ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘বল টেম্পারিং একটি শিল্প’

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

কেপটাউন টেস্টে স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারদের বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে ক্রিকেটবিশ্ব তোলপাড়। অথচ, হাবিবুল বাশার মনে করেন, বল টেম্পারিং একটি শিল্প। তবে বলের আকৃতি পরিবর্তনে তিনি বোলারদের কখনই সমর্থন দেবেন না।

জাতীয় দলের এই নির্বাচক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচে আমরা আসলে কখনও বলল টেম্পারিং করিনি, দেখিওনি। আসলে বল টেম্পারিং করাটা একটা আর্ট। আমাদের ছেলেরা ওই পথে কখনও হাঁটেনি।’ বল টেম্পারিং-কাণ্ডে যখন স্মিথ-ওয়ার্নার আজীবন বহিষ্কারের হুমকির মুখে, তখন ভিভ রিচার্ডস, ব্যারি রিচার্ডস, রিচার্ড হ্যাভলিদের মতো অনেকেই বলছেন বল টেম্পারিং বৈধ করা উচিত।

হাবিবুল বাশার বলেন, ‘টেম্পারিং চেয়ে বল মেইন্টেইন করা গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে বোলারদের হয়তো একটু স্বাধীনতা দেয়া উচিত। উইকেট একেবারে ফ্লাট থাকলে বোলারদের কাজটা কঠিন হয়ে যায়। নিয়ম-কানুন সব বোলারদের বিপক্ষে। আমি বলব না যে, বলের আকৃতি পরিবর্তন করাটা বৈধ হোক বা সিরিশ কাগজ ব্যবহার করে শাইনটা নষ্ট করা হোক। সেটা আমি কখনই সমর্থন করি না। বল মেইন্টেইনের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বাধীনতা দেয়া উচিত।’

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কখনও বল টেম্পারিং করতে দেখেছেন কি? জাতীয় দলের এই নির্বাচক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচে কখনই দেখিনি। অনেক সময় প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে হতে পারে। তবে আকৃতি পরিবর্তন করার মতো কিছু দেখিনি। আমাদের ছেলেরা এই জিনিসটা দেখেনি। আমাদের ছেলেরা বল টেম্পারিংয়ে অভ্যস্ত নয়।’

এদিকে পেস বোলার তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘এটা (বল টেম্পারিং) ক্রিকেটের চেতনাবিরোধী। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের কাছে এটা আশা করা যায় না। সব ক্রিকেটারের এই কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। সত্যি বলতে বল যখন একদিকে খারাপ হয়, তখন সেটা রিভার্স হয়। আন্তর্জাতিক ম্যাচে তো নয়ই, এমনকি ঘরোয়া ক্রিকেটেও করা উচিত নয়। তরুণ খেলোয়াড়দের বিরত থাকা উচিত।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘বল টেম্পারিং একটি শিল্প’

আপডেট সময় ০৫:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

কেপটাউন টেস্টে স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারদের বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে ক্রিকেটবিশ্ব তোলপাড়। অথচ, হাবিবুল বাশার মনে করেন, বল টেম্পারিং একটি শিল্প। তবে বলের আকৃতি পরিবর্তনে তিনি বোলারদের কখনই সমর্থন দেবেন না।

জাতীয় দলের এই নির্বাচক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচে আমরা আসলে কখনও বলল টেম্পারিং করিনি, দেখিওনি। আসলে বল টেম্পারিং করাটা একটা আর্ট। আমাদের ছেলেরা ওই পথে কখনও হাঁটেনি।’ বল টেম্পারিং-কাণ্ডে যখন স্মিথ-ওয়ার্নার আজীবন বহিষ্কারের হুমকির মুখে, তখন ভিভ রিচার্ডস, ব্যারি রিচার্ডস, রিচার্ড হ্যাভলিদের মতো অনেকেই বলছেন বল টেম্পারিং বৈধ করা উচিত।

হাবিবুল বাশার বলেন, ‘টেম্পারিং চেয়ে বল মেইন্টেইন করা গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে বোলারদের হয়তো একটু স্বাধীনতা দেয়া উচিত। উইকেট একেবারে ফ্লাট থাকলে বোলারদের কাজটা কঠিন হয়ে যায়। নিয়ম-কানুন সব বোলারদের বিপক্ষে। আমি বলব না যে, বলের আকৃতি পরিবর্তন করাটা বৈধ হোক বা সিরিশ কাগজ ব্যবহার করে শাইনটা নষ্ট করা হোক। সেটা আমি কখনই সমর্থন করি না। বল মেইন্টেইনের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বাধীনতা দেয়া উচিত।’

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কখনও বল টেম্পারিং করতে দেখেছেন কি? জাতীয় দলের এই নির্বাচক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচে কখনই দেখিনি। অনেক সময় প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে হতে পারে। তবে আকৃতি পরিবর্তন করার মতো কিছু দেখিনি। আমাদের ছেলেরা এই জিনিসটা দেখেনি। আমাদের ছেলেরা বল টেম্পারিংয়ে অভ্যস্ত নয়।’

এদিকে পেস বোলার তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘এটা (বল টেম্পারিং) ক্রিকেটের চেতনাবিরোধী। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের কাছে এটা আশা করা যায় না। সব ক্রিকেটারের এই কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। সত্যি বলতে বল যখন একদিকে খারাপ হয়, তখন সেটা রিভার্স হয়। আন্তর্জাতিক ম্যাচে তো নয়ই, এমনকি ঘরোয়া ক্রিকেটেও করা উচিত নয়। তরুণ খেলোয়াড়দের বিরত থাকা উচিত।’