ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে: খালেক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘পাঁচ বছরে আমি কতটা কাজ করেছিলাম, আর পরের মেয়র কী করেছেন, সেটি এখন তুলনা করতে পারবে মানুষ।’

খুলনা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন তালুকদার আবদুল খালেক। ২০০৮ সালে মহানগরে মেয়র নির্বাচিত হলেও ২০১৩ সালে তিনি হেরে যান বড় ব্যবধানে।

তবে মেয়র থাকাকালে পাঁচ বছরে খালেক খুলনার চেহারাই অনেকটা পাল্টে দিয়েছিলেন। উন্নয়ন নিয়ে তেমন ক্ষোভ না থাকলেও অন্যান্য নানা সমীকরণ আর দলের একাংশের বিরোধিতায় হারতে হয় তাকে।

ওই নির্বাচনে হারার পর ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৩ (মংলা-রামপাল) আসনে সহজ জয় পান খালেক। সেই সদস্যপদ ছাড়িয়ে তাকে মেয়র পদে ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।

পাঁচ বছর আগে ৬০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। এখন কোন ভরসায় সংসদ সদস্যপদ ছেড়ে খুলনায় আবার নির্বাচন করতে আসছেন-সেই একটি বড় প্রশ্ন।

জানতে চাইলে খালেক বলেন, পাঁচ বছর আগের পরিণতি হবে না বলে তিনি আশাবাদী। বলেন, ‘আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ, খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে।’

‘আমি পাঁচ বছর মেয়র ছিলাম। আমার পরে আরেকজন মেয়র হয়েছিলেন। তিনি কতটুকু কাজ করছেন তা এখন মানুষ জানে। আমি মনে করি মানুষ উন্নয়নের পক্ষে। উন্নয়নের জন্য তাঁরা আমাকে ভোট দেবে।’

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খুলনার মেয়র হিসেবে মহানগরে দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছিলেন খালেক। তার বিরুদ্ধে বড় কোনো অভিযোগ না থাকলেও দলের একটি অংশের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়।

আর ২০১৩ সালের নির্বাচনে দলের ওই অংশের নীরব বিরোধিতায় খালেক হেরে গিয়েছিলেন বলে প্রচার আছে। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। খুলনা আওয়ামী লীগ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে খালেককে মনোনয়ন দেয়ার প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠায়। আর দলের মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার দেয়া নেতাদের বেশিরভাগই মত দেন, খুলনায় জিততে হলে খালেককেই দরকার।

খালেক দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নেত্রী মনোনয়ন প্রত্যাশী ও মহানগর এবং জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত সকলেই আমাকে সমর্থন করেন। নেত্রী তখন বললেন, সবাই যখন একজনকে সমর্থন দিয়েছেন তখন মনোনয়ন বোর্ড তাকেই (আমাকে)মনোনয়ন দেব।’

পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে দলের ভেতরে একাংশের বিরোধিতার বিষয়ে জানতে চাইলে খালেক বনে, ‘প্রার্থী যতই জনপ্রিয় থাকুন না কেন, কিন্তু দলীয় কোন্দল থাকলে, নেতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ না করলে প্রার্থীর বিজয় নাও হতে পারে। কিন্তু এবার সকলেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। নেত্রীর সামনেই তাঁরা কথা দিয়েছে।’

অবশ্য বিএনপিও মেয়র মনিকে আর প্রার্থী করেনি। পাঁচ বছরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করতে না পারার পর দলটি এবার মনোনয়ন দিয়েছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে: খালেক

আপডেট সময় ০১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘পাঁচ বছরে আমি কতটা কাজ করেছিলাম, আর পরের মেয়র কী করেছেন, সেটি এখন তুলনা করতে পারবে মানুষ।’

খুলনা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন তালুকদার আবদুল খালেক। ২০০৮ সালে মহানগরে মেয়র নির্বাচিত হলেও ২০১৩ সালে তিনি হেরে যান বড় ব্যবধানে।

তবে মেয়র থাকাকালে পাঁচ বছরে খালেক খুলনার চেহারাই অনেকটা পাল্টে দিয়েছিলেন। উন্নয়ন নিয়ে তেমন ক্ষোভ না থাকলেও অন্যান্য নানা সমীকরণ আর দলের একাংশের বিরোধিতায় হারতে হয় তাকে।

ওই নির্বাচনে হারার পর ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৩ (মংলা-রামপাল) আসনে সহজ জয় পান খালেক। সেই সদস্যপদ ছাড়িয়ে তাকে মেয়র পদে ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।

পাঁচ বছর আগে ৬০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। এখন কোন ভরসায় সংসদ সদস্যপদ ছেড়ে খুলনায় আবার নির্বাচন করতে আসছেন-সেই একটি বড় প্রশ্ন।

জানতে চাইলে খালেক বলেন, পাঁচ বছর আগের পরিণতি হবে না বলে তিনি আশাবাদী। বলেন, ‘আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ, খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে।’

‘আমি পাঁচ বছর মেয়র ছিলাম। আমার পরে আরেকজন মেয়র হয়েছিলেন। তিনি কতটুকু কাজ করছেন তা এখন মানুষ জানে। আমি মনে করি মানুষ উন্নয়নের পক্ষে। উন্নয়নের জন্য তাঁরা আমাকে ভোট দেবে।’

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খুলনার মেয়র হিসেবে মহানগরে দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছিলেন খালেক। তার বিরুদ্ধে বড় কোনো অভিযোগ না থাকলেও দলের একটি অংশের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়।

আর ২০১৩ সালের নির্বাচনে দলের ওই অংশের নীরব বিরোধিতায় খালেক হেরে গিয়েছিলেন বলে প্রচার আছে। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। খুলনা আওয়ামী লীগ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে খালেককে মনোনয়ন দেয়ার প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠায়। আর দলের মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার দেয়া নেতাদের বেশিরভাগই মত দেন, খুলনায় জিততে হলে খালেককেই দরকার।

খালেক দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নেত্রী মনোনয়ন প্রত্যাশী ও মহানগর এবং জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত সকলেই আমাকে সমর্থন করেন। নেত্রী তখন বললেন, সবাই যখন একজনকে সমর্থন দিয়েছেন তখন মনোনয়ন বোর্ড তাকেই (আমাকে)মনোনয়ন দেব।’

পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে দলের ভেতরে একাংশের বিরোধিতার বিষয়ে জানতে চাইলে খালেক বনে, ‘প্রার্থী যতই জনপ্রিয় থাকুন না কেন, কিন্তু দলীয় কোন্দল থাকলে, নেতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ না করলে প্রার্থীর বিজয় নাও হতে পারে। কিন্তু এবার সকলেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। নেত্রীর সামনেই তাঁরা কথা দিয়েছে।’

অবশ্য বিএনপিও মেয়র মনিকে আর প্রার্থী করেনি। পাঁচ বছরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করতে না পারার পর দলটি এবার মনোনয়ন দিয়েছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে।