ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

দ. কোরিয়ায় ১০০টি খালি কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ১০০ কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব মার্কিন সেনা ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে নিহত হয়েছিল।

সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য এসব স্বল্পকালীন কফিন দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি করা হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তের কোনো একটি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল থেকে দেহাবশেষ গ্রহণ করা হবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, আমরা নিহত সেনাদের দেহাবশেষ গ্রহণে প্রস্তুত এবং তাদেরকে একটা সম্মানজনকভাবে দেশের মাটিতে নিয়ে যেতে চাই।

নিহত সেনাদের দেহাবশেষ নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৫৮টি ধাতব কফিন প্রস্তুত করেছে। তবে এসব সেনার দেহাবশেষ কবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নেয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

গত ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠানের পর পিয়ংইয়ং মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে রাজি হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন

দ. কোরিয়ায় ১০০টি খালি কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৭:১৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ১০০ কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব মার্কিন সেনা ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে নিহত হয়েছিল।

সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য এসব স্বল্পকালীন কফিন দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি করা হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তের কোনো একটি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল থেকে দেহাবশেষ গ্রহণ করা হবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, আমরা নিহত সেনাদের দেহাবশেষ গ্রহণে প্রস্তুত এবং তাদেরকে একটা সম্মানজনকভাবে দেশের মাটিতে নিয়ে যেতে চাই।

নিহত সেনাদের দেহাবশেষ নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৫৮টি ধাতব কফিন প্রস্তুত করেছে। তবে এসব সেনার দেহাবশেষ কবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নেয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

গত ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠানের পর পিয়ংইয়ং মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে রাজি হয়।