ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শুনলাম একটা দল নাকি ৪০ লাখ বোরকা বানাইসে: মির্জা আব্বাস মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা এবারের নির্বাচন নিয়মরক্ষার নয়, এটি জনগণের প্রত্যাশা রক্ষার দায়িত্ব : ইসি সানাউল্লাহ গুম ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’: বিচারপতি মঈনুল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ তিন মাসের মাথায় ফের ‘শাটডাউনে’ মার্কিন সরকার

খালেদার মুক্তি ছাড়া আপনারাও মুক্ত নন, প্রধানমন্ত্রীকে ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। তাকে মুক্তি না দিলে আপনারাও মুক্ত থাকতে পারবেন না। কথাটা আমি খুব সিরিয়াসলি বলছি। মুক্তি না দিলে দেশে যে সংকট তৈরি হবে তা আপনারা মোকাবেলা করতে পারবেন না।’

শুক্রবার বিকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির এ কে এম সিদ্দিক হলে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নিহত হওয়া এবং বর্তমান সময়ে ভৌতিক মামলা একই সূত্রে গাঁথা। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে যারা দূরে সরিয়ে দিতে চায় তাদের দর্শন একটাই। তারা এখন তারেক রহমানকে দূরে সরিয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের মানুষের আশার প্রতীক খালেদা জিয়া। এজন্য তাকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে তাকে বের করা হবে। এরজন্য রাজনীতীবিদদের পাশাপাশি পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে অংশ নিতে হবে।’

টক শো’র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘টক শোতে কিছু সাংবাদিকদের কথা শুনলে মনে হয় বাংলাদেশে গণতন্ত্রের আর দরকার নেই। পেশাজীবীরা যদি বিকৃত মানসিকতার হয়, তাহলে ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি হয়।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আগামী ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দিতে যাচ্ছে সরকার। এই মামলায় তারেক রহমান এবং নাসিরউদ্দিন পিন্টুকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়ানো হয়। কিন্তু এই মামলায় যিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন তিনি একটি বারও বিএনপি বা তারেক রহমানের জড়িত থাকার কথা বলেননি।’

সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটা করছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘এই মামলায় শেখ হাসিনা দ্বিতীয় সাক্ষী। একদিনও তিনি সাক্ষ্য দিতে যাননি। আমাদের প্রশ্ন এখানে। এই মামলায় ৬১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন কিন্তু কেউ তারেক রহমানের নাম বলেননি। মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন রিমান্ডে রেখে নির্যাতন করে সাক্ষ্য নেয়া হয়েছিল, সেটা তিনি আদালতে বলে গেছেন। মুফতি হান্নান যেন এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে না পারেন এর জন্য তাকে মামলা শেষ হওয়ার আগেই ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভাবতেই অবাক লাগে আওয়ামী লীগের মতো একটি পুরাতন ও বিখ্যাত দল দেউলিয়া হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ দেশের জনগণ থেকে বিছিন্ন সেটা তারা ভালো করেই জানে।’

বিদেশিরাও আওয়ামী লীগকে চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, যে দেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে চায় না, সেখানে বিদেশিরা কেন চাইবে?

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএফইউজের (একাংশ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, ডিইউজের (একাংশ) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভুইয়া, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অরিজিৎ সিংয়ের গান ছাড়ার কারণ জানা গেল

খালেদার মুক্তি ছাড়া আপনারাও মুক্ত নন, প্রধানমন্ত্রীকে ফখরুল

আপডেট সময় ০৮:২১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। তাকে মুক্তি না দিলে আপনারাও মুক্ত থাকতে পারবেন না। কথাটা আমি খুব সিরিয়াসলি বলছি। মুক্তি না দিলে দেশে যে সংকট তৈরি হবে তা আপনারা মোকাবেলা করতে পারবেন না।’

শুক্রবার বিকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির এ কে এম সিদ্দিক হলে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নিহত হওয়া এবং বর্তমান সময়ে ভৌতিক মামলা একই সূত্রে গাঁথা। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে যারা দূরে সরিয়ে দিতে চায় তাদের দর্শন একটাই। তারা এখন তারেক রহমানকে দূরে সরিয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের মানুষের আশার প্রতীক খালেদা জিয়া। এজন্য তাকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে তাকে বের করা হবে। এরজন্য রাজনীতীবিদদের পাশাপাশি পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে অংশ নিতে হবে।’

টক শো’র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘টক শোতে কিছু সাংবাদিকদের কথা শুনলে মনে হয় বাংলাদেশে গণতন্ত্রের আর দরকার নেই। পেশাজীবীরা যদি বিকৃত মানসিকতার হয়, তাহলে ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি হয়।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আগামী ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দিতে যাচ্ছে সরকার। এই মামলায় তারেক রহমান এবং নাসিরউদ্দিন পিন্টুকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়ানো হয়। কিন্তু এই মামলায় যিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন তিনি একটি বারও বিএনপি বা তারেক রহমানের জড়িত থাকার কথা বলেননি।’

সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটা করছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘এই মামলায় শেখ হাসিনা দ্বিতীয় সাক্ষী। একদিনও তিনি সাক্ষ্য দিতে যাননি। আমাদের প্রশ্ন এখানে। এই মামলায় ৬১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন কিন্তু কেউ তারেক রহমানের নাম বলেননি। মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন রিমান্ডে রেখে নির্যাতন করে সাক্ষ্য নেয়া হয়েছিল, সেটা তিনি আদালতে বলে গেছেন। মুফতি হান্নান যেন এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে না পারেন এর জন্য তাকে মামলা শেষ হওয়ার আগেই ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভাবতেই অবাক লাগে আওয়ামী লীগের মতো একটি পুরাতন ও বিখ্যাত দল দেউলিয়া হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ দেশের জনগণ থেকে বিছিন্ন সেটা তারা ভালো করেই জানে।’

বিদেশিরাও আওয়ামী লীগকে চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, যে দেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে চায় না, সেখানে বিদেশিরা কেন চাইবে?

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএফইউজের (একাংশ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, ডিইউজের (একাংশ) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভুইয়া, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ।