেছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাসের শিশুসন্তানটি ঘরেই ছিল। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাটে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় ০৫:৪০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হলেও, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকেয়া খানম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার রাজৈর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে কবির হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্বজনদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, ওই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে, “এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” চিরকুটটির সত্যতা এবং এটি কে লিখেছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাসের শিশুসন্তানটি ঘরেই ছিল। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।