ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানব রচিত আইন এ বাংলায় চলতে দেওয়া হবে না: চরমোনাইর পীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার

আদালতে দাঁড়িয়ে কাঁদলেন ইংলাক সিনাওয়াত্রা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা বলেছেন, তিনি কখনোই অসৎ ছিলেন না। ধানচাষিদের ভর্তুকি প্রদান সংক্রান্ত একটি দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত ইংলাক মঙ্গলবার ব্যাংককের একটি আদালতে দাঁড়িয়ে বলেন, তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এই মামলাগুলো করা হয়েছে। তিনি রাজনৈতিক হয়রানির শিকার।

ইংলাকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। আদালতে দাঁড়িয়ে অশ্রুসজল ইংলাক বলেন, ভর্তুকি প্রদান সংক্রান্ত নীতি তৃণমূল ও জাতীয় পর্যায়ের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই নীতির কারণে দেশের কোনো ক্ষতি হয়নি।

তিনি বলেন, ধান প্রকল্পে কোনো অনিয়ম বা অসততা হয়নি। তার ওই সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। এ সময় আদালতের বাইরে ইংলাকের শত শত সমর্থক তার পক্ষে ‘লড়াই চাই!’ ‘লড়তে হবে!’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।ইংলাক সিনাওয়াত্রা ২০১১ সালের ৫ আগস্ট থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের দায়ে ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল নয়জন মন্ত্রীসহ ইংলাককে বরখাস্ত করেন। ২০১৫ সালে তাকে রাজনীতিতে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।

ইংলাক আদালতে আরো বলেন, ‘আমি কখনো আমার দায়িত্ব পালনে পিছপা হইনি। আমি নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি কখনই অসততার আশ্রয় নেইনি। আমি জানি, আমি এক গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার।’ ইংলাক আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান।

এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে তার এক হাজারের বেশি সমর্থক জমায়েত হয়। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেখানে তিন শ’ পুলিশ মোতায়েন ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বেলুনের ভেতরেই চলছে নির্মাণকাজ, ধুলা-শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের নতুন প্রযুক্তি

আদালতে দাঁড়িয়ে কাঁদলেন ইংলাক সিনাওয়াত্রা

আপডেট সময় ০৩:০৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা বলেছেন, তিনি কখনোই অসৎ ছিলেন না। ধানচাষিদের ভর্তুকি প্রদান সংক্রান্ত একটি দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত ইংলাক মঙ্গলবার ব্যাংককের একটি আদালতে দাঁড়িয়ে বলেন, তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এই মামলাগুলো করা হয়েছে। তিনি রাজনৈতিক হয়রানির শিকার।

ইংলাকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। আদালতে দাঁড়িয়ে অশ্রুসজল ইংলাক বলেন, ভর্তুকি প্রদান সংক্রান্ত নীতি তৃণমূল ও জাতীয় পর্যায়ের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই নীতির কারণে দেশের কোনো ক্ষতি হয়নি।

তিনি বলেন, ধান প্রকল্পে কোনো অনিয়ম বা অসততা হয়নি। তার ওই সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। এ সময় আদালতের বাইরে ইংলাকের শত শত সমর্থক তার পক্ষে ‘লড়াই চাই!’ ‘লড়তে হবে!’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।ইংলাক সিনাওয়াত্রা ২০১১ সালের ৫ আগস্ট থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের দায়ে ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল নয়জন মন্ত্রীসহ ইংলাককে বরখাস্ত করেন। ২০১৫ সালে তাকে রাজনীতিতে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।

ইংলাক আদালতে আরো বলেন, ‘আমি কখনো আমার দায়িত্ব পালনে পিছপা হইনি। আমি নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি কখনই অসততার আশ্রয় নেইনি। আমি জানি, আমি এক গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার।’ ইংলাক আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান।

এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে তার এক হাজারের বেশি সমর্থক জমায়েত হয়। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেখানে তিন শ’ পুলিশ মোতায়েন ছিল।