অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বগুড়া সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের ঘোড়াধাপ হাটের দখল নিতে বাধা দেয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ইজারাদারসহ তার পরিবারের ৪ সদস্য আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার সময় অফিস ভাংচুর, নগদ ৬০ হাজার টাকা ও ৫-৬ ভরি সোনার গহনা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা দাবি করেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার নির্দেশে তার ক্যাডার বাহিনী এ হামলা চালিয়েছে।
সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ফোর্স পাঠানো হয়েছে। হামলার কারণ জানা যায়নি।
আহতরা হলেন-হাজরাদীঘি এলাকার সাইফুল ইসলামের স্ত্রী হাটের ইজারাদার দাবিদার নিলুফা ইয়াসমিন (৫০), তার মেয়ে ছাবিহা ছাবরিন পিংকি (২৫), জামাই জনি আরেফিন (২৮) ও ম্যানেজার তাজুল ইসলাম (৩৫)।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিলুফা ইয়াসমিন জানান, তিনি গার্মেন্টস ব্যবসার পাশাপাশি গত বৈশাখ মাসে ৮০ লাখ টাকায় ঘোড়াধাপ হাট ইজারা নেন।
মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের পর জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার নির্দেশে তার বাহিনীর ক্যাডার হান্নান, রতন, বুলু, রানু, সালামসহ ৫০-৬০ জন হাটের অফিসে এসে ম্যানেজার তাজুল ইসলামের কাছে চাবি দাবি করে।
ম্যানেজার তাদের জানান, এখনও ইজারার ৬ মাস মেয়াদ আছে। তখন বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত সন্ত্রাসীরা ম্যানেজারকে মারপিট করে। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীদের মারপিটে ম্যানেজার ছাড়াও তিনি, তার মেয়ে পিংকি ও জামাই আরেফিন আহত হন।
তারা তার ও ম্যানেজারের কাছে নগদ ৬০ হাজার টাকা, তাদের মা-মেয়ের কাছে নগদ ৫-৬ ভরি সোনার গহনা ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া অফিস ভাংচুর করে চলে যায়।
হামলার কারণ সম্পর্কে নিলুফা জানান, কয়েকদিন আগে হাজরাদীঘি স্কুল ও কলেজের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে তিনি ওই আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এছাড়া হাজরাদীঘি হাটের ইজারা নেয়ায় তাদের উপর এ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি আইনের আশ্রয় নিবেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















