ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য লবিং করবেন

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আমার আগের স্ট্যাটাস নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে, দেখে ভাল লেগেছে যে মানুষ পড়েছে। আমি বাস্তবতা তুলে ধরেছি শুধু, আমার একার স্বার্থ কিছুই নাই।

বেসিস সদস্যদের স্বার্থ নিয়েই কথা বলেছি, সমষ্টিগত স্বার্থ। আমি কাউকে চরিত্র নিয়ে একটাও কথা বলিনি। বেসিসকে স্থবির করার চক্রান্ত মনে হয়েছে তাই বলেছি, ষড়যন্ত্র করছেন।

ভুল বললে তো সমাধানের কথাও বলেছিলাম, দুটো পদ ছেড়ে এসে নির্বাচন করতে।

একজন যিনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হয়ে বেসিস নির্বাচন করছেন প্রেসিডেন্ট হতে, তাকে আবার সমর্থন জানাচ্ছেন আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট যিনি মনে করছেন আমি অশ্রদ্ধা করেছি।

হাসি পাচ্ছে, সত্যি যেটা উনি আড়াল করে রাখছেন সেটা বলাতেই অশ্রদ্ধা করা হয়ে গেল! নিজেও প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কতটা কাজ বেসিস সদস্যদের জন্য করেছেন তা সদস্যরা জানেন।

মোস্তাফা জব্বার চাচার বিরুদ্ধতা করতেই আপনি এবার নির্বাচন করছেন তা মোটামুটি সবাই জানেন। নিজেই বলেছেন কথাটা তাহলে অশ্রদ্ধা কে কাকে করছেন।

মতান্তর আর শ্রদ্ধা এক জিনিষ না! আগে সেটা জানুন, বুঝুন। জব্বার চাচার সাথে আমারও মতান্তর হতেই পারে, কিন্ত সেই মতান্তর যখন যুক্তি দিয়ে খণ্ডানো হয়, তারপরে আর মতান্তর থাকেনা।

আর আমি উনার ভাতিজা, ছেলের মতন। উওনার সাথে কখনওই বিতর্ক করতে যাবো না আমি। সেটা বেয়াদবি হবে বলে।

বাবার বয়সী কাউকে ভাই ডেকে কখনওই কেউ বড় হয় না। তাই দ্বিতীয় প্রজন্ম হয়ে আদর আর শাসন আমি ভাল করেই উপভোগ করি। উপদেশ মেনে নেই।

বেসিস সদস্যদের অন্ধ বা বোকা ভাববেন না। ফাহিম মাসরুর, আপনি যাদেরকে সমর্থন দিচ্ছেন, তাদের একজনের ব্যাপারেই আমি বলেছি যে উনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলে কিভাবে বেসিস সদস্যদের জন্য উনি লবিং করবেন?

আমার মনে হয় না এতে আমি কোন ভুল প্রশ্ন করেছি। ফাহিম, নিজেই উত্তরটা দিন এবার, আমি জানতে চাই। কোন কুৎসা না লড়াই না। একটা প্রশ্নই করলাম, উত্তর দিন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য অন্য ব্যাংকে লবিং করবেন এবং লোন পাবার ব্যাপারে কথা বলে দেবেন! আমি উত্তরের অপেক্ষা করলাম।

এবার আসি আরেক বিজ্ঞ মুনীর হাসানের স্ট্যাটাসে। আপনি একটু নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কেন আপনি জব্বার চাচার বিরোধিতা করছেন।

আপনি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন বলেই তো! আর কিছু বলতে চাই না।

জীবনে শ্রদ্ধেয় মুজিবর স্যার, বাঁচার আরেকটা পথ কিন্ত কখনওই শেখাননি, যা আপনি করেন, তেল মেরে বেঁচে থাকার চেষ্টা!

আমি তা করিনি, করবোও না। নিজের মেধা আর যোগ্যতা দিয়েই আমি বেঁচে আছি সপরিবারে, আল্লাহ্‌র রহমতে, কারো দয়ায় বা কাউকেই তেল মেরে না!

আমার স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত, তাই আমি সরাসরি প্রশ্ন করি, নাম মেনশন করে, ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা আমি কখনওই বলিনা।

যারা আমাকে চেনে, জানে, তারা সবাই সেটা জানে। সোজাসুজি কথা বলতেই আমি পছন্দ করি, সৎ সাহস আছে বলেই সেটা করি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য লবিং করবেন

আপডেট সময় ০২:১২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আমার আগের স্ট্যাটাস নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে, দেখে ভাল লেগেছে যে মানুষ পড়েছে। আমি বাস্তবতা তুলে ধরেছি শুধু, আমার একার স্বার্থ কিছুই নাই।

বেসিস সদস্যদের স্বার্থ নিয়েই কথা বলেছি, সমষ্টিগত স্বার্থ। আমি কাউকে চরিত্র নিয়ে একটাও কথা বলিনি। বেসিসকে স্থবির করার চক্রান্ত মনে হয়েছে তাই বলেছি, ষড়যন্ত্র করছেন।

ভুল বললে তো সমাধানের কথাও বলেছিলাম, দুটো পদ ছেড়ে এসে নির্বাচন করতে।

একজন যিনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হয়ে বেসিস নির্বাচন করছেন প্রেসিডেন্ট হতে, তাকে আবার সমর্থন জানাচ্ছেন আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট যিনি মনে করছেন আমি অশ্রদ্ধা করেছি।

হাসি পাচ্ছে, সত্যি যেটা উনি আড়াল করে রাখছেন সেটা বলাতেই অশ্রদ্ধা করা হয়ে গেল! নিজেও প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কতটা কাজ বেসিস সদস্যদের জন্য করেছেন তা সদস্যরা জানেন।

মোস্তাফা জব্বার চাচার বিরুদ্ধতা করতেই আপনি এবার নির্বাচন করছেন তা মোটামুটি সবাই জানেন। নিজেই বলেছেন কথাটা তাহলে অশ্রদ্ধা কে কাকে করছেন।

মতান্তর আর শ্রদ্ধা এক জিনিষ না! আগে সেটা জানুন, বুঝুন। জব্বার চাচার সাথে আমারও মতান্তর হতেই পারে, কিন্ত সেই মতান্তর যখন যুক্তি দিয়ে খণ্ডানো হয়, তারপরে আর মতান্তর থাকেনা।

আর আমি উনার ভাতিজা, ছেলের মতন। উওনার সাথে কখনওই বিতর্ক করতে যাবো না আমি। সেটা বেয়াদবি হবে বলে।

বাবার বয়সী কাউকে ভাই ডেকে কখনওই কেউ বড় হয় না। তাই দ্বিতীয় প্রজন্ম হয়ে আদর আর শাসন আমি ভাল করেই উপভোগ করি। উপদেশ মেনে নেই।

বেসিস সদস্যদের অন্ধ বা বোকা ভাববেন না। ফাহিম মাসরুর, আপনি যাদেরকে সমর্থন দিচ্ছেন, তাদের একজনের ব্যাপারেই আমি বলেছি যে উনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলে কিভাবে বেসিস সদস্যদের জন্য উনি লবিং করবেন?

আমার মনে হয় না এতে আমি কোন ভুল প্রশ্ন করেছি। ফাহিম, নিজেই উত্তরটা দিন এবার, আমি জানতে চাই। কোন কুৎসা না লড়াই না। একটা প্রশ্নই করলাম, উত্তর দিন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য অন্য ব্যাংকে লবিং করবেন এবং লোন পাবার ব্যাপারে কথা বলে দেবেন! আমি উত্তরের অপেক্ষা করলাম।

এবার আসি আরেক বিজ্ঞ মুনীর হাসানের স্ট্যাটাসে। আপনি একটু নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কেন আপনি জব্বার চাচার বিরোধিতা করছেন।

আপনি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন বলেই তো! আর কিছু বলতে চাই না।

জীবনে শ্রদ্ধেয় মুজিবর স্যার, বাঁচার আরেকটা পথ কিন্ত কখনওই শেখাননি, যা আপনি করেন, তেল মেরে বেঁচে থাকার চেষ্টা!

আমি তা করিনি, করবোও না। নিজের মেধা আর যোগ্যতা দিয়েই আমি বেঁচে আছি সপরিবারে, আল্লাহ্‌র রহমতে, কারো দয়ায় বা কাউকেই তেল মেরে না!

আমার স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত, তাই আমি সরাসরি প্রশ্ন করি, নাম মেনশন করে, ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা আমি কখনওই বলিনা।

যারা আমাকে চেনে, জানে, তারা সবাই সেটা জানে। সোজাসুজি কথা বলতেই আমি পছন্দ করি, সৎ সাহস আছে বলেই সেটা করি।