ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত’:আলী রিয়াজ পুরো বাংলাদেশের কাছে মির্জা আব্বাস বাহিনীর হামলার বিচার দিলাম: নাসীরুদ্দীন চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি: মির্জা আব্বাস শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করলেন শি জিনপিং ইলিয়াস মোল্লাহর জমি–গাড়ি–মার্কেট–ফ্ল্যাট জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ ডেনমার্ক-গ্রিনল্যান্ড নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ‘রাজনীতি শুধু ক্রিকেট নয়, গোটা মানবজাতির ক্ষতি করছে’: সাকলাইন মুশতাক ময়মনসিংহে জনসভায় যোগ দিয়েছেন তারেক রহমান সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলিতে টেকনাফে দুই কিশোর আহত

আমার রাজনীতিই শোষিত ও মেহনতি মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার শিল্পোন্নয়নের পাশাপাশি শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নেও কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা। জাতির জনক যেভাবে মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, আমিও দেশের মানুষের জন্য কাজ করছি। আমার রাজনীতিই শ্রমিক শোষিত মেহনতি মানুষের জন্য।

মহান মে দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জাতির জনককে স্মরণ করে বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু পরিত্যক্ত সব কলকারখানা চালু করেছিলেন। তিনি মে দিবসের ছুটি ঘোষণা করেন। শোষিত, বঞ্চিত ও শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ অনুসরণ করে বর্তমান সরকারও কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানে যেন শান্তি থাকে, শ্রমিকরা যেন উৎপাদনমুখী হয় এবং পোশাক খাতের যেন উন্নয়ন হয়, সেজন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। নারী শ্রমিকদের জন্য যত কিছু দরকার আমরা করেছি। বন্ধ থাকা শিল্প কারখানা পর্যায়ক্রমে চালু হবে। আমরা দেশের খেটে খাওয়া ও মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করছি। তেলে মাথায় তেল দিতে আসিনি।

পোশাখ খাতের দু’একটি দুর্ঘটনার জন্য দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যেন আর এমন অবস্থায় পড়তে না হয়, সে লক্ষ্যে শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

এসময় মালিক-শ্রমিকদের পরস্পরের প্রতি আন্তরিক হওয়ারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শ্রমিকদের নেতৃত্ব দেওয়ার নামে অনেকের বিদেশিদের কাছে নালিশ প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, কিছু হলেই বাইরে গিয়ে বদনাম করা যে দেশের ভাবমূর্তির জন্য কতোটা ক্ষতিকর, তারা তা বোঝেন না। শুধু নালিশই করেন। আমি একটা কথা বলে দিতে চাই, বাইরে কারও কাছে নালিশ করে কোনও সুবিধা হবে না।।

এসময় বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে পোশাক খাত অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছিল। রমজানে শ্রমিকদের বুকে গুলি চালিয়েছিল বিএনপির সরকার।

শ্রমিক নেতাদের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা শ্রমিক নেতা সেজে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নালিশ করেন, তারা মনে রাখবেন যতদিন ক্ষমতায় আছি, বিদেশে নালিশ করে তাদের বেশি সুবিধা হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধুর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে মহান মে দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু ব্যক্তি আছেন, তারা নেতা সেজে বসে আছেন। একটি টিকিটের জন্য কিছু হলেই তারা বিদেশিদের কাছে নালিশ করেন। তাদের বলছি, আমি যতদিন ক্ষমতায় আছি, বাইরে নালিশ করে বেশি সুবিধা হবে না।’

শ্রমিক নেতাদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য, কিছু কিছু শ্রমিক নেতা সেজে শ্রমিকদের ওপর খরবদারি করেন। কোনও কিছু হলেই বিদেশিদের কাছে গিয়ে নালিশ করেন। দেশের বদনামটা তুলে ধরেন। আর এই বদনাম করতে গিয়ে হয়তো একখানা টিকিট বিনা পয়সায় পান। বিদেশে থাকার একটু সুযোগ পান। একটু যেতে পারেন। সামান্য সুযোগের জন্য দেশের বদনামটা বাইরে গিয়ে করাটা নিজের দেশের জন্য যে কত ক্ষতিকর, সেটা তাদের অনেকেই বুঝতে পারেন না। এটাই হচ্ছে আমাদের সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়।’

দেশের প্রতি ভালবাসা ও দেশপ্রেম থাকতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশকে গড়ে তুলতে চাই। দেশের মেহনতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা আমাদের সরকারের লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধু দেশের সব শিল্পকারখানা জাতীয়করণ করেছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার রাজনীতি হলো, এদেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য। আমি তেল মাথায় তেল দিতে আসিনি। সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এসেছি। শিল্প প্রতিষ্ঠানের শান্তি রক্ষার জন্য আমরা কাজ করছি। শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে কাজ করছি। তাদের জন্য তহবিল গঠন করা হয়েছে। বন্ধ কলকারখানা আমরা চালু করছি।’

তিনি বলেন, মালিক-শ্রমিকদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। অনেক আন্তর্জাতিক চাপ আছে। বাইরে থেকে কেউ উসকে দিলে সেখানে তাণ্ডব শুরু হয়ে গেল এমন ঘটনা যেন না ঘটে। সেই ব্যাপারে আমি সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি। আমি বলব, নিজের চাকরি ও কাজের ক্ষেত্র যেন কোনোমতেই ধ্বংস না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি শ্রমজীবীদের বলব, যে কারখানা আপনার রোজগারের ব্যবস্থা করে। আপনার ভাত খাওয়ার ব্যবস্থা করে। সেই কারখানা যেন ঠিকমতো চলে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। সেখানে যেন কোনও অশান্তি সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে অনুরোধ করবো। একটা ভরসা রাখবেন, আপনাদের কোনও অসুবিধা হলে আমি তো আছি। আমি নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি। আপনাদের ভাগ্য গড়তে এসেছি। আপনাদের কোনো সমস্যা হলে আমি দেখবো।

মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মালিকদের প্রতি আমার অনুরোধ, যে শ্রমিকরা শ্রম দিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আপনার জন্য উৎপাদন করেন। আপনি ব্যবসা করেন। আপনি ও আপনার পরিবার ভালো থাকে সেই শ্রমজীবী মানুষের প্রতিও আপনাদের আন্তরিক হতে হবে। তাদের প্রতি কর্তব্যে কোনও ত্রুটি না হয় তা দেখতে হবে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিহত শ্রমিকদের পরিবার, আহত শ্রমিক ও শ্রমিকদের মেধাবী সন্তানদের মাঝে চেক বিতরণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দোয়াই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেয়

আমার রাজনীতিই শোষিত ও মেহনতি মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:২৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার শিল্পোন্নয়নের পাশাপাশি শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নেও কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা। জাতির জনক যেভাবে মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, আমিও দেশের মানুষের জন্য কাজ করছি। আমার রাজনীতিই শ্রমিক শোষিত মেহনতি মানুষের জন্য।

মহান মে দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জাতির জনককে স্মরণ করে বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু পরিত্যক্ত সব কলকারখানা চালু করেছিলেন। তিনি মে দিবসের ছুটি ঘোষণা করেন। শোষিত, বঞ্চিত ও শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ অনুসরণ করে বর্তমান সরকারও কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানে যেন শান্তি থাকে, শ্রমিকরা যেন উৎপাদনমুখী হয় এবং পোশাক খাতের যেন উন্নয়ন হয়, সেজন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। নারী শ্রমিকদের জন্য যত কিছু দরকার আমরা করেছি। বন্ধ থাকা শিল্প কারখানা পর্যায়ক্রমে চালু হবে। আমরা দেশের খেটে খাওয়া ও মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করছি। তেলে মাথায় তেল দিতে আসিনি।

পোশাখ খাতের দু’একটি দুর্ঘটনার জন্য দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যেন আর এমন অবস্থায় পড়তে না হয়, সে লক্ষ্যে শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

এসময় মালিক-শ্রমিকদের পরস্পরের প্রতি আন্তরিক হওয়ারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শ্রমিকদের নেতৃত্ব দেওয়ার নামে অনেকের বিদেশিদের কাছে নালিশ প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, কিছু হলেই বাইরে গিয়ে বদনাম করা যে দেশের ভাবমূর্তির জন্য কতোটা ক্ষতিকর, তারা তা বোঝেন না। শুধু নালিশই করেন। আমি একটা কথা বলে দিতে চাই, বাইরে কারও কাছে নালিশ করে কোনও সুবিধা হবে না।।

এসময় বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে পোশাক খাত অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছিল। রমজানে শ্রমিকদের বুকে গুলি চালিয়েছিল বিএনপির সরকার।

শ্রমিক নেতাদের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা শ্রমিক নেতা সেজে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নালিশ করেন, তারা মনে রাখবেন যতদিন ক্ষমতায় আছি, বিদেশে নালিশ করে তাদের বেশি সুবিধা হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধুর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে মহান মে দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু ব্যক্তি আছেন, তারা নেতা সেজে বসে আছেন। একটি টিকিটের জন্য কিছু হলেই তারা বিদেশিদের কাছে নালিশ করেন। তাদের বলছি, আমি যতদিন ক্ষমতায় আছি, বাইরে নালিশ করে বেশি সুবিধা হবে না।’

শ্রমিক নেতাদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য, কিছু কিছু শ্রমিক নেতা সেজে শ্রমিকদের ওপর খরবদারি করেন। কোনও কিছু হলেই বিদেশিদের কাছে গিয়ে নালিশ করেন। দেশের বদনামটা তুলে ধরেন। আর এই বদনাম করতে গিয়ে হয়তো একখানা টিকিট বিনা পয়সায় পান। বিদেশে থাকার একটু সুযোগ পান। একটু যেতে পারেন। সামান্য সুযোগের জন্য দেশের বদনামটা বাইরে গিয়ে করাটা নিজের দেশের জন্য যে কত ক্ষতিকর, সেটা তাদের অনেকেই বুঝতে পারেন না। এটাই হচ্ছে আমাদের সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়।’

দেশের প্রতি ভালবাসা ও দেশপ্রেম থাকতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশকে গড়ে তুলতে চাই। দেশের মেহনতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা আমাদের সরকারের লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধু দেশের সব শিল্পকারখানা জাতীয়করণ করেছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার রাজনীতি হলো, এদেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য। আমি তেল মাথায় তেল দিতে আসিনি। সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এসেছি। শিল্প প্রতিষ্ঠানের শান্তি রক্ষার জন্য আমরা কাজ করছি। শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে কাজ করছি। তাদের জন্য তহবিল গঠন করা হয়েছে। বন্ধ কলকারখানা আমরা চালু করছি।’

তিনি বলেন, মালিক-শ্রমিকদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। অনেক আন্তর্জাতিক চাপ আছে। বাইরে থেকে কেউ উসকে দিলে সেখানে তাণ্ডব শুরু হয়ে গেল এমন ঘটনা যেন না ঘটে। সেই ব্যাপারে আমি সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি। আমি বলব, নিজের চাকরি ও কাজের ক্ষেত্র যেন কোনোমতেই ধ্বংস না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি শ্রমজীবীদের বলব, যে কারখানা আপনার রোজগারের ব্যবস্থা করে। আপনার ভাত খাওয়ার ব্যবস্থা করে। সেই কারখানা যেন ঠিকমতো চলে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। সেখানে যেন কোনও অশান্তি সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে অনুরোধ করবো। একটা ভরসা রাখবেন, আপনাদের কোনও অসুবিধা হলে আমি তো আছি। আমি নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি। আপনাদের ভাগ্য গড়তে এসেছি। আপনাদের কোনো সমস্যা হলে আমি দেখবো।

মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মালিকদের প্রতি আমার অনুরোধ, যে শ্রমিকরা শ্রম দিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আপনার জন্য উৎপাদন করেন। আপনি ব্যবসা করেন। আপনি ও আপনার পরিবার ভালো থাকে সেই শ্রমজীবী মানুষের প্রতিও আপনাদের আন্তরিক হতে হবে। তাদের প্রতি কর্তব্যে কোনও ত্রুটি না হয় তা দেখতে হবে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিহত শ্রমিকদের পরিবার, আহত শ্রমিক ও শ্রমিকদের মেধাবী সন্তানদের মাঝে চেক বিতরণ করেন।