অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে কিশোরীকে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিতার চিৎকারে স্থানীয়রা এক যুবককে আটক করে । খবর পেয়ে অভিযুক্তের সহযোগীরা নির্যাতিতার বাড়ি থেকে অভিযুক্ত যুবককে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তারা নির্যাতিতার পরিবারের লোকজনদের মারধর করেন। পরে পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগে ওই যুবককে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।
অভিযুক্ত মো. তোতা উপজেলার মছাপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রব সরকারের ছেলে। অভিযুক্তের সহযোগীরা হলেন ওই ইউনিয়নের মো. বাদশা, মো. দিদার, মো. রায়হান ও মো. জাহাঙ্গীর।
রোববার সকালে নির্যাতিতা কিশোরী বাদী হয়ে অভিযুক্ত তোতাকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে। ওই দিন তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এরআগে শনিবার রাতে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে নির্যাতিতা কিশোরীকে তার বাড়িতে ধর্ষণ করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাতে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে নির্যাতিতার বাড়িতে ঢুকে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে ওই কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা অভিযুক্ত তোতাকে নির্যাতিতার বাড়িতে আটক করে। এ খবর শুনে অভিযুক্ত তোতার লোকজন দুই মোটসাইকেলে ওই কিশোরীর বাড়িতে যায়। তোতার লোকজন প্রথমে নির্যাতিত কিশোরী ও তার পরিবারের লোকজনকে পিটিয়ে আহত করে তোতাকে ওই বাড়ি থেকে কমান্ডো স্টাইলে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
রাতেই চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটন পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন। পুলিশ সংবাদ পেয়ে মুছাপুর তার বাড়ি থেকে অভিযুক্ত তোতাকে আটক করে।
মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই উক্যসিং মার্মা জানান, রোববার দুপুরে নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে নির্যাতিতা কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত তোতাকে নোয়াখালীর বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























