ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

বিউটির ধর্ষক বাবুল, খুনি তার বাবা: পুলিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের কিশোরী বিউটি আক্তার হত্যাকাণ্ডে তার বাবা ছায়েদ আলী নিজেই জড়িত বলে আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়া ধর্ষণে জড়িত থাকলেও সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই হত্যাকাণ্ডে।

আজ শনিবার নিজ মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা সাংবাদিকদের এ কথা নিশ্চিত করেছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সুপার জানান, গ্রাম্য রাজনীতির বলি হয়েছেন বিউটি। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে রংপুরের আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আলোচিত কিশোরী বিউটি হত্যা মামলার বাদী ও বিউটির বাবা ছায়েদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার বাদি ও নিহত বিউটির বাবা ছায়েদ আলী জবানবন্দি দেন। পরে প্রতিবেশী এবং ময়না মিয়ার স্ত্রী আছমা আক্তারের বক্তব্যও রেকর্ড করেন আদালত।

জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী বলেন, আসামি বাবুল মিয়া বিউটিকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে বাড়িতে ফেলে রেখে গেলে তিনিই মেয়েকে হত্যা করে বাবলুকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী আরো বলেছেন, তিনিই মেয়েকে নানাবাড়ি থেকে গোপনে নিয়ে যান এবং পরে ব্রাহ্মণডোরা হাওরে নিয়ে হত্যা করেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে এতদিন বাবুলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও বিউটির বাবার স্বীকারোক্তিতে মামলাটি নতুন মোড় নিল।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ সকালে জেলার শায়েস্তাগঞ্জের পুরাইকলা বাজার সংলগ্ন হাওর থেকে বিউটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সেদিনই বিউটিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা ছায়েদ বাদী হয়ে বাবুলসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

বিউটির ধর্ষক বাবুল, খুনি তার বাবা: পুলিশ

আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের কিশোরী বিউটি আক্তার হত্যাকাণ্ডে তার বাবা ছায়েদ আলী নিজেই জড়িত বলে আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়া ধর্ষণে জড়িত থাকলেও সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই হত্যাকাণ্ডে।

আজ শনিবার নিজ মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা সাংবাদিকদের এ কথা নিশ্চিত করেছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সুপার জানান, গ্রাম্য রাজনীতির বলি হয়েছেন বিউটি। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে রংপুরের আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আলোচিত কিশোরী বিউটি হত্যা মামলার বাদী ও বিউটির বাবা ছায়েদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার বাদি ও নিহত বিউটির বাবা ছায়েদ আলী জবানবন্দি দেন। পরে প্রতিবেশী এবং ময়না মিয়ার স্ত্রী আছমা আক্তারের বক্তব্যও রেকর্ড করেন আদালত।

জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী বলেন, আসামি বাবুল মিয়া বিউটিকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে বাড়িতে ফেলে রেখে গেলে তিনিই মেয়েকে হত্যা করে বাবলুকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী আরো বলেছেন, তিনিই মেয়েকে নানাবাড়ি থেকে গোপনে নিয়ে যান এবং পরে ব্রাহ্মণডোরা হাওরে নিয়ে হত্যা করেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে এতদিন বাবুলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও বিউটির বাবার স্বীকারোক্তিতে মামলাটি নতুন মোড় নিল।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ সকালে জেলার শায়েস্তাগঞ্জের পুরাইকলা বাজার সংলগ্ন হাওর থেকে বিউটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সেদিনই বিউটিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা ছায়েদ বাদী হয়ে বাবুলসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।