ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লুনা শামসুদ্দোহা বিরাট ষড়যন্ত্র করতে বসেছেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেসিসের ভোটারদের জন্য কিছু কথা বলছি লুনা শামসুদ্দোহা এবং বেসিস নিয়ে! আমার মনে হচ্ছে উনি এক বিরাট ষড়যন্ত্র করতে বসেছেন বেসিস এবং বেসিস মেম্বারদের স্বার্থ ধ্বংস করতে।

অবশ্যই আমি এই কথাটাই বলবো। কারণ বেসিসের সদস্যরা ব্যাংক থেকে লোন নিতে যাবেন ব্যবসার স্বার্থে, আর উনি একটি সরকারি ব্যাংকে চুক্তিভিত্তিক চেয়ারম্যান।

তার মানে কি দাঁড়াচ্ছে? কার স্বার্থ উনি দেখবেন আগে? নিজের, ব্যাংকের, নাকি বেসিসের সদস্যদের। ব্যাংকের চেয়ারম্যান হয়ে উনাকে ব্যাংকের মুনাফার দিক দেখতে হবে, তাতে ব্যাংকের স্বার্থ।

বেসিসের প্রেসিডেন্ট হলে বেসিস সদস্যদের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লবিং করতে হবে, সেটা বেসিস সদস্যদের স্বার্থ।

আর যেখানেই থাকুন নিজের ক্যারিয়াররে সিঁড়ি ঠিক রাখতেই হবে, একান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থ।

পুরো ব্যাপারটাতেই কিন্ত একটা conflict of interest থাকছে। দোহাটেকের কর্ণধার হয়ে উনি বেসিসে আসলে আমরা অবশ্যই উনার আসাটাকে বেসিসের স্বার্থ হিসেবে দেখতাম।

কিন্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে থেকে বেসিস প্রেসিডেন্ট (!) ব্যাপারটা আসলেই উনার এবং যারা উনাকে আনতে চাইছেন, তাদের সবারই দুরভিসন্ধিপূর্ণ এক চিন্তারই প্রতিফলন।

আরেকটা কথা বিডব্লিউআইটিতে উনি আট বছর ধরে একই পদে; তাহলে কি ধরে নেবো, আপনি অন্য কোন মহিলাকে বা কাউকেই উত্তরসূরি করতে চান না? নাকি কাউকেই সামনে আসতে দিতে চান না?

ব্যাপারটা আসলেই ভীষণ রকম গোলমেলে। উনি বেসিসে আসলে তো তাহলে এখানে মহিলারা একেবারেই কোণঠাসা হয়ে যাবেন, সামনে আগানোর পরিবর্তে। অবশ্যই তা কারোই কাম্য না।

লুনা শামসুদ্দোহা, আমি বয়সে ও অভিজ্ঞতায় আপনার তুলনায় অনেক কম হয়তো বুঝি, কিন্ত বেসিসের স্বার্থ আর বেসিস সদস্যদের স্বার্থ এবং সুবিধা সংক্রান্ত বিষয়ে আপনার চেয়ে বেশি অবশ্যই বুঝি এবং বুঝবোও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

লুনা শামসুদ্দোহা বিরাট ষড়যন্ত্র করতে বসেছেন

আপডেট সময় ০৩:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেসিসের ভোটারদের জন্য কিছু কথা বলছি লুনা শামসুদ্দোহা এবং বেসিস নিয়ে! আমার মনে হচ্ছে উনি এক বিরাট ষড়যন্ত্র করতে বসেছেন বেসিস এবং বেসিস মেম্বারদের স্বার্থ ধ্বংস করতে।

অবশ্যই আমি এই কথাটাই বলবো। কারণ বেসিসের সদস্যরা ব্যাংক থেকে লোন নিতে যাবেন ব্যবসার স্বার্থে, আর উনি একটি সরকারি ব্যাংকে চুক্তিভিত্তিক চেয়ারম্যান।

তার মানে কি দাঁড়াচ্ছে? কার স্বার্থ উনি দেখবেন আগে? নিজের, ব্যাংকের, নাকি বেসিসের সদস্যদের। ব্যাংকের চেয়ারম্যান হয়ে উনাকে ব্যাংকের মুনাফার দিক দেখতে হবে, তাতে ব্যাংকের স্বার্থ।

বেসিসের প্রেসিডেন্ট হলে বেসিস সদস্যদের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লবিং করতে হবে, সেটা বেসিস সদস্যদের স্বার্থ।

আর যেখানেই থাকুন নিজের ক্যারিয়াররে সিঁড়ি ঠিক রাখতেই হবে, একান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থ।

পুরো ব্যাপারটাতেই কিন্ত একটা conflict of interest থাকছে। দোহাটেকের কর্ণধার হয়ে উনি বেসিসে আসলে আমরা অবশ্যই উনার আসাটাকে বেসিসের স্বার্থ হিসেবে দেখতাম।

কিন্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে থেকে বেসিস প্রেসিডেন্ট (!) ব্যাপারটা আসলেই উনার এবং যারা উনাকে আনতে চাইছেন, তাদের সবারই দুরভিসন্ধিপূর্ণ এক চিন্তারই প্রতিফলন।

আরেকটা কথা বিডব্লিউআইটিতে উনি আট বছর ধরে একই পদে; তাহলে কি ধরে নেবো, আপনি অন্য কোন মহিলাকে বা কাউকেই উত্তরসূরি করতে চান না? নাকি কাউকেই সামনে আসতে দিতে চান না?

ব্যাপারটা আসলেই ভীষণ রকম গোলমেলে। উনি বেসিসে আসলে তো তাহলে এখানে মহিলারা একেবারেই কোণঠাসা হয়ে যাবেন, সামনে আগানোর পরিবর্তে। অবশ্যই তা কারোই কাম্য না।

লুনা শামসুদ্দোহা, আমি বয়সে ও অভিজ্ঞতায় আপনার তুলনায় অনেক কম হয়তো বুঝি, কিন্ত বেসিসের স্বার্থ আর বেসিস সদস্যদের স্বার্থ এবং সুবিধা সংক্রান্ত বিষয়ে আপনার চেয়ে বেশি অবশ্যই বুঝি এবং বুঝবোও।