ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে: খালেক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘পাঁচ বছরে আমি কতটা কাজ করেছিলাম, আর পরের মেয়র কী করেছেন, সেটি এখন তুলনা করতে পারবে মানুষ।’

খুলনা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন তালুকদার আবদুল খালেক। ২০০৮ সালে মহানগরে মেয়র নির্বাচিত হলেও ২০১৩ সালে তিনি হেরে যান বড় ব্যবধানে।

তবে মেয়র থাকাকালে পাঁচ বছরে খালেক খুলনার চেহারাই অনেকটা পাল্টে দিয়েছিলেন। উন্নয়ন নিয়ে তেমন ক্ষোভ না থাকলেও অন্যান্য নানা সমীকরণ আর দলের একাংশের বিরোধিতায় হারতে হয় তাকে।

ওই নির্বাচনে হারার পর ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৩ (মংলা-রামপাল) আসনে সহজ জয় পান খালেক। সেই সদস্যপদ ছাড়িয়ে তাকে মেয়র পদে ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।

পাঁচ বছর আগে ৬০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। এখন কোন ভরসায় সংসদ সদস্যপদ ছেড়ে খুলনায় আবার নির্বাচন করতে আসছেন-সেই একটি বড় প্রশ্ন।

জানতে চাইলে খালেক বলেন, পাঁচ বছর আগের পরিণতি হবে না বলে তিনি আশাবাদী। বলেন, ‘আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ, খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে।’

‘আমি পাঁচ বছর মেয়র ছিলাম। আমার পরে আরেকজন মেয়র হয়েছিলেন। তিনি কতটুকু কাজ করছেন তা এখন মানুষ জানে। আমি মনে করি মানুষ উন্নয়নের পক্ষে। উন্নয়নের জন্য তাঁরা আমাকে ভোট দেবে।’

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খুলনার মেয়র হিসেবে মহানগরে দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছিলেন খালেক। তার বিরুদ্ধে বড় কোনো অভিযোগ না থাকলেও দলের একটি অংশের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়।

আর ২০১৩ সালের নির্বাচনে দলের ওই অংশের নীরব বিরোধিতায় খালেক হেরে গিয়েছিলেন বলে প্রচার আছে। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। খুলনা আওয়ামী লীগ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে খালেককে মনোনয়ন দেয়ার প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠায়। আর দলের মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার দেয়া নেতাদের বেশিরভাগই মত দেন, খুলনায় জিততে হলে খালেককেই দরকার।

খালেক দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নেত্রী মনোনয়ন প্রত্যাশী ও মহানগর এবং জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত সকলেই আমাকে সমর্থন করেন। নেত্রী তখন বললেন, সবাই যখন একজনকে সমর্থন দিয়েছেন তখন মনোনয়ন বোর্ড তাকেই (আমাকে)মনোনয়ন দেব।’

পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে দলের ভেতরে একাংশের বিরোধিতার বিষয়ে জানতে চাইলে খালেক বনে, ‘প্রার্থী যতই জনপ্রিয় থাকুন না কেন, কিন্তু দলীয় কোন্দল থাকলে, নেতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ না করলে প্রার্থীর বিজয় নাও হতে পারে। কিন্তু এবার সকলেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। নেত্রীর সামনেই তাঁরা কথা দিয়েছে।’

অবশ্য বিএনপিও মেয়র মনিকে আর প্রার্থী করেনি। পাঁচ বছরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করতে না পারার পর দলটি এবার মনোনয়ন দিয়েছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে: খালেক

আপডেট সময় ০১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘পাঁচ বছরে আমি কতটা কাজ করেছিলাম, আর পরের মেয়র কী করেছেন, সেটি এখন তুলনা করতে পারবে মানুষ।’

খুলনা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন তালুকদার আবদুল খালেক। ২০০৮ সালে মহানগরে মেয়র নির্বাচিত হলেও ২০১৩ সালে তিনি হেরে যান বড় ব্যবধানে।

তবে মেয়র থাকাকালে পাঁচ বছরে খালেক খুলনার চেহারাই অনেকটা পাল্টে দিয়েছিলেন। উন্নয়ন নিয়ে তেমন ক্ষোভ না থাকলেও অন্যান্য নানা সমীকরণ আর দলের একাংশের বিরোধিতায় হারতে হয় তাকে।

ওই নির্বাচনে হারার পর ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৩ (মংলা-রামপাল) আসনে সহজ জয় পান খালেক। সেই সদস্যপদ ছাড়িয়ে তাকে মেয়র পদে ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।

পাঁচ বছর আগে ৬০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। এখন কোন ভরসায় সংসদ সদস্যপদ ছেড়ে খুলনায় আবার নির্বাচন করতে আসছেন-সেই একটি বড় প্রশ্ন।

জানতে চাইলে খালেক বলেন, পাঁচ বছর আগের পরিণতি হবে না বলে তিনি আশাবাদী। বলেন, ‘আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ, খুলনার মানুষ এখন তুলনা করতে পারবে।’

‘আমি পাঁচ বছর মেয়র ছিলাম। আমার পরে আরেকজন মেয়র হয়েছিলেন। তিনি কতটুকু কাজ করছেন তা এখন মানুষ জানে। আমি মনে করি মানুষ উন্নয়নের পক্ষে। উন্নয়নের জন্য তাঁরা আমাকে ভোট দেবে।’

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খুলনার মেয়র হিসেবে মহানগরে দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছিলেন খালেক। তার বিরুদ্ধে বড় কোনো অভিযোগ না থাকলেও দলের একটি অংশের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়।

আর ২০১৩ সালের নির্বাচনে দলের ওই অংশের নীরব বিরোধিতায় খালেক হেরে গিয়েছিলেন বলে প্রচার আছে। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। খুলনা আওয়ামী লীগ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে খালেককে মনোনয়ন দেয়ার প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠায়। আর দলের মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার দেয়া নেতাদের বেশিরভাগই মত দেন, খুলনায় জিততে হলে খালেককেই দরকার।

খালেক দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নেত্রী মনোনয়ন প্রত্যাশী ও মহানগর এবং জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত সকলেই আমাকে সমর্থন করেন। নেত্রী তখন বললেন, সবাই যখন একজনকে সমর্থন দিয়েছেন তখন মনোনয়ন বোর্ড তাকেই (আমাকে)মনোনয়ন দেব।’

পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে দলের ভেতরে একাংশের বিরোধিতার বিষয়ে জানতে চাইলে খালেক বনে, ‘প্রার্থী যতই জনপ্রিয় থাকুন না কেন, কিন্তু দলীয় কোন্দল থাকলে, নেতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ না করলে প্রার্থীর বিজয় নাও হতে পারে। কিন্তু এবার সকলেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। নেত্রীর সামনেই তাঁরা কথা দিয়েছে।’

অবশ্য বিএনপিও মেয়র মনিকে আর প্রার্থী করেনি। পাঁচ বছরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করতে না পারার পর দলটি এবার মনোনয়ন দিয়েছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে।