আকাশ জাতীয় ডেস্ক :
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুতে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে হিজড়া পল্লীতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এক নারী ও তার ছেলেকে। গ্রেফতার দুজন সম্পর্কে মা ও ছেলে। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ইসারুল্লাহ রিয়াদ বয়স ১৩ উপজেলার শীতলী রোকেয়া খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মা হারা এই শিশুটি মান্দারতলা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।
পারিবারিক ও মামলা সূত্রে জানা গেছে ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ সকালে রিয়াদ মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পথে শীতলী মাঠ এলাকা থেকে রিয়াদের আপন চাচাতো ভাই সুমন এবং চাচি শ্যামলী খাতুন তাকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে তারা রিয়াদকে ভোলা জেলার একটি হিজড়া পল্লীতে বিক্রি করে দিয়ে এলাকায় ফিরে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে থাকে।
রিয়াদের দাদা শামছুল রহমান জানান নাতির কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা সুমনের কাছে জানতে চাইলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে রিয়াদের বাবা জসিম উদ্দিনকে মারধর করে। এতে তাদের সন্দেহ আরও গভীর হয়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
হরিনাকুন্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান শিশুটির দাদা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এরপর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে মান্দারতলা গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শ্যামলী খাতুন এবং তার ছেলে সুমনকে আটক করে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজ শিশু রিয়াদকে উদ্ধারে পুলিশের একটি টিম শিগগিরই ভোলা জেলায় যাবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















