অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে ‘আসল বিএনপির’ নেতা কামরুল হাসান নাসিম বলেছেন, নির্বাচন প্রতিহত করার প্রয়োজন নেই। দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে শপথবাক্য এই দেশে কাউকে পড়তে দেয়া হবে না।
শনিবার দুপুরে ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ‘বিএনপি পুনর্গঠনের উদ্যোক্তা’ পরিচয় দিয়ে কামরুল হাসান নাসিম এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুশিয়ারি দেন তিনি।
নির্বাচনকালীন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি জানিয়ে কামরুল হাসান বলেন, সরকার দলের পক্ষ থেকে একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য রাখা হচ্ছে এই ইস্যুতে। আমি মনে করছি, এই সরকারে জায়গা পেয়েছেন পাক রাজনীতিক থেকে শুরু করে পেশাজীবী ব্যক্তিরা।
কামরুল হাসান এই সরকারে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, পত্রিকার সম্পাদক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ মোট ৩১ জনের নাম প্রস্তাব করেন। এসব ব্যক্তিদের কেন বিবেচনা করা হয়েছে, নামের পাশে বন্ধনী দিয়ে কারণও লিখে দেন তিনি।
তিনি ২০১৬ সালের ২ জানুয়ারি বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় দখল করতে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হন। যদিও সেবার দৌড়ে পালিয়ে রক্ষা পান তিনি। কামরুল হাসান নিজেকে ‘আসল বিএনপি’র প্রধান বলে দাবি করে আসছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আট পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কামরুল হাসান। তার বক্তব্য ছিল বিক্ষিপ্ত। লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে কামরুল হাসান কিছুটা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।
তিনি বলেন, বিএনপি ভাঙা আমার উদ্দেশ্য নয়। ‘পুনর্গঠন’ করা আমার উদ্দেশ্য। এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি বিষোদগার করেন।
কামরুল হাসানের সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারে লেখা ছিল ‘বিএনপি পুনর্গঠন, সংবিধান, জাতীয়তা, পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, জাতীয় নির্বাচন, শাসনরীতি ও জাতীয়তাবাদী শক্তির নতুন করে পথচলার একটি সম্ভাব্য প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কিত ইস্যু।’ এই লেখার নিচে আলোচক হিসেবে তার নাম লেখা ছিল।
বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে কামরুল হাসান বলেন, জামায়াতে ইসলামকে ছাড়ুন। দল চলবে জিয়াউর রহমান ও মশিউর রহমান জাদু মিয়ার চুক্তির আলোকে ও আদর্শে অনুরণিত হয়ে।
তিনি আরও বলেন, ৩০০ সংসদীয় আসনের প্রায় ৩২০ জনের মতো নেতা নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুত। তারা কার্যকরী সংসদে যেতে চান।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















