ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোদে পোড়া ত্বকের রং কি আর কখনো স্বাভাবিক হয়?

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

শ্যামা সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়ায়। বাইরে না গিয়েও উপায় নেই। কলেজ শেষে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখতে যাচ্ছে। সকালে কোচিং, দুপুরে কম্পিউটারের ক্লাস, বিকেলে কখনো ড্রাইভিংয়ের ডেট, কখনো ড্রেস ডিজাইনের কাজ শেখে। প্রচণ্ড ব্যস্ততায় সারাটা দিনই বলতে গেলে বাইরে কাটে। তার মধ্যে কম করে হলেও এক ঘণ্টা রোদের সংস্পর্শে আসতে হয়। ইদানীং শ্যামার আশপাশের সবাইকে বলতে শোনা যায়, তোর গায়ের রংটা যেন ডার্ক (কালো) হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা শ্যামাও খেয়াল করেছে। আসলেই তাই, রোদ ত্বকের বিশেষ ক্ষতি সাধন করে থাকে।

ত্বকের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁজের জন্য রোদই দায়ী। তবে কর্কশ রোদের কারণে তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা থেকেও যে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, সেটা বোধ হয় অনেকেরই জানা নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে ত্বকের নিচে অবস্থিত টিস্যু বা কলা নিজে থেকেই পুনর্নির্মাণ এবং নবায়িত হতে থাকে। এই কৌশল অবলম্বন করতে গিয়ে কতটুকু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে বিষয়ে অনেকেই অবগত নন। এ বিষয়ে ডার্মাটোলজিস্ট বা ত্বক বিশেষজ্ঞের কথা হচ্ছে, সারা বছর ধরে প্রতিদিনই কমপক্ষে ১৫ প্রোটেকশন ফ্যাক্টর ( এসপিএফ) ক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন বা ময়েশ্চারাইজার শরীরের উন্মুক্ত অংশে মাখতে হবে। আর এটি মেখে রাখতে হবে বারান্দা বা রোদে কোনো কাজ করতে গিয়ে দাঁড়াবার সময়, জানালা উঁকি দেওয়া রোদের সংস্পর্শে আসার সময়। এমনকি শীতের মিষ্টি রোদের সংস্পর্শে আসার সময়ও এই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
এভাবে নিয়ম মেনে রোদের আড়ালে চলতে পারলে ২/১ বছরের মধ্যেই ত্বক আবার আগের মতো কোমল ও আরো স্থিতি স্থাপকতা ফিরে পাবে। কিন্তু সানস্ক্রিনটি সঠিক হতে হবে। অনেক নামি-দামি কোম্পানি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্রিমে সানস্ক্রিনের উপস্থিতির কথা বললেও মোড়কে এসপিএফ মাত্রা উল্লেখ না থাকার কারণে সেগুলোর মধ্যে আদৌ কোনো সানক্রিন আছে কি না সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। সানস্ক্রিনের মাত্রার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। আমাদের জন্য সানস্ক্রিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৫ হওয়ার বাঞ্ছনীয়। তাই সানস্ক্রিন কেনার সময় এগুলো দেখে নিতে হবে। ওষুধ ও কসমেটিক্সের দোকানে এগুলো পাওয়া যায়।

সুতরাং রোদের সংস্পর্শে এলেই যে ত্বক বাদামি হয়ে যাবে, তা নয়। রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে যাদের ত্বক রোদে পুড়ছে, তাদের ক্ষেত্রে এই কৌশল অবলম্বন করে ফল পেতে একটু বেশি সময় লাগবে। এ ছাড়া যাদের বয়স ইতিমধ্যে ৫০ অতিক্রম করেছে তাদের ক্ষেত্রে ফল পেতে আরো বেশি সময় লাগবে। কারণ, বৃদ্ধ বয়সে ত্বক এমনিতেই স্থিতি স্থাপকতা হারাতে থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোদে পোড়া ত্বকের রং কি আর কখনো স্বাভাবিক হয়?

আপডেট সময় ০৫:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

শ্যামা সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়ায়। বাইরে না গিয়েও উপায় নেই। কলেজ শেষে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখতে যাচ্ছে। সকালে কোচিং, দুপুরে কম্পিউটারের ক্লাস, বিকেলে কখনো ড্রাইভিংয়ের ডেট, কখনো ড্রেস ডিজাইনের কাজ শেখে। প্রচণ্ড ব্যস্ততায় সারাটা দিনই বলতে গেলে বাইরে কাটে। তার মধ্যে কম করে হলেও এক ঘণ্টা রোদের সংস্পর্শে আসতে হয়। ইদানীং শ্যামার আশপাশের সবাইকে বলতে শোনা যায়, তোর গায়ের রংটা যেন ডার্ক (কালো) হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা শ্যামাও খেয়াল করেছে। আসলেই তাই, রোদ ত্বকের বিশেষ ক্ষতি সাধন করে থাকে।

ত্বকের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁজের জন্য রোদই দায়ী। তবে কর্কশ রোদের কারণে তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা থেকেও যে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, সেটা বোধ হয় অনেকেরই জানা নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে ত্বকের নিচে অবস্থিত টিস্যু বা কলা নিজে থেকেই পুনর্নির্মাণ এবং নবায়িত হতে থাকে। এই কৌশল অবলম্বন করতে গিয়ে কতটুকু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে বিষয়ে অনেকেই অবগত নন। এ বিষয়ে ডার্মাটোলজিস্ট বা ত্বক বিশেষজ্ঞের কথা হচ্ছে, সারা বছর ধরে প্রতিদিনই কমপক্ষে ১৫ প্রোটেকশন ফ্যাক্টর ( এসপিএফ) ক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন বা ময়েশ্চারাইজার শরীরের উন্মুক্ত অংশে মাখতে হবে। আর এটি মেখে রাখতে হবে বারান্দা বা রোদে কোনো কাজ করতে গিয়ে দাঁড়াবার সময়, জানালা উঁকি দেওয়া রোদের সংস্পর্শে আসার সময়। এমনকি শীতের মিষ্টি রোদের সংস্পর্শে আসার সময়ও এই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
এভাবে নিয়ম মেনে রোদের আড়ালে চলতে পারলে ২/১ বছরের মধ্যেই ত্বক আবার আগের মতো কোমল ও আরো স্থিতি স্থাপকতা ফিরে পাবে। কিন্তু সানস্ক্রিনটি সঠিক হতে হবে। অনেক নামি-দামি কোম্পানি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্রিমে সানস্ক্রিনের উপস্থিতির কথা বললেও মোড়কে এসপিএফ মাত্রা উল্লেখ না থাকার কারণে সেগুলোর মধ্যে আদৌ কোনো সানক্রিন আছে কি না সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। সানস্ক্রিনের মাত্রার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। আমাদের জন্য সানস্ক্রিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৫ হওয়ার বাঞ্ছনীয়। তাই সানস্ক্রিন কেনার সময় এগুলো দেখে নিতে হবে। ওষুধ ও কসমেটিক্সের দোকানে এগুলো পাওয়া যায়।

সুতরাং রোদের সংস্পর্শে এলেই যে ত্বক বাদামি হয়ে যাবে, তা নয়। রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে যাদের ত্বক রোদে পুড়ছে, তাদের ক্ষেত্রে এই কৌশল অবলম্বন করে ফল পেতে একটু বেশি সময় লাগবে। এ ছাড়া যাদের বয়স ইতিমধ্যে ৫০ অতিক্রম করেছে তাদের ক্ষেত্রে ফল পেতে আরো বেশি সময় লাগবে। কারণ, বৃদ্ধ বয়সে ত্বক এমনিতেই স্থিতি স্থাপকতা হারাতে থাকে।