ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ বছ‌রের গুম-খুন-কান্না, রিমান্ড অত‌্যাচার সহ্য ক‌রে‌ছি: পার্থ একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই: আবু সাঈদের বাবা ‘ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন’:মির্জা আব্বাস সরকারি কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না: ইসি সানাউল্লাহ গরিবের টিন-কম্বল কেউ আত্মসাৎ করতে পারবে না : মুফতি ফয়জুল করিম রাজধানীতে আবাসিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে চারটি ইউনিট কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজার হাতে চাচা খুন আমরা অনেক অপরচুনিটি মিস করেছি: নাহিদ হেলমেট না থাকায় ‘সেনাসদস্যের মারধরে’ যুবকের মৃত্যু

সালাহউদ্দিনের ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে আজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় শিলংয়ের একটি আদালতে রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বিএনপির এই নেতার।

প্রায় সাড়ে তিন বছর বিচার চলার পর এই মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে। এর আগে চারবার আলোচিত এই মামলার রায় পেছানো হয়।

সালাউদ্দিনের অন্তর্ধান রহস্য অবশ্য এখনও জানা যায়নি। ২০১৫ সালে বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন চলাকালে নিখোঁজ হন তিনি। পরে তাকে ওই বছরের মাঝামাঝি সময়ে পাওয়া যায় ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের শিলংয়ে।

সেখানে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরছিলেন বিএনপি নেতা। পরে থানায় নেয়া হলে নিজের পরিচয় দেন সালাউদ্দিন। বিএনপি নেতার দাবি, তিনি কীভাবে শিলং গেছেন, সেটি জানেন না।

২০১৫ সালের ১১ মে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করে মেঘালয়ের শিলং পুলিশ। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর তা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে আদালত।

এ ধরনের মামলার কার্যক্রম শেষ হতে এত সময় লাগার বিষয়টি ‘বিরল’ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিনের আইনজীবী এ পি মহন্ত বলেন, আদালতে সবকিছুই তুলে ধরা হয়েছে।

১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এরপর প্রশাসনের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হন। ২০০১ সালে তিনি কক্সবাজার থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালাহউদ্দিনের ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে আজ

আপডেট সময় ০১:০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় শিলংয়ের একটি আদালতে রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বিএনপির এই নেতার।

প্রায় সাড়ে তিন বছর বিচার চলার পর এই মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে। এর আগে চারবার আলোচিত এই মামলার রায় পেছানো হয়।

সালাউদ্দিনের অন্তর্ধান রহস্য অবশ্য এখনও জানা যায়নি। ২০১৫ সালে বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন চলাকালে নিখোঁজ হন তিনি। পরে তাকে ওই বছরের মাঝামাঝি সময়ে পাওয়া যায় ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের শিলংয়ে।

সেখানে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরছিলেন বিএনপি নেতা। পরে থানায় নেয়া হলে নিজের পরিচয় দেন সালাউদ্দিন। বিএনপি নেতার দাবি, তিনি কীভাবে শিলং গেছেন, সেটি জানেন না।

২০১৫ সালের ১১ মে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করে মেঘালয়ের শিলং পুলিশ। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর তা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে আদালত।

এ ধরনের মামলার কার্যক্রম শেষ হতে এত সময় লাগার বিষয়টি ‘বিরল’ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিনের আইনজীবী এ পি মহন্ত বলেন, আদালতে সবকিছুই তুলে ধরা হয়েছে।

১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এরপর প্রশাসনের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হন। ২০০১ সালে তিনি কক্সবাজার থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হন।