ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব: গয়েশ্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটাই। আস্থা রাখলেও আসতে হয় না রাখলেও আসতে হয়। তবে আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। গাজীপুর নির্বাচন দেখে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আস্থায় রাখা আপনাদের দায়িত্ব। মানুষ যদি আস্থা না রাখে এবং রাজনৈতিক দল যদি আস্থা হারায় তাহলে আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

গয়েশ্বর আরো বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং বলেছি এসব অভিযোগ মাথায় রাখতে যাতে আগামী গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না সে নির্বাচনেও যদি মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় সেই নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছি। আমরা জানিয়েছি সংসদ সদস্যরা প্রচারণার সুযোগ পেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না।’

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, “এটা জানানোর পর সিইসি আমাদেরকে বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে এ সুযোগ আপনারাও পাবেন।’ কিন্তু, জবাবে আমরা বলেছি, আমরা এই সুযোগ চাই না। আমরা সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব: গয়েশ্বর

আপডেট সময় ০৭:৪৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটাই। আস্থা রাখলেও আসতে হয় না রাখলেও আসতে হয়। তবে আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। গাজীপুর নির্বাচন দেখে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আস্থায় রাখা আপনাদের দায়িত্ব। মানুষ যদি আস্থা না রাখে এবং রাজনৈতিক দল যদি আস্থা হারায় তাহলে আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

গয়েশ্বর আরো বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং বলেছি এসব অভিযোগ মাথায় রাখতে যাতে আগামী গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না সে নির্বাচনেও যদি মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় সেই নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছি। আমরা জানিয়েছি সংসদ সদস্যরা প্রচারণার সুযোগ পেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না।’

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, “এটা জানানোর পর সিইসি আমাদেরকে বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে এ সুযোগ আপনারাও পাবেন।’ কিন্তু, জবাবে আমরা বলেছি, আমরা এই সুযোগ চাই না। আমরা সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই।’