ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব: গয়েশ্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটাই। আস্থা রাখলেও আসতে হয় না রাখলেও আসতে হয়। তবে আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। গাজীপুর নির্বাচন দেখে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আস্থায় রাখা আপনাদের দায়িত্ব। মানুষ যদি আস্থা না রাখে এবং রাজনৈতিক দল যদি আস্থা হারায় তাহলে আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

গয়েশ্বর আরো বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং বলেছি এসব অভিযোগ মাথায় রাখতে যাতে আগামী গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না সে নির্বাচনেও যদি মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় সেই নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছি। আমরা জানিয়েছি সংসদ সদস্যরা প্রচারণার সুযোগ পেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না।’

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, “এটা জানানোর পর সিইসি আমাদেরকে বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে এ সুযোগ আপনারাও পাবেন।’ কিন্তু, জবাবে আমরা বলেছি, আমরা এই সুযোগ চাই না। আমরা সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব: গয়েশ্বর

আপডেট সময় ০৭:৪৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটাই। আস্থা রাখলেও আসতে হয় না রাখলেও আসতে হয়। তবে আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। গাজীপুর নির্বাচন দেখে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আস্থায় রাখা আপনাদের দায়িত্ব। মানুষ যদি আস্থা না রাখে এবং রাজনৈতিক দল যদি আস্থা হারায় তাহলে আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

গয়েশ্বর আরো বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং বলেছি এসব অভিযোগ মাথায় রাখতে যাতে আগামী গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না সে নির্বাচনেও যদি মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় সেই নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছি। আমরা জানিয়েছি সংসদ সদস্যরা প্রচারণার সুযোগ পেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না।’

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, “এটা জানানোর পর সিইসি আমাদেরকে বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে এ সুযোগ আপনারাও পাবেন।’ কিন্তু, জবাবে আমরা বলেছি, আমরা এই সুযোগ চাই না। আমরা সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই।’