ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুগঞ্জে পেট্রোবাংলার কনডেন্স লাইনে লিকেজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় তিন বছর পর আবারো পেট্রোবাংলার উত্তর-দক্ষিণ ছয় ইঞ্চি ব্যাসার্ধের কনডেন্স তেলের লাইনে লিকেজ হয়ে তেল ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার সকালে আশুগঞ্জের আলমনগর-চরচারতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, অন্তত হাজার লিটার তেল বের হয়েছে এবং লোকজন তার কিছু পরিমাণ সংগ্রহ করে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করেছে।

পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ লিকেজ মেরামত করে। তাদের দাবি, অল্প পরিমাণ তেল নষ্ট হয়েছে। তবে অপর প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লি. (আরপিসিজিএল) ঘটনাটি অবগত নয় বলে জানায়।

আশুগঞ্জ জিটিসিএল সূত্রে গেছে, সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ড থেকে পাওয়া গ্যাসের উপজাত কনডেন্স তেল (ডিজেল জাতীয় অপরিশোধিত তেল) পাম্প করে জিটিসিএল কর্তৃপক্ষ একটি ছয় ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাইনের মাধ্যমে আরপিজিসিএলের আশুগঞ্জ স্টেশনে প্রেরণ করে। এ ট্রান্সমিশন লাইনের দৈর্ঘ্য (বিবিয়ানা-আশুগঞ্জ) প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার।

সোমবার ভোরে এ ট্রান্সমিশন লাইনের আশুগঞ্জের আলমনগর-চরচারতলা এলাকায় ছিদ্র হয়ে তেল ডোবানালায় ছড়িয়ে পড়ে। চাতালকলের শ্রমিকসহ স্থানীয় লোকজন তা কলসি, বোতল, বালতি দিয়ে সংগ্রহ করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ৫০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করে।

পরে খবর পেয়ে জিটিসিএল এর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উক্ত এলাকায় নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীসহ পুলিশ মোতায়েন করে। পরে ট্রান্সমিশন লাইনে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে ছিদ্র মেরামত শেষে আবার পুনরায় তেল সরবরাহ শুরু করে।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. বদরুল আলম তালুকদার বলেন, জিটিসিএর মাধ্যমে খবর পেয়ে উক্ত স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জিটিসিএল আশুগঞ্জ কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ট্রান্সমিশন লাইনের লিকেজ মেরামত করা হয়েছে। তিনি অল্প পরিমাণ তেল নষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করেন।

আরপিসিজিএলের স্থানীয় কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি তিনি অবগত নন। উল্লেখ্য, ২০১৫ সনের এপ্রিল মাসে এ লাইনের একই স্থানেই লিকেজ হয়ে প্রায় দুই হাজার লিটার তেল নষ্ট হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আশুগঞ্জে পেট্রোবাংলার কনডেন্স লাইনে লিকেজ

আপডেট সময় ০৯:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় তিন বছর পর আবারো পেট্রোবাংলার উত্তর-দক্ষিণ ছয় ইঞ্চি ব্যাসার্ধের কনডেন্স তেলের লাইনে লিকেজ হয়ে তেল ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার সকালে আশুগঞ্জের আলমনগর-চরচারতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, অন্তত হাজার লিটার তেল বের হয়েছে এবং লোকজন তার কিছু পরিমাণ সংগ্রহ করে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করেছে।

পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ লিকেজ মেরামত করে। তাদের দাবি, অল্প পরিমাণ তেল নষ্ট হয়েছে। তবে অপর প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লি. (আরপিসিজিএল) ঘটনাটি অবগত নয় বলে জানায়।

আশুগঞ্জ জিটিসিএল সূত্রে গেছে, সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ড থেকে পাওয়া গ্যাসের উপজাত কনডেন্স তেল (ডিজেল জাতীয় অপরিশোধিত তেল) পাম্প করে জিটিসিএল কর্তৃপক্ষ একটি ছয় ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাইনের মাধ্যমে আরপিজিসিএলের আশুগঞ্জ স্টেশনে প্রেরণ করে। এ ট্রান্সমিশন লাইনের দৈর্ঘ্য (বিবিয়ানা-আশুগঞ্জ) প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার।

সোমবার ভোরে এ ট্রান্সমিশন লাইনের আশুগঞ্জের আলমনগর-চরচারতলা এলাকায় ছিদ্র হয়ে তেল ডোবানালায় ছড়িয়ে পড়ে। চাতালকলের শ্রমিকসহ স্থানীয় লোকজন তা কলসি, বোতল, বালতি দিয়ে সংগ্রহ করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ৫০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করে।

পরে খবর পেয়ে জিটিসিএল এর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উক্ত এলাকায় নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীসহ পুলিশ মোতায়েন করে। পরে ট্রান্সমিশন লাইনে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে ছিদ্র মেরামত শেষে আবার পুনরায় তেল সরবরাহ শুরু করে।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. বদরুল আলম তালুকদার বলেন, জিটিসিএর মাধ্যমে খবর পেয়ে উক্ত স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জিটিসিএল আশুগঞ্জ কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ট্রান্সমিশন লাইনের লিকেজ মেরামত করা হয়েছে। তিনি অল্প পরিমাণ তেল নষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করেন।

আরপিসিজিএলের স্থানীয় কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি তিনি অবগত নন। উল্লেখ্য, ২০১৫ সনের এপ্রিল মাসে এ লাইনের একই স্থানেই লিকেজ হয়ে প্রায় দুই হাজার লিটার তেল নষ্ট হয়েছিল।