ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

আহতদের সাহায্য এগিয়ে গেলে ফিলিস্তিনি নার্সকে গুলি করে হত্যা

ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে নিহত ফিলিস্তিনি প্যারামেডিক রাজন আল নাজ্জার-ফিলিস্তিন ক্রনিকলস

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গাজা সীমান্তে আহত বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে যাওয়া এক ফিলিস্তিনি নার্সকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল কুদরা বলেছেন, রাজান আল নাজ্জার নামে ২১ বছর বয়সী ওই নার্স খান ইউনিসে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তার এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৩ জনে।

আল কুদরা বলেন, নাজ্জার ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবী। তার বুকে গুলি লাগার সময় তিনি চিকিৎসাকর্মীদের সাদা ইউনিফর্ম পরা ছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একজন আহত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে গেল তাকে গুলি করে হত্যা করে স্নাইপাররা।

তিনি বলেন, সাদা ইউনিফর্ম পরা নাজ্জার তার দুই হাত উপরে উঠিয়ে আহতদের সাহায্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ইসরাইলি সেনারা তার বুকে গুলি করলে তিনি মাটিতে লুকিয়ে পড়েন।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সূত্র জানায়, শুক্রবার শতাধিক বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪০জনের শরীরে তাজা গুলি লেগেছে।

৭০ বছর আগে তাড়িয়ে দেয়া ভিটেমাটিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার দাবিতে দুই মাস ধরে বিক্ষোভ করছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা। ১৯৪৮ সালে ইহুদি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় সাড়ে সাত লাখ আরব অধিবাসী নিজেদের ভিটেমাটি থেকে বিতাড়িত হন।

পার্শ্ববর্তী আরব দেশ, অধিকৃত পশ্চিমতীর ও অবরুদ্ধ গাজা- এসব আরবরা শরণার্থী হিসেবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চলতে মাসের ১৪ তারিখে ইসরাইলে মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ফিলিস্তিনিরা।

এদিন ইসরাইলি স্নাইপাররা ৬২ নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে। এতে এখন পর্যন্ত কোনো ইসরাইলি সেনা হতাহত হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

আহতদের সাহায্য এগিয়ে গেলে ফিলিস্তিনি নার্সকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০৯:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গাজা সীমান্তে আহত বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে যাওয়া এক ফিলিস্তিনি নার্সকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল কুদরা বলেছেন, রাজান আল নাজ্জার নামে ২১ বছর বয়সী ওই নার্স খান ইউনিসে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তার এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৩ জনে।

আল কুদরা বলেন, নাজ্জার ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবী। তার বুকে গুলি লাগার সময় তিনি চিকিৎসাকর্মীদের সাদা ইউনিফর্ম পরা ছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একজন আহত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে গেল তাকে গুলি করে হত্যা করে স্নাইপাররা।

তিনি বলেন, সাদা ইউনিফর্ম পরা নাজ্জার তার দুই হাত উপরে উঠিয়ে আহতদের সাহায্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ইসরাইলি সেনারা তার বুকে গুলি করলে তিনি মাটিতে লুকিয়ে পড়েন।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সূত্র জানায়, শুক্রবার শতাধিক বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪০জনের শরীরে তাজা গুলি লেগেছে।

৭০ বছর আগে তাড়িয়ে দেয়া ভিটেমাটিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার দাবিতে দুই মাস ধরে বিক্ষোভ করছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা। ১৯৪৮ সালে ইহুদি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় সাড়ে সাত লাখ আরব অধিবাসী নিজেদের ভিটেমাটি থেকে বিতাড়িত হন।

পার্শ্ববর্তী আরব দেশ, অধিকৃত পশ্চিমতীর ও অবরুদ্ধ গাজা- এসব আরবরা শরণার্থী হিসেবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চলতে মাসের ১৪ তারিখে ইসরাইলে মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ফিলিস্তিনিরা।

এদিন ইসরাইলি স্নাইপাররা ৬২ নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে। এতে এখন পর্যন্ত কোনো ইসরাইলি সেনা হতাহত হয়নি।