আকাশ আইসিটি ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর মধ্য দিয়ে নতুন যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। শুক্রবার রাত ২টা ১৪ মিনিটে দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ বহনকারী রকেট ফ্যালকন-৯ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
উৎক্ষেপণের ৮ মিনিটের মধ্যে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পৌঁছে যায়। ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ মহাকাশে পৌঁছে দিয়ে মাত্র ৩ মিনিট পরই রকেট ফ্যালকন-৯ ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। ৩৩ মিনিটে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ নিজস্ব কক্ষপথে পৌঁছে যায়।
এরপর থেকে স্যাটেলাইটটি নিজ থেকেই কাজ শুরু করবে। উৎক্ষেপণের পরপর স্পেসএক্সের ওয়েবসাইট ও উৎক্ষেপণস্থলে রাখা বড় পর্দায় বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে সেখানে প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়। এর মাধ্যমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের সফল উৎক্ষেপণ করল স্পেসএক্স।
উদ্বোধন ঘোষণার পূর্বে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে কক্ষপথ ভাড়া দেয়ার জন্য রাশিয়ার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে বৃহস্পতিবার কারিগরি ত্রুটির কারণে গতকাল স্থগিত হয়ে গিয়েছিল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ। গত রাতে একাধিকবার সময় পরিবর্তনের পর সব প্রক্রিয়া শেষে শেষ মিনিটের ১৫ সেকেন্ড বাকি থাকার সময় স্পেসএক্সের ক্ষণগননার মেশিন থমকে যায়। অর্থাৎ, রকেটের যাত্রা (স্টার্টআপ মোড) শুরু হওয়ার সময়েই তা বন্ধ হয়ে যায়। স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাতে আর উড়ছে না বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট।
সাধারণত স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সব সময়ই একটি অতিরিক্ত দিন হাতে রাখা হয়। কারণ, প্রথম দিন কোনো সমস্যা হলে যাতে দ্বিতীয় দিনটি কাজে লাগানো যায়। আগে থেকেই স্পেসএক্স জানিয়ে রেখেছিল, দ্বিতীয় দিনটি (ব্যাকআপ ডে) শুক্রবার। আজ (শুক্রবার) রাত ১২টার পর এক টুইট বার্তায় জানিয়েছিল, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সবকিছুই ঠিকঠাক মতো রয়েছে। আবহওয়াও বর্তমানে ৭০ ভাগ অনুকূলে রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মহাকাশে বাংলাদেশের নাম অংকিত হলো। জাতির দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হলো। নতুন সূচনায় বাংলাদেশ!
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















