ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যত শিক্ষিত, তত মিথ্যাবাদী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পড়ালেখা মানুষকে জ্ঞানী করে তোলে। সাহায্য করে আরো সামাজিক, মানবিক ও সভ্য হতে। এটাই সচরাচর আমরা জানি। কিন্তু পড়ালেখা নাকি মানুষকে মিথ্যাবাদী করে তোলে! এও কি সম্ভব! পড়ালেখার সঙ্গে মিথ্যার এই মাখামাখির কথা শুনে হকচকিয়ে যাওয়ার কিছুই নেই। কারণ, বিশেষজ্ঞরা বেশ কাল-ঘাম খরচ করে গবেষণার পরে জানিয়েছেন এই তথ্য।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ছয় হাজার জনের ওপর একটি জরিপ চালান যুক্তরাজ্যের মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। গবেষণায় বেরিয়ে আসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের থেকে যাঁরা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেননি, তাঁদের সততার মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষিত মানুষ মিথ্যা বলার আগে ধরা খাওয়ার হিসাব-নিকাশ করে নেন। তাই মিথ্যায় একপ্রকার পারদর্শী হয়ে ওঠেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, মিথ্যার পারদর্শিতা অর্জনে কোনো বয়স-কাল লাগে না। শিক্ষিত হলেই হলো। তবে নারীদের থেকে পুরুষ শিক্ষিতরাই সূক্ষ্মভাবে মিথ্যা বলতে বেশি দক্ষ।

গবেষকরা বলছেন, আপনি যদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হন, তাহলে ধরে নিন আপনার মিথ্যা বলার দক্ষতা সবচেয়ে বেশি। মিথ্যার পারদর্শিতায় এরপরই আছেন স্নাতক ডিগ্রিধারীরা। যাঁরা বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা মিথ্যা বলে মোটামুটি চালিয়ে নিতে পারেন। তবে মিথ্যার ক্ষেত্রে একটু সাবধান হতে হবে উচ্চ মাধ্যমিক পাস ব্যক্তিদের। কারণ, মিথ্যা বলায় তাঁরা একটু কমই পটু। আর আপনি যদি স্কুল পাস না করে থাকেন, তাহলে আপনাকে এঁদের মধ্যে সবচেয়ে সৎ বলতেই হবে।

এ বিষয়ে গবেষক ড. ভ্যালেরিও ক্যাপরারো জানান, মিথ্যা বলার আগে মানুষকে এর ফল সম্পর্কে সচেতন হতে হয়। এই সচেতনতার জন্য তাকে বেশ হিসাব-নিকাশ করতে হয়, যে দক্ষতা একজন শিক্ষিত মানুষের মধ্যেই বেশি পাওয়া যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যত শিক্ষিত, তত মিথ্যাবাদী

আপডেট সময় ০৭:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পড়ালেখা মানুষকে জ্ঞানী করে তোলে। সাহায্য করে আরো সামাজিক, মানবিক ও সভ্য হতে। এটাই সচরাচর আমরা জানি। কিন্তু পড়ালেখা নাকি মানুষকে মিথ্যাবাদী করে তোলে! এও কি সম্ভব! পড়ালেখার সঙ্গে মিথ্যার এই মাখামাখির কথা শুনে হকচকিয়ে যাওয়ার কিছুই নেই। কারণ, বিশেষজ্ঞরা বেশ কাল-ঘাম খরচ করে গবেষণার পরে জানিয়েছেন এই তথ্য।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ছয় হাজার জনের ওপর একটি জরিপ চালান যুক্তরাজ্যের মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। গবেষণায় বেরিয়ে আসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের থেকে যাঁরা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেননি, তাঁদের সততার মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষিত মানুষ মিথ্যা বলার আগে ধরা খাওয়ার হিসাব-নিকাশ করে নেন। তাই মিথ্যায় একপ্রকার পারদর্শী হয়ে ওঠেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, মিথ্যার পারদর্শিতা অর্জনে কোনো বয়স-কাল লাগে না। শিক্ষিত হলেই হলো। তবে নারীদের থেকে পুরুষ শিক্ষিতরাই সূক্ষ্মভাবে মিথ্যা বলতে বেশি দক্ষ।

গবেষকরা বলছেন, আপনি যদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হন, তাহলে ধরে নিন আপনার মিথ্যা বলার দক্ষতা সবচেয়ে বেশি। মিথ্যার পারদর্শিতায় এরপরই আছেন স্নাতক ডিগ্রিধারীরা। যাঁরা বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা মিথ্যা বলে মোটামুটি চালিয়ে নিতে পারেন। তবে মিথ্যার ক্ষেত্রে একটু সাবধান হতে হবে উচ্চ মাধ্যমিক পাস ব্যক্তিদের। কারণ, মিথ্যা বলায় তাঁরা একটু কমই পটু। আর আপনি যদি স্কুল পাস না করে থাকেন, তাহলে আপনাকে এঁদের মধ্যে সবচেয়ে সৎ বলতেই হবে।

এ বিষয়ে গবেষক ড. ভ্যালেরিও ক্যাপরারো জানান, মিথ্যা বলার আগে মানুষকে এর ফল সম্পর্কে সচেতন হতে হয়। এই সচেতনতার জন্য তাকে বেশ হিসাব-নিকাশ করতে হয়, যে দক্ষতা একজন শিক্ষিত মানুষের মধ্যেই বেশি পাওয়া যায়।