ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, ফুফা আটক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৩ বছরের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় অভিযুক্ত ফুপা জালাল হোসেনকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর পৌনে ২টায় তাকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী কিশোরীর স্বজনরা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে জালাল হোসেনকে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) জহুরুল হক জানান, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েটি কয়েক মাস আগে উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নে ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে জালাল ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ভয়ভীতি দেখানোয় মেয়েটি এ কথা কাউকে জানায়নি। সালমা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে সঠিক তারিখ বলতে পারছে না। মেয়েটির মা-ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।

মেয়েটির স্বজনরা শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার কাছে জানতে চাইলে সে হাতের ইশারা দিয়ে কথাগুলো স্বীকার করে। তারপর পাবনা একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট এ জানা যায়, সে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

প্রতিবন্ধী মেয়েটির দেয়া তথ্য মতে মঙ্গলবার জালালের বাড়িতে গিয়ে স্বজনরা এ বিষয়ে জানতে চায়। এ সময় জালাল পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী ও মেয়েটির স্বজনরা তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

ভিক্টিমকে প্রাথমিক পেগনেনসি টেস্টের মাধ্যমে জানা গেছে, সে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যতা নির্ণয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন জানান, প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার দুপুরে আটককৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, ফুফা আটক

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৩ বছরের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় অভিযুক্ত ফুপা জালাল হোসেনকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর পৌনে ২টায় তাকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী কিশোরীর স্বজনরা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে জালাল হোসেনকে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) জহুরুল হক জানান, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েটি কয়েক মাস আগে উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নে ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে জালাল ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ভয়ভীতি দেখানোয় মেয়েটি এ কথা কাউকে জানায়নি। সালমা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে সঠিক তারিখ বলতে পারছে না। মেয়েটির মা-ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।

মেয়েটির স্বজনরা শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার কাছে জানতে চাইলে সে হাতের ইশারা দিয়ে কথাগুলো স্বীকার করে। তারপর পাবনা একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট এ জানা যায়, সে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

প্রতিবন্ধী মেয়েটির দেয়া তথ্য মতে মঙ্গলবার জালালের বাড়িতে গিয়ে স্বজনরা এ বিষয়ে জানতে চায়। এ সময় জালাল পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী ও মেয়েটির স্বজনরা তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

ভিক্টিমকে প্রাথমিক পেগনেনসি টেস্টের মাধ্যমে জানা গেছে, সে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যতা নির্ণয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন জানান, প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার দুপুরে আটককৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।