ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

রোদে পোড়া ত্বকের রং কি আর কখনো স্বাভাবিক হয়?

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

শ্যামা সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়ায়। বাইরে না গিয়েও উপায় নেই। কলেজ শেষে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখতে যাচ্ছে। সকালে কোচিং, দুপুরে কম্পিউটারের ক্লাস, বিকেলে কখনো ড্রাইভিংয়ের ডেট, কখনো ড্রেস ডিজাইনের কাজ শেখে। প্রচণ্ড ব্যস্ততায় সারাটা দিনই বলতে গেলে বাইরে কাটে। তার মধ্যে কম করে হলেও এক ঘণ্টা রোদের সংস্পর্শে আসতে হয়। ইদানীং শ্যামার আশপাশের সবাইকে বলতে শোনা যায়, তোর গায়ের রংটা যেন ডার্ক (কালো) হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা শ্যামাও খেয়াল করেছে। আসলেই তাই, রোদ ত্বকের বিশেষ ক্ষতি সাধন করে থাকে।

ত্বকের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁজের জন্য রোদই দায়ী। তবে কর্কশ রোদের কারণে তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা থেকেও যে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, সেটা বোধ হয় অনেকেরই জানা নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে ত্বকের নিচে অবস্থিত টিস্যু বা কলা নিজে থেকেই পুনর্নির্মাণ এবং নবায়িত হতে থাকে। এই কৌশল অবলম্বন করতে গিয়ে কতটুকু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে বিষয়ে অনেকেই অবগত নন। এ বিষয়ে ডার্মাটোলজিস্ট বা ত্বক বিশেষজ্ঞের কথা হচ্ছে, সারা বছর ধরে প্রতিদিনই কমপক্ষে ১৫ প্রোটেকশন ফ্যাক্টর ( এসপিএফ) ক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন বা ময়েশ্চারাইজার শরীরের উন্মুক্ত অংশে মাখতে হবে। আর এটি মেখে রাখতে হবে বারান্দা বা রোদে কোনো কাজ করতে গিয়ে দাঁড়াবার সময়, জানালা উঁকি দেওয়া রোদের সংস্পর্শে আসার সময়। এমনকি শীতের মিষ্টি রোদের সংস্পর্শে আসার সময়ও এই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
এভাবে নিয়ম মেনে রোদের আড়ালে চলতে পারলে ২/১ বছরের মধ্যেই ত্বক আবার আগের মতো কোমল ও আরো স্থিতি স্থাপকতা ফিরে পাবে। কিন্তু সানস্ক্রিনটি সঠিক হতে হবে। অনেক নামি-দামি কোম্পানি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্রিমে সানস্ক্রিনের উপস্থিতির কথা বললেও মোড়কে এসপিএফ মাত্রা উল্লেখ না থাকার কারণে সেগুলোর মধ্যে আদৌ কোনো সানক্রিন আছে কি না সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। সানস্ক্রিনের মাত্রার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। আমাদের জন্য সানস্ক্রিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৫ হওয়ার বাঞ্ছনীয়। তাই সানস্ক্রিন কেনার সময় এগুলো দেখে নিতে হবে। ওষুধ ও কসমেটিক্সের দোকানে এগুলো পাওয়া যায়।

সুতরাং রোদের সংস্পর্শে এলেই যে ত্বক বাদামি হয়ে যাবে, তা নয়। রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে যাদের ত্বক রোদে পুড়ছে, তাদের ক্ষেত্রে এই কৌশল অবলম্বন করে ফল পেতে একটু বেশি সময় লাগবে। এ ছাড়া যাদের বয়স ইতিমধ্যে ৫০ অতিক্রম করেছে তাদের ক্ষেত্রে ফল পেতে আরো বেশি সময় লাগবে। কারণ, বৃদ্ধ বয়সে ত্বক এমনিতেই স্থিতি স্থাপকতা হারাতে থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

রোদে পোড়া ত্বকের রং কি আর কখনো স্বাভাবিক হয়?

আপডেট সময় ০৫:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

শ্যামা সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়ায়। বাইরে না গিয়েও উপায় নেই। কলেজ শেষে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখতে যাচ্ছে। সকালে কোচিং, দুপুরে কম্পিউটারের ক্লাস, বিকেলে কখনো ড্রাইভিংয়ের ডেট, কখনো ড্রেস ডিজাইনের কাজ শেখে। প্রচণ্ড ব্যস্ততায় সারাটা দিনই বলতে গেলে বাইরে কাটে। তার মধ্যে কম করে হলেও এক ঘণ্টা রোদের সংস্পর্শে আসতে হয়। ইদানীং শ্যামার আশপাশের সবাইকে বলতে শোনা যায়, তোর গায়ের রংটা যেন ডার্ক (কালো) হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা শ্যামাও খেয়াল করেছে। আসলেই তাই, রোদ ত্বকের বিশেষ ক্ষতি সাধন করে থাকে।

ত্বকের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁজের জন্য রোদই দায়ী। তবে কর্কশ রোদের কারণে তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা থেকেও যে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, সেটা বোধ হয় অনেকেরই জানা নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে ত্বকের নিচে অবস্থিত টিস্যু বা কলা নিজে থেকেই পুনর্নির্মাণ এবং নবায়িত হতে থাকে। এই কৌশল অবলম্বন করতে গিয়ে কতটুকু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে বিষয়ে অনেকেই অবগত নন। এ বিষয়ে ডার্মাটোলজিস্ট বা ত্বক বিশেষজ্ঞের কথা হচ্ছে, সারা বছর ধরে প্রতিদিনই কমপক্ষে ১৫ প্রোটেকশন ফ্যাক্টর ( এসপিএফ) ক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন বা ময়েশ্চারাইজার শরীরের উন্মুক্ত অংশে মাখতে হবে। আর এটি মেখে রাখতে হবে বারান্দা বা রোদে কোনো কাজ করতে গিয়ে দাঁড়াবার সময়, জানালা উঁকি দেওয়া রোদের সংস্পর্শে আসার সময়। এমনকি শীতের মিষ্টি রোদের সংস্পর্শে আসার সময়ও এই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
এভাবে নিয়ম মেনে রোদের আড়ালে চলতে পারলে ২/১ বছরের মধ্যেই ত্বক আবার আগের মতো কোমল ও আরো স্থিতি স্থাপকতা ফিরে পাবে। কিন্তু সানস্ক্রিনটি সঠিক হতে হবে। অনেক নামি-দামি কোম্পানি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্রিমে সানস্ক্রিনের উপস্থিতির কথা বললেও মোড়কে এসপিএফ মাত্রা উল্লেখ না থাকার কারণে সেগুলোর মধ্যে আদৌ কোনো সানক্রিন আছে কি না সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। সানস্ক্রিনের মাত্রার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। আমাদের জন্য সানস্ক্রিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৫ হওয়ার বাঞ্ছনীয়। তাই সানস্ক্রিন কেনার সময় এগুলো দেখে নিতে হবে। ওষুধ ও কসমেটিক্সের দোকানে এগুলো পাওয়া যায়।

সুতরাং রোদের সংস্পর্শে এলেই যে ত্বক বাদামি হয়ে যাবে, তা নয়। রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে যাদের ত্বক রোদে পুড়ছে, তাদের ক্ষেত্রে এই কৌশল অবলম্বন করে ফল পেতে একটু বেশি সময় লাগবে। এ ছাড়া যাদের বয়স ইতিমধ্যে ৫০ অতিক্রম করেছে তাদের ক্ষেত্রে ফল পেতে আরো বেশি সময় লাগবে। কারণ, বৃদ্ধ বয়সে ত্বক এমনিতেই স্থিতি স্থাপকতা হারাতে থাকে।