ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

দ. কোরিয়ায় ১০০টি খালি কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ১০০ কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব মার্কিন সেনা ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে নিহত হয়েছিল।

সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য এসব স্বল্পকালীন কফিন দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি করা হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তের কোনো একটি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল থেকে দেহাবশেষ গ্রহণ করা হবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, আমরা নিহত সেনাদের দেহাবশেষ গ্রহণে প্রস্তুত এবং তাদেরকে একটা সম্মানজনকভাবে দেশের মাটিতে নিয়ে যেতে চাই।

নিহত সেনাদের দেহাবশেষ নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৫৮টি ধাতব কফিন প্রস্তুত করেছে। তবে এসব সেনার দেহাবশেষ কবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নেয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

গত ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠানের পর পিয়ংইয়ং মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে রাজি হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দ. কোরিয়ায় ১০০টি খালি কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৭:১৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ১০০ কফিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব মার্কিন সেনা ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে নিহত হয়েছিল।

সেনাদের দেহাবশেষ নেয়ার জন্য এসব স্বল্পকালীন কফিন দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি করা হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তের কোনো একটি বেসামরিকীকরণ অঞ্চল থেকে দেহাবশেষ গ্রহণ করা হবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, আমরা নিহত সেনাদের দেহাবশেষ গ্রহণে প্রস্তুত এবং তাদেরকে একটা সম্মানজনকভাবে দেশের মাটিতে নিয়ে যেতে চাই।

নিহত সেনাদের দেহাবশেষ নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৫৮টি ধাতব কফিন প্রস্তুত করেছে। তবে এসব সেনার দেহাবশেষ কবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নেয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

গত ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠানের পর পিয়ংইয়ং মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে রাজি হয়।