ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

পাঁচ বছরে রাজশাহী ১৫ বছর পিছিয়েছে: লিটন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সদ্য সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের আমলে রাজশাহী অনেক পিছিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আসন্ন সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

তিনি বলেন, ‘বিগত পাঁচ বছরে রাজশাহী অন্তত ১৫ বছর পিছিয়ে গেছে শুধুমাত্র একটা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে। এই যে সময়টা আমরা পিছিয়ে গেলাম, সেটা পূরণ করে সামনের দিকে এগোতে হবে।’

রাজশাহীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সমাজের সাথে ‘শিক্ষার মান, অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় খায়রুজ্জামান লিটন এ কথা বলেন। শুক্রবার বিকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছেন। চমৎকার চমৎকার ভবন দিয়েছেন। প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে তার উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। কিন্তু এর বাইরে সিটি করপোরেশনের আওতায় যে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা আছে সেগুলো তো বিগত পাঁচ বছরে হলো না। ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আমি মেয়র থাকাকালে যে উন্নয়ন হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা হারিয়ে গেলাম।’

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে লিটন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে পদ্মা সেতু করে ফেলছেন। তার নেতৃত্বে রাজশাহীকে আমরা এগিয়ে নিতে পারলাম না। আমি আর বাদশা ভাই, দুইজনে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারতাম। রাজশাহীতে আরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে পারতাম। গরুর গাড়ি চলতে এক গরু নয়, দুটো গরু লাগে। আমি আর বাদশা ভাইয়ের ঘাড়ে যদি জোয়ালটা দিতেন, আমরা ঠিক রাজশাহীকে টেনে নিয়ে সামনের দিকে যেতাম।’

‘রাজশাহীকে শিক্ষানগরী বলা হয়। এটা সরকারিভাবে স্বীকৃত নয়। কিন্তু সারাদেশের মানুষই বলে, রাজশাহী শিক্ষানগরী। এটার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দরকার। ফজলে হোসেন বাদশা সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন, আর আপনারা যদি আমাকে একটা সুযোগ করে দেন, ইনশাল্লাহ রাজশাহীকে শিক্ষানগরী হিসেবে ঘোষণা করবো।’ -বলেন লিটন।

তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, শিক্ষানগরী হলেই বা কী, না হলেই বা কী? আমি বলতে চাই, বিশ্বের অনেক শহর আছে, যে শহর শুধুমাত্র শিক্ষাসেবা দিয়েই সারাবিশ্বে নাম করেছে। উচ্চশিক্ষার মান সেখানে চমৎকারভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কাজেই শিক্ষাকে যদি আমরা ব্র্যান্ডিং করতে পারি, তাহলে সার্কভুক্ত দেশ থেকে তো বটেই, বিশ্বের অন্য দেশ থেকেও রাজশাহীতে শিক্ষার্থী আসবে।’

রাজশাহীতে আরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দরকার বলেও মনে করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দরকার। গার্লস ক্যাডেট দরকার। আরও দুটি মেয়েদের এবং দুটি ছেলেদের স্কুল সরকারি করা দরকার। ইতিমধ্যে দুটি রাজশাহী মডেল স্কুল ও বোর্ড মডেল স্কুল সরকারি হয়েছে। কিন্তু রাজশাহীকে ঘিরে আশপাশের জেলার অনেক শিক্ষার্থী আসে। আমরা আরও চারটি স্কুল সরকারি করতে চাই।’

মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগেই রাজশাহীতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আসে। তারপর অনেক বাসাবাড়িতে গ্যাস গেছে। কিন্তু এই মুহুর্তে গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রয়েছে। লিটন বলেন, ‘যারা গ্যাস পাননি, তারা কি গ্যাস চান না? সেটি পেতে হলে নতুন করে চিন্তা করতে হবে। আমাকে যদি আরেকবার সুযোগ দেন, অবশ্যই আপনার বাসাবাড়িতে গ্যাস যাবে।’

সভায় শিক্ষকরা তাদের জন্য আলাদা আবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য দাবি তোলেন। এর প্রেক্ষিতে লিটন বলেন, ‘এটি আমার নির্বাচনি ইশতেহারের প্রথম পাঁচটির মধ্যে থাকবে। আমি মেয়র হলে শিক্ষকদের জন্য ‘শিক্ষক পল্লী’ বা ধরনের কিছু নাম দিয়ে আলাদা আবাসিক এলাকা সিটি করপোরেশন করবে। এই ইচ্ছা আমার আগেও ছিল, এখনও আছে।’

তিনি বলেন, ‘সবই করা সম্ভব। যদি আমাকে আর ফজলে হোসেন বাদশাকে একসঙ্গে দায়িত্বটা দেন।’

সভাপতির বক্তব্যে রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য আমি তার হাতে হাত রেখে কাজ করবো। আগামী দিনে খায়রুজ্জামান লিটন যদি মেয়র হিসেবে ফিরে আসেন, তবে রাজশাহী হবে একটা স্বপ্নের শহর। আমরা নিশ্চয় আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাবো।’

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বাদশা আরও বলেন, ‘খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র থাকাকালে রাজশাহীর যে উন্নয়ন হয়েছে তার সুনাম এখনও আছে। ঢাকায় গেলে সবাই বলে, রাজশাহী একটা পরিচ্ছন্ন শহর। কিন্তু এই শহরের সৌন্দর্য অনেকটাই বিলিন হয়ে গেছে, শুধু গত সিটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হওয়ার কারণে। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি।’

সভায় রাজশাহীর বিভিন্ন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশ নেন। এতে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশাসহ অন্য শিক্ষক নেতারা বক্তব্য দেন। তারা আসন্ন সিটি নির্বাচনে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের ছেলে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে মেয়র নির্বাচিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নগরীর বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান সভা পরিচালনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

পাঁচ বছরে রাজশাহী ১৫ বছর পিছিয়েছে: লিটন

আপডেট সময় ১১:০০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সদ্য সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের আমলে রাজশাহী অনেক পিছিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আসন্ন সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

তিনি বলেন, ‘বিগত পাঁচ বছরে রাজশাহী অন্তত ১৫ বছর পিছিয়ে গেছে শুধুমাত্র একটা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে। এই যে সময়টা আমরা পিছিয়ে গেলাম, সেটা পূরণ করে সামনের দিকে এগোতে হবে।’

রাজশাহীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সমাজের সাথে ‘শিক্ষার মান, অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় খায়রুজ্জামান লিটন এ কথা বলেন। শুক্রবার বিকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছেন। চমৎকার চমৎকার ভবন দিয়েছেন। প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে তার উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। কিন্তু এর বাইরে সিটি করপোরেশনের আওতায় যে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা আছে সেগুলো তো বিগত পাঁচ বছরে হলো না। ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আমি মেয়র থাকাকালে যে উন্নয়ন হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা হারিয়ে গেলাম।’

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে লিটন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে পদ্মা সেতু করে ফেলছেন। তার নেতৃত্বে রাজশাহীকে আমরা এগিয়ে নিতে পারলাম না। আমি আর বাদশা ভাই, দুইজনে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারতাম। রাজশাহীতে আরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে পারতাম। গরুর গাড়ি চলতে এক গরু নয়, দুটো গরু লাগে। আমি আর বাদশা ভাইয়ের ঘাড়ে যদি জোয়ালটা দিতেন, আমরা ঠিক রাজশাহীকে টেনে নিয়ে সামনের দিকে যেতাম।’

‘রাজশাহীকে শিক্ষানগরী বলা হয়। এটা সরকারিভাবে স্বীকৃত নয়। কিন্তু সারাদেশের মানুষই বলে, রাজশাহী শিক্ষানগরী। এটার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দরকার। ফজলে হোসেন বাদশা সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন, আর আপনারা যদি আমাকে একটা সুযোগ করে দেন, ইনশাল্লাহ রাজশাহীকে শিক্ষানগরী হিসেবে ঘোষণা করবো।’ -বলেন লিটন।

তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, শিক্ষানগরী হলেই বা কী, না হলেই বা কী? আমি বলতে চাই, বিশ্বের অনেক শহর আছে, যে শহর শুধুমাত্র শিক্ষাসেবা দিয়েই সারাবিশ্বে নাম করেছে। উচ্চশিক্ষার মান সেখানে চমৎকারভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কাজেই শিক্ষাকে যদি আমরা ব্র্যান্ডিং করতে পারি, তাহলে সার্কভুক্ত দেশ থেকে তো বটেই, বিশ্বের অন্য দেশ থেকেও রাজশাহীতে শিক্ষার্থী আসবে।’

রাজশাহীতে আরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দরকার বলেও মনে করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দরকার। গার্লস ক্যাডেট দরকার। আরও দুটি মেয়েদের এবং দুটি ছেলেদের স্কুল সরকারি করা দরকার। ইতিমধ্যে দুটি রাজশাহী মডেল স্কুল ও বোর্ড মডেল স্কুল সরকারি হয়েছে। কিন্তু রাজশাহীকে ঘিরে আশপাশের জেলার অনেক শিক্ষার্থী আসে। আমরা আরও চারটি স্কুল সরকারি করতে চাই।’

মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগেই রাজশাহীতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আসে। তারপর অনেক বাসাবাড়িতে গ্যাস গেছে। কিন্তু এই মুহুর্তে গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রয়েছে। লিটন বলেন, ‘যারা গ্যাস পাননি, তারা কি গ্যাস চান না? সেটি পেতে হলে নতুন করে চিন্তা করতে হবে। আমাকে যদি আরেকবার সুযোগ দেন, অবশ্যই আপনার বাসাবাড়িতে গ্যাস যাবে।’

সভায় শিক্ষকরা তাদের জন্য আলাদা আবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য দাবি তোলেন। এর প্রেক্ষিতে লিটন বলেন, ‘এটি আমার নির্বাচনি ইশতেহারের প্রথম পাঁচটির মধ্যে থাকবে। আমি মেয়র হলে শিক্ষকদের জন্য ‘শিক্ষক পল্লী’ বা ধরনের কিছু নাম দিয়ে আলাদা আবাসিক এলাকা সিটি করপোরেশন করবে। এই ইচ্ছা আমার আগেও ছিল, এখনও আছে।’

তিনি বলেন, ‘সবই করা সম্ভব। যদি আমাকে আর ফজলে হোসেন বাদশাকে একসঙ্গে দায়িত্বটা দেন।’

সভাপতির বক্তব্যে রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য আমি তার হাতে হাত রেখে কাজ করবো। আগামী দিনে খায়রুজ্জামান লিটন যদি মেয়র হিসেবে ফিরে আসেন, তবে রাজশাহী হবে একটা স্বপ্নের শহর। আমরা নিশ্চয় আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাবো।’

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বাদশা আরও বলেন, ‘খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র থাকাকালে রাজশাহীর যে উন্নয়ন হয়েছে তার সুনাম এখনও আছে। ঢাকায় গেলে সবাই বলে, রাজশাহী একটা পরিচ্ছন্ন শহর। কিন্তু এই শহরের সৌন্দর্য অনেকটাই বিলিন হয়ে গেছে, শুধু গত সিটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হওয়ার কারণে। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি।’

সভায় রাজশাহীর বিভিন্ন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশ নেন। এতে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশাসহ অন্য শিক্ষক নেতারা বক্তব্য দেন। তারা আসন্ন সিটি নির্বাচনে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের ছেলে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে মেয়র নির্বাচিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নগরীর বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান সভা পরিচালনা করেন।