ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুর ৯ বছর পর স্বাক্ষী হিসেবে হাজিরা দিতে আদালতের সমন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মৃত্যুর ৯ বছর পর ছফর আলী বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তিকে মামলার স্বাক্ষী হিসেবে হাজিরা দিতে সমন জারি করেছে আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের মনিরামপুর পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামে।

ছফর আলী বিশ্বাসের স্ত্রী রাবেয়া বেগম জানান, তার স্বামী ৯ বছর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পুলিশ বাড়িতে এসে নোটিশ ধরিয়ে দিলে তারা ভয় পেয়ে যান এবং একই সাথে হতবাক হন। এদিকে মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে মৃত্যুর সনদ জমা দিতে বলেছে পুলিশ।

বাকী স্বাক্ষীদের মধ্যে মতিয়ার রহমান জানান, এ মামলার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

জানা গেছে, অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত থেকে এসটিসি-৪৬৬/০৯ মামলার ৪ স্বাক্ষীকে আগামী ৮ মে হাজিরা দিতে সমন জারি করা হয়। মনিরামপুর থানায় সমন জারির নোটিশ প্রাপ্তির পর গত ১৬ মার্চ ওই সমন জারির নোটিশ তালিম করতে ওই ৪ স্বাক্ষীর বাড়িতে যান থানার বখতিয়ার নামের এক পুলিশ সদস্য। একই গ্রামের অপর ৩ স্বাক্ষী সাত্তার বিশ্বাস, তবিবুর রহমান ও মতিয়ার রহমানকে আদালতে স্বাক্ষী দিতে সমন জারি করা হয়।

সমন তালিমকারি পুলিশ সদস্য বখতিয়ার হোসেন জানান, ২০০৯ সালে মাদক মামলায় এই ৪ জনকে স্বাক্ষী করা হয়।মামলাটি ৯ বছর আগের। তাই এধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তার মৃত্যু নিশ্চিতের জন্য তার পরিবারকে মৃত্যু সনদ দিতে বলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মৃত্যুর ৯ বছর পর স্বাক্ষী হিসেবে হাজিরা দিতে আদালতের সমন

আপডেট সময় ০৪:১৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মৃত্যুর ৯ বছর পর ছফর আলী বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তিকে মামলার স্বাক্ষী হিসেবে হাজিরা দিতে সমন জারি করেছে আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের মনিরামপুর পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামে।

ছফর আলী বিশ্বাসের স্ত্রী রাবেয়া বেগম জানান, তার স্বামী ৯ বছর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পুলিশ বাড়িতে এসে নোটিশ ধরিয়ে দিলে তারা ভয় পেয়ে যান এবং একই সাথে হতবাক হন। এদিকে মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে মৃত্যুর সনদ জমা দিতে বলেছে পুলিশ।

বাকী স্বাক্ষীদের মধ্যে মতিয়ার রহমান জানান, এ মামলার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

জানা গেছে, অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত থেকে এসটিসি-৪৬৬/০৯ মামলার ৪ স্বাক্ষীকে আগামী ৮ মে হাজিরা দিতে সমন জারি করা হয়। মনিরামপুর থানায় সমন জারির নোটিশ প্রাপ্তির পর গত ১৬ মার্চ ওই সমন জারির নোটিশ তালিম করতে ওই ৪ স্বাক্ষীর বাড়িতে যান থানার বখতিয়ার নামের এক পুলিশ সদস্য। একই গ্রামের অপর ৩ স্বাক্ষী সাত্তার বিশ্বাস, তবিবুর রহমান ও মতিয়ার রহমানকে আদালতে স্বাক্ষী দিতে সমন জারি করা হয়।

সমন তালিমকারি পুলিশ সদস্য বখতিয়ার হোসেন জানান, ২০০৯ সালে মাদক মামলায় এই ৪ জনকে স্বাক্ষী করা হয়।মামলাটি ৯ বছর আগের। তাই এধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তার মৃত্যু নিশ্চিতের জন্য তার পরিবারকে মৃত্যু সনদ দিতে বলা হয়েছে।