ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

বাড়ছে না স্মার্টফোন ব্যবহার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার খুব একটা বাড়ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে আমদানির পরিসংখ্যান তেমনটাই বলছে। অথচ বাস্তবতা কি তা-ই, এমন প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের। ২০১৬ সালে বৈধ পথে দেশে স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল ৮০ লাখ ৪৪ হাজার। ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ৮০ লাখ ৯৯ হাজার। সে হিসাবে এক বছরে দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১৯ শতাংশ।

অথচ ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে স্মার্টফোন আমদানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৭ শতাংশের বেশি। ২০১৫ সালে ৫৮ লাখ ৩৬ হাজার স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল। স্মার্টফোন আমদানিতে সরকার গত বাজেটে শুল্ক বাড়ানোর কারণে অবৈধ পথে আসা হ্যান্ডসেটকেও অনেকে এর বড় কারণ হিসেবে দেখছেন। আমদানিকারকরা এর দোষ চাপিয়েছেন মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর ওপর। তারা বলছেন, থ্রিজির নেটওয়ার্কে খুব একটা উন্নতি না হওয়ার কারণেই স্মার্টফোনের সংখ্যা আগের চেয়ে বাড়েনি।

অথচ বার ফোন বা বেসিক ফোনের আমদানি কিন্তু ঠিকই বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর সব মিলে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৭ হাজার পিস বার ফোন বা বেসিক ফোন আমদানি হয়েছে। এসব ফোনে মূলত কথা বলা ও এসএমএস ছাড়া আর কিছুই করা যায় না।

এক বছর আগেও এ ধরনের ফোন আমদানির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ ১৭ হাজার পিস।

আর ২০১৭ সালে সব মিলে বৈধ পথে আমদানি হয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৭ হাজার। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ১০ লাখ ২২ হাজার। আমদানিকারকদের দাবি, মূলত চলতি বছরের বাজেটে হ্যান্ডসেটের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈধ আমদানিতে। তাদের ধারণা, আগে যেখানে ২০ শতাংশ হ্যান্ডসেট অবৈধ পথে আসত, এখন তা বেড়ে অন্তত ৩০ শতাংশে চলে গেছে। এ কারণে বৈধ পথে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি খুবই সামান্য। একই সঙ্গে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে বন্যাও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও তারা মনে করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

বাড়ছে না স্মার্টফোন ব্যবহার

আপডেট সময় ০৫:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার খুব একটা বাড়ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে আমদানির পরিসংখ্যান তেমনটাই বলছে। অথচ বাস্তবতা কি তা-ই, এমন প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের। ২০১৬ সালে বৈধ পথে দেশে স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল ৮০ লাখ ৪৪ হাজার। ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ৮০ লাখ ৯৯ হাজার। সে হিসাবে এক বছরে দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১৯ শতাংশ।

অথচ ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে স্মার্টফোন আমদানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৭ শতাংশের বেশি। ২০১৫ সালে ৫৮ লাখ ৩৬ হাজার স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল। স্মার্টফোন আমদানিতে সরকার গত বাজেটে শুল্ক বাড়ানোর কারণে অবৈধ পথে আসা হ্যান্ডসেটকেও অনেকে এর বড় কারণ হিসেবে দেখছেন। আমদানিকারকরা এর দোষ চাপিয়েছেন মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর ওপর। তারা বলছেন, থ্রিজির নেটওয়ার্কে খুব একটা উন্নতি না হওয়ার কারণেই স্মার্টফোনের সংখ্যা আগের চেয়ে বাড়েনি।

অথচ বার ফোন বা বেসিক ফোনের আমদানি কিন্তু ঠিকই বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর সব মিলে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৭ হাজার পিস বার ফোন বা বেসিক ফোন আমদানি হয়েছে। এসব ফোনে মূলত কথা বলা ও এসএমএস ছাড়া আর কিছুই করা যায় না।

এক বছর আগেও এ ধরনের ফোন আমদানির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ ১৭ হাজার পিস।

আর ২০১৭ সালে সব মিলে বৈধ পথে আমদানি হয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৭ হাজার। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ১০ লাখ ২২ হাজার। আমদানিকারকদের দাবি, মূলত চলতি বছরের বাজেটে হ্যান্ডসেটের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈধ আমদানিতে। তাদের ধারণা, আগে যেখানে ২০ শতাংশ হ্যান্ডসেট অবৈধ পথে আসত, এখন তা বেড়ে অন্তত ৩০ শতাংশে চলে গেছে। এ কারণে বৈধ পথে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি খুবই সামান্য। একই সঙ্গে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে বন্যাও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও তারা মনে করছেন।