ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী সৌদি আরবে আরামকো’র হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ফ্রান্সে ১১ জনের মৃত্যু বাংলাদেশকে ১৪০ রানে অলআউট করল জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড কোরীয় উপদ্বীপে ফের উত্তেজনা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামরিক শক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন দুই কোটি মানুষ

বিউটির ধর্ষক বাবুল, খুনি তার বাবা: পুলিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের কিশোরী বিউটি আক্তার হত্যাকাণ্ডে তার বাবা ছায়েদ আলী নিজেই জড়িত বলে আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়া ধর্ষণে জড়িত থাকলেও সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই হত্যাকাণ্ডে।

আজ শনিবার নিজ মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা সাংবাদিকদের এ কথা নিশ্চিত করেছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সুপার জানান, গ্রাম্য রাজনীতির বলি হয়েছেন বিউটি। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে রংপুরের আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আলোচিত কিশোরী বিউটি হত্যা মামলার বাদী ও বিউটির বাবা ছায়েদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার বাদি ও নিহত বিউটির বাবা ছায়েদ আলী জবানবন্দি দেন। পরে প্রতিবেশী এবং ময়না মিয়ার স্ত্রী আছমা আক্তারের বক্তব্যও রেকর্ড করেন আদালত।

জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী বলেন, আসামি বাবুল মিয়া বিউটিকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে বাড়িতে ফেলে রেখে গেলে তিনিই মেয়েকে হত্যা করে বাবলুকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী আরো বলেছেন, তিনিই মেয়েকে নানাবাড়ি থেকে গোপনে নিয়ে যান এবং পরে ব্রাহ্মণডোরা হাওরে নিয়ে হত্যা করেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে এতদিন বাবুলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও বিউটির বাবার স্বীকারোক্তিতে মামলাটি নতুন মোড় নিল।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ সকালে জেলার শায়েস্তাগঞ্জের পুরাইকলা বাজার সংলগ্ন হাওর থেকে বিউটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সেদিনই বিউটিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা ছায়েদ বাদী হয়ে বাবুলসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঙ্গলে ম্যারাথন শেষ করল নাসার রোভার, মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল ছবি

বিউটির ধর্ষক বাবুল, খুনি তার বাবা: পুলিশ

আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের কিশোরী বিউটি আক্তার হত্যাকাণ্ডে তার বাবা ছায়েদ আলী নিজেই জড়িত বলে আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়া ধর্ষণে জড়িত থাকলেও সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই হত্যাকাণ্ডে।

আজ শনিবার নিজ মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা সাংবাদিকদের এ কথা নিশ্চিত করেছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সুপার জানান, গ্রাম্য রাজনীতির বলি হয়েছেন বিউটি। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে রংপুরের আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আলোচিত কিশোরী বিউটি হত্যা মামলার বাদী ও বিউটির বাবা ছায়েদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার বাদি ও নিহত বিউটির বাবা ছায়েদ আলী জবানবন্দি দেন। পরে প্রতিবেশী এবং ময়না মিয়ার স্ত্রী আছমা আক্তারের বক্তব্যও রেকর্ড করেন আদালত।

জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী বলেন, আসামি বাবুল মিয়া বিউটিকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে বাড়িতে ফেলে রেখে গেলে তিনিই মেয়েকে হত্যা করে বাবলুকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ছায়েদ আলী আরো বলেছেন, তিনিই মেয়েকে নানাবাড়ি থেকে গোপনে নিয়ে যান এবং পরে ব্রাহ্মণডোরা হাওরে নিয়ে হত্যা করেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে এতদিন বাবুলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও বিউটির বাবার স্বীকারোক্তিতে মামলাটি নতুন মোড় নিল।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ সকালে জেলার শায়েস্তাগঞ্জের পুরাইকলা বাজার সংলগ্ন হাওর থেকে বিউটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সেদিনই বিউটিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা ছায়েদ বাদী হয়ে বাবুলসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।