ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দ. কোরিয়ায় ১০০টি খালি কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ১০০ কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব মার্কিন সেনা ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে নিহত হয়েছিল।

সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য এসব স্বল্পকালীন কফিন দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি করা হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তের কোনো একটি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল থেকে দেহাবশেষ গ্রহণ করা হবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, আমরা নিহত সেনাদের দেহাবশেষ গ্রহণে প্রস্তুত এবং তাদেরকে একটা সম্মানজনকভাবে দেশের মাটিতে নিয়ে যেতে চাই।

নিহত সেনাদের দেহাবশেষ নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৫৮টি ধাতব কফিন প্রস্তুত করেছে। তবে এসব সেনার দেহাবশেষ কবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নেয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

গত ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠানের পর পিয়ংইয়ং মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে রাজি হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দ. কোরিয়ায় ১০০টি খালি কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৭:১৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ১০০ কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব মার্কিন সেনা ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে নিহত হয়েছিল।

সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য এসব স্বল্পকালীন কফিন দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি করা হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তের কোনো একটি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল থেকে দেহাবশেষ গ্রহণ করা হবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, আমরা নিহত সেনাদের দেহাবশেষ গ্রহণে প্রস্তুত এবং তাদেরকে একটা সম্মানজনকভাবে দেশের মাটিতে নিয়ে যেতে চাই।

নিহত সেনাদের দেহাবশেষ নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৫৮টি ধাতব কফিন প্রস্তুত করেছে। তবে এসব সেনার দেহাবশেষ কবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নেয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

গত ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠানের পর পিয়ংইয়ং মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে রাজি হয়।