ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শুনলাম একটা দল নাকি ৪০ লাখ বোরকা বানাইসে: মির্জা আব্বাস মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা এবারের নির্বাচন নিয়মরক্ষার নয়, এটি জনগণের প্রত্যাশা রক্ষার দায়িত্ব : ইসি সানাউল্লাহ গুম ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’: বিচারপতি মঈনুল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ তিন মাসের মাথায় ফের ‘শাটডাউনে’ মার্কিন সরকার

সোহরাওয়ার্দীতে ইসলামী আন্দোলনের বিশাল সমাবেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দল হিসেবে আওয়ামী লীগ বা বিএনপির তুলনায় অনেক ছোট ইসলামী আন্দোলন। কিন্তু রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাদের সমাবেশে লোক সমাগম দেশের প্রধান দুই দলের তুলনায় কম হয়নি কোনো মতেই। বরং সম্প্রতি দুই দল যে সমাবেশ করেছে, তার চেয়ে বেশি লোক সমাগম হয়েছে এই সমাবেশে।

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনসহ নানা দাবিতে শুক্রবার এই সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় জুমার নামাজের পর। তবে সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা আসতে থাকে উদ্যানে। এক পর্যায়ে উদ্যান ছাড়িয়ে আশেপাশের সড়কও লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। এর মধ্যে দুপুরের পর আবার শুরু হয় বৃষ্টি। এর মধ্যেও সমাবেশস্থল ছেড়ে যাননি নেতা কর্মীরা। ভিজেই দলের নেতাদের বক্তব্য শুনছেন তারা।

ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে সম্প্রতি আলোচিত হয়ে উঠেছে ইসলামী আন্দোলন। গত ডিসেম্বরে রংপুর, ১৫ মে খুলনা, ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চমক দেখায় তারা। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে না তারা প্রতিটি নির্বাচনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছে।

আজকের সমাবেশে যোগ দিতে দলটির কর্মী-সমর্থকরা ঢাকায় আসে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে। বিশেষ করে দলটির কেন্দ্র বরিশাল থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী আসে ভোরেই।

বেলা তিনটার পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পুর্ব পাশ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনের রাস্তাতেও অবস্থান নিতে হয় নেতা-কর্মীদের। সমাবেশে যোগ দেয়া কর্মী সমর্থকদের অনেকেই তারা দলীয় প্রতীক হাতপাখাও নিয়ে আসে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামী হুকুমত কায়েম করতে হবে। এ জন্য আাগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাত পাখায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান বিভিন্ন বক্তারা।

নেতারা বলেন, স্বাধীনতার পর যে সমস্ত দল ক্ষমতায় এসেছে সবাই দুর্নীতি করেছে। সবাই দেশকে লুটে পুটে খেয়েছে। এখন সময় হয়েছে পরিবর্তনের। সময় এসেছে বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার।

ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানুষের মুক্তি নেই উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, কোরআনের বিপক্ষে মানুষ অবস্থান নেয়ায় এখন সবাই নিরাপত্তাহীনতায়।

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়াও দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সমাবেশের সভাপতিত্ব করছেন তলের আমির চরমোরাইয়ের পীরসৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শ্রমিক আন্দোলনসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর আলাদা আলাদা ব্যানারে ঢুকতে থাকেন মাঠে।

ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত রয়েছেন, দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, নূরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব ইউনুস আহমদ, সহকারী মহাসচিব এটিএম হেমায়েদ উদ্দীন, গাজী আতাউর রহমান, আবদুল কাদের, মাহবুবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর সভাপতি ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা উত্তর সভাপতি শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অরিজিৎ সিংয়ের গান ছাড়ার কারণ জানা গেল

সোহরাওয়ার্দীতে ইসলামী আন্দোলনের বিশাল সমাবেশ

আপডেট সময় ০৪:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দল হিসেবে আওয়ামী লীগ বা বিএনপির তুলনায় অনেক ছোট ইসলামী আন্দোলন। কিন্তু রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাদের সমাবেশে লোক সমাগম দেশের প্রধান দুই দলের তুলনায় কম হয়নি কোনো মতেই। বরং সম্প্রতি দুই দল যে সমাবেশ করেছে, তার চেয়ে বেশি লোক সমাগম হয়েছে এই সমাবেশে।

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনসহ নানা দাবিতে শুক্রবার এই সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় জুমার নামাজের পর। তবে সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা আসতে থাকে উদ্যানে। এক পর্যায়ে উদ্যান ছাড়িয়ে আশেপাশের সড়কও লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। এর মধ্যে দুপুরের পর আবার শুরু হয় বৃষ্টি। এর মধ্যেও সমাবেশস্থল ছেড়ে যাননি নেতা কর্মীরা। ভিজেই দলের নেতাদের বক্তব্য শুনছেন তারা।

ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে সম্প্রতি আলোচিত হয়ে উঠেছে ইসলামী আন্দোলন। গত ডিসেম্বরে রংপুর, ১৫ মে খুলনা, ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চমক দেখায় তারা। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে না তারা প্রতিটি নির্বাচনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছে।

আজকের সমাবেশে যোগ দিতে দলটির কর্মী-সমর্থকরা ঢাকায় আসে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে। বিশেষ করে দলটির কেন্দ্র বরিশাল থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী আসে ভোরেই।

বেলা তিনটার পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পুর্ব পাশ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনের রাস্তাতেও অবস্থান নিতে হয় নেতা-কর্মীদের। সমাবেশে যোগ দেয়া কর্মী সমর্থকদের অনেকেই তারা দলীয় প্রতীক হাতপাখাও নিয়ে আসে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামী হুকুমত কায়েম করতে হবে। এ জন্য আাগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাত পাখায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান বিভিন্ন বক্তারা।

নেতারা বলেন, স্বাধীনতার পর যে সমস্ত দল ক্ষমতায় এসেছে সবাই দুর্নীতি করেছে। সবাই দেশকে লুটে পুটে খেয়েছে। এখন সময় হয়েছে পরিবর্তনের। সময় এসেছে বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার।

ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানুষের মুক্তি নেই উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, কোরআনের বিপক্ষে মানুষ অবস্থান নেয়ায় এখন সবাই নিরাপত্তাহীনতায়।

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়াও দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সমাবেশের সভাপতিত্ব করছেন তলের আমির চরমোরাইয়ের পীরসৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শ্রমিক আন্দোলনসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর আলাদা আলাদা ব্যানারে ঢুকতে থাকেন মাঠে।

ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত রয়েছেন, দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, নূরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব ইউনুস আহমদ, সহকারী মহাসচিব এটিএম হেমায়েদ উদ্দীন, গাজী আতাউর রহমান, আবদুল কাদের, মাহবুবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর সভাপতি ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা উত্তর সভাপতি শেখ ফজলে বারী মাসউদ।