অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বগুড়ায় চেক জালিয়াতির দুটি মামলায় শিবগঞ্জের হাবিবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক রওশন আরা নার্গিসকে (৩৮) দুই বছর জেল ও সাড়ে ২৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে রায় ঘোষণার আগেই তিনি হাজিরা দিয়ে আদালত থেকে পালিয়ে যান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়ার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ শওকত আলী এ রায় দেন। গ্রেফতারের পর থেকে তার সাজা কার্যকর হবে।
এজাহার সূত্র জানায়, প্রভাষক রওশন আরা নার্গিস বগুড়া শহরের হাকির মোড় এলাকার মৃত তৈয়বের রহমানের মেয়ে। তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বগুড়ার সোনাতলার আড়িয়া চকনন্দন গ্রামের আবদুল হান্নানের কাছে ১২ লাখ টাকা ধার নেন। টাকাগুলো পরিশোধে গত ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংক মোকামতলা শাখায় নিজ হিসাবের অনুকূলে ১২ লাখ টাকার চেক দেন।
আবদুল হান্নান চেকটি জনতা ব্যাংক সোনাতলা শাখায় জমা দিলে প্রত্যাখ্যাত হয়। বাধ্য হয়ে তিনি ওই বছরের ২৭ মার্চ বগুড়ার তৃতীয় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রভাষক রওশন আরা নার্গিসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে যায়।
বৃহস্পতিবার ধার্য তারিখে নার্গিস আদালতে হাজিরা দিয়ে সটকে পড়েন। পরে বিচারক তাকে এক বছর জেল ও ১২ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
এছাড়া প্রভাষক নার্গিস সুসম্পর্কের সুবাদে সোনাতলা উপজেলার রানীরপাড়া গ্রামের নুরুন্নবী বজলুর কাছে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। তিনি ২০১৬ সালের ১৫ মে চেক দেন ও ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তা উল্লেখ করেন। ২২ মে চেক জনতা ব্যাংক সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দিলে তা প্রত্যাখ্যাত হয়।
পরবর্তীতে নুরুন্নবী বজলু আদালতে মামলা করেন। বৃহস্পতিবার প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ রায়ে প্রভাষক নার্গিসকে এক বছর জেল ও সাড়ে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
আদালতের এপিপি জানান, আসামি হাজিরা দিয়ে পালিয়ে গেছেন। তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে। গ্রেফতারের পর থেকে তার সাজা কার্যকর হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















