ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য লবিং করবেন

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আমার আগের স্ট্যাটাস নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে, দেখে ভাল লেগেছে যে মানুষ পড়েছে। আমি বাস্তবতা তুলে ধরেছি শুধু, আমার একার স্বার্থ কিছুই নাই।

বেসিস সদস্যদের স্বার্থ নিয়েই কথা বলেছি, সমষ্টিগত স্বার্থ। আমি কাউকে চরিত্র নিয়ে একটাও কথা বলিনি। বেসিসকে স্থবির করার চক্রান্ত মনে হয়েছে তাই বলেছি, ষড়যন্ত্র করছেন।

ভুল বললে তো সমাধানের কথাও বলেছিলাম, দুটো পদ ছেড়ে এসে নির্বাচন করতে।

একজন যিনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হয়ে বেসিস নির্বাচন করছেন প্রেসিডেন্ট হতে, তাকে আবার সমর্থন জানাচ্ছেন আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট যিনি মনে করছেন আমি অশ্রদ্ধা করেছি।

হাসি পাচ্ছে, সত্যি যেটা উনি আড়াল করে রাখছেন সেটা বলাতেই অশ্রদ্ধা করা হয়ে গেল! নিজেও প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কতটা কাজ বেসিস সদস্যদের জন্য করেছেন তা সদস্যরা জানেন।

মোস্তাফা জব্বার চাচার বিরুদ্ধতা করতেই আপনি এবার নির্বাচন করছেন তা মোটামুটি সবাই জানেন। নিজেই বলেছেন কথাটা তাহলে অশ্রদ্ধা কে কাকে করছেন।

মতান্তর আর শ্রদ্ধা এক জিনিষ না! আগে সেটা জানুন, বুঝুন। জব্বার চাচার সাথে আমারও মতান্তর হতেই পারে, কিন্ত সেই মতান্তর যখন যুক্তি দিয়ে খণ্ডানো হয়, তারপরে আর মতান্তর থাকেনা।

আর আমি উনার ভাতিজা, ছেলের মতন। উওনার সাথে কখনওই বিতর্ক করতে যাবো না আমি। সেটা বেয়াদবি হবে বলে।

বাবার বয়সী কাউকে ভাই ডেকে কখনওই কেউ বড় হয় না। তাই দ্বিতীয় প্রজন্ম হয়ে আদর আর শাসন আমি ভাল করেই উপভোগ করি। উপদেশ মেনে নেই।

বেসিস সদস্যদের অন্ধ বা বোকা ভাববেন না। ফাহিম মাসরুর, আপনি যাদেরকে সমর্থন দিচ্ছেন, তাদের একজনের ব্যাপারেই আমি বলেছি যে উনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলে কিভাবে বেসিস সদস্যদের জন্য উনি লবিং করবেন?

আমার মনে হয় না এতে আমি কোন ভুল প্রশ্ন করেছি। ফাহিম, নিজেই উত্তরটা দিন এবার, আমি জানতে চাই। কোন কুৎসা না লড়াই না। একটা প্রশ্নই করলাম, উত্তর দিন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য অন্য ব্যাংকে লবিং করবেন এবং লোন পাবার ব্যাপারে কথা বলে দেবেন! আমি উত্তরের অপেক্ষা করলাম।

এবার আসি আরেক বিজ্ঞ মুনীর হাসানের স্ট্যাটাসে। আপনি একটু নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কেন আপনি জব্বার চাচার বিরোধিতা করছেন।

আপনি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন বলেই তো! আর কিছু বলতে চাই না।

জীবনে শ্রদ্ধেয় মুজিবর স্যার, বাঁচার আরেকটা পথ কিন্ত কখনওই শেখাননি, যা আপনি করেন, তেল মেরে বেঁচে থাকার চেষ্টা!

আমি তা করিনি, করবোও না। নিজের মেধা আর যোগ্যতা দিয়েই আমি বেঁচে আছি সপরিবারে, আল্লাহ্‌র রহমতে, কারো দয়ায় বা কাউকেই তেল মেরে না!

আমার স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত, তাই আমি সরাসরি প্রশ্ন করি, নাম মেনশন করে, ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা আমি কখনওই বলিনা।

যারা আমাকে চেনে, জানে, তারা সবাই সেটা জানে। সোজাসুজি কথা বলতেই আমি পছন্দ করি, সৎ সাহস আছে বলেই সেটা করি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য লবিং করবেন

আপডেট সময় ০২:১২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আমার আগের স্ট্যাটাস নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে, দেখে ভাল লেগেছে যে মানুষ পড়েছে। আমি বাস্তবতা তুলে ধরেছি শুধু, আমার একার স্বার্থ কিছুই নাই।

বেসিস সদস্যদের স্বার্থ নিয়েই কথা বলেছি, সমষ্টিগত স্বার্থ। আমি কাউকে চরিত্র নিয়ে একটাও কথা বলিনি। বেসিসকে স্থবির করার চক্রান্ত মনে হয়েছে তাই বলেছি, ষড়যন্ত্র করছেন।

ভুল বললে তো সমাধানের কথাও বলেছিলাম, দুটো পদ ছেড়ে এসে নির্বাচন করতে।

একজন যিনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হয়ে বেসিস নির্বাচন করছেন প্রেসিডেন্ট হতে, তাকে আবার সমর্থন জানাচ্ছেন আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট যিনি মনে করছেন আমি অশ্রদ্ধা করেছি।

হাসি পাচ্ছে, সত্যি যেটা উনি আড়াল করে রাখছেন সেটা বলাতেই অশ্রদ্ধা করা হয়ে গেল! নিজেও প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কতটা কাজ বেসিস সদস্যদের জন্য করেছেন তা সদস্যরা জানেন।

মোস্তাফা জব্বার চাচার বিরুদ্ধতা করতেই আপনি এবার নির্বাচন করছেন তা মোটামুটি সবাই জানেন। নিজেই বলেছেন কথাটা তাহলে অশ্রদ্ধা কে কাকে করছেন।

মতান্তর আর শ্রদ্ধা এক জিনিষ না! আগে সেটা জানুন, বুঝুন। জব্বার চাচার সাথে আমারও মতান্তর হতেই পারে, কিন্ত সেই মতান্তর যখন যুক্তি দিয়ে খণ্ডানো হয়, তারপরে আর মতান্তর থাকেনা।

আর আমি উনার ভাতিজা, ছেলের মতন। উওনার সাথে কখনওই বিতর্ক করতে যাবো না আমি। সেটা বেয়াদবি হবে বলে।

বাবার বয়সী কাউকে ভাই ডেকে কখনওই কেউ বড় হয় না। তাই দ্বিতীয় প্রজন্ম হয়ে আদর আর শাসন আমি ভাল করেই উপভোগ করি। উপদেশ মেনে নেই।

বেসিস সদস্যদের অন্ধ বা বোকা ভাববেন না। ফাহিম মাসরুর, আপনি যাদেরকে সমর্থন দিচ্ছেন, তাদের একজনের ব্যাপারেই আমি বলেছি যে উনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলে কিভাবে বেসিস সদস্যদের জন্য উনি লবিং করবেন?

আমার মনে হয় না এতে আমি কোন ভুল প্রশ্ন করেছি। ফাহিম, নিজেই উত্তরটা দিন এবার, আমি জানতে চাই। কোন কুৎসা না লড়াই না। একটা প্রশ্নই করলাম, উত্তর দিন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান কিভাবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের জন্য অন্য ব্যাংকে লবিং করবেন এবং লোন পাবার ব্যাপারে কথা বলে দেবেন! আমি উত্তরের অপেক্ষা করলাম।

এবার আসি আরেক বিজ্ঞ মুনীর হাসানের স্ট্যাটাসে। আপনি একটু নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কেন আপনি জব্বার চাচার বিরোধিতা করছেন।

আপনি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন বলেই তো! আর কিছু বলতে চাই না।

জীবনে শ্রদ্ধেয় মুজিবর স্যার, বাঁচার আরেকটা পথ কিন্ত কখনওই শেখাননি, যা আপনি করেন, তেল মেরে বেঁচে থাকার চেষ্টা!

আমি তা করিনি, করবোও না। নিজের মেধা আর যোগ্যতা দিয়েই আমি বেঁচে আছি সপরিবারে, আল্লাহ্‌র রহমতে, কারো দয়ায় বা কাউকেই তেল মেরে না!

আমার স্ট্যাটাস আমার ব্যক্তিগত, তাই আমি সরাসরি প্রশ্ন করি, নাম মেনশন করে, ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা আমি কখনওই বলিনা।

যারা আমাকে চেনে, জানে, তারা সবাই সেটা জানে। সোজাসুজি কথা বলতেই আমি পছন্দ করি, সৎ সাহস আছে বলেই সেটা করি।